📌 হবিগঞ্জ জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (বৈছাআ) সচিব মাহদী হাসানকে বিদেশ যাত্রা থেকে রোধ করে ইমিগ্রেশন পুলিশ। তার বিরুদ্ধে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় মামলা থাকায় পাসপোর্ট ‘স্টপ-লিস্টেড’ হিসেবে শনাক্ত হয়
হবিগঞ্জ জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (বৈছাআ) সচিব মাহদী হাসানকে বিদেশ যাত্রা থেকে রোধ করে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পুলিশ। মাহদী হাসান ইতিহাদ এয়ারওয়েজের ইওয়াই-৩৮৩ নম্বর ফ্লাইটে আবুধাবি হয়ে জ্যামাইকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করার সময় ইমিগ্রেশন কাউন্টারে তার পাসপোর্ট ‘স্টপ-লিস্টেড’ হিসেবে শনাক্ত হয়। ফলে তাকে ইমিগ্রেশন প্রসিকিউশন অফিসে পাঠানো হয়। তবে মাহদীকে আটক করা হয়নি বলে জানান ইমিগ্রেশন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরুল আহসান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মাহদী হাসানকে ৮ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বিদেশ যাত্রা থেকে রোধ করে ইমিগ্রেশন পুলিশ
- 📌 তার বিরুদ্ধে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় ৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে জিআর-১/২০২৬ নম্বর মামলা রয়েছে
- 📌 মামলায় দণ্ডবিধির ১৪৩, ৪৮৬, ১৮৯ ও ৩৪ ধারা উল্লেখ করা হয়েছে
- 📌 মাহদী হাসান ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে ‘বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম’ বলে বক্তব্য দিয়েছিলেন
- 📌 মাহদী হাসান ২০২৬ সালের আগস্ট ও ফেব্রুয়ারিতে ভারতের দিল্লি বিমানবন্দরেও ইমিগ্রেশন পুলিশের হেফাজতে পড়েছিলেন
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ইতিহাদ এয়ারওয়েজের ইওয়াই-৩৮৩ নম্বর ফ্লাইটে আবুধাবি হয়ে জ্যামাইকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করার সময় মাহদী হাসানকে ইমিগ্রেশন কাউন্টারে পাসপোর্ট পরীক্ষা করা হয়। ইমিগ্রেশন সিস্টেমে তার পাসপোর্ট ‘স্টপ-লিস্টেড’ হিসেবে শনাক্ত হলে তাকে ইমিগ্রেশন প্রসিকিউশন অফিসে পাঠানো হয়। ইমিগ্রেশন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরুল আহসান জানান, মাহদীকে আটক করা হয়নি। তবে তার বিরুদ্ধে বিদেশ যাত্রা নিষেধাজ্ঞা থাকায় তাকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
মাহদী হাসানকে বিদেশ যাত্রা থেকে রোধের পেছনে রয়েছে তার বিরুদ্ধে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় করা একটি মামলা। মামলাটি জিআর-১/২০২৬ হিসেবে নথিভুক্ত। নোটে মামলায় দণ্ডবিধির ১৪৩, ৪৮৬, ১৮৯ ও ৩৪ ধারার উল্লেখ রয়েছে। মাহদী হাসানকে ৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে গ্রেফতার করা হয়। সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় যে, বানিয়াচং থানা থেকে পুলিশের সাথে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে মাহদী হাসান বলেন, ‘বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম’।
মাহদী হাসানের দাবি, থানায় আলোচনার সময় উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে অসাবধানতাবশত ওই বক্তব্য তার মুখ থেকে বের হয়ে যায়। এর আগে ২০২৬ সালের আগস্টে হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট মসজিদ এলাকায় বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে মাহদী হাসানকে আটক করা হয়েছিল। পুলিশ জানিয়েছিল, অনুমতি ছাড়া কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা এড়াতে তাকে হেফাজতে নেয়া হয়। পরে প্রায় ২১ ঘণ্টা পর অভিভাবকদের মুচলেকায় তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। এছাড়া ফেব্রুয়ারিতে ভারতের দিল্লি বিমানবন্দরেও ইমিগ্রেশন পুলিশের হেফাজতে পড়েছিলেন মাহদী হাসান। পরে তাকে ছেড়ে দেয়া হয় বলে সে সময় সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছিল।
"বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহদী হাসান (বৈছাআ সচিব), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরুল আহসান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ অক্টোবর, ৬:৩০ টা, ইওয়াই-৩৮৩, ৩ জানুয়ারি ২০২৬, জিআর-১/২০২৬, ২১ ঘণ্টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!