📌 আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ আজ কক্সবাজারের টেকনাফ হত্যাকাণ্ড মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১১ আসামির অভিযোগ গঠন শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। চার আসামি গ্রেপ্তার থাকলেও পলাতক সাত আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ আজ (২৪ সেপ্টেম্বর) কক্সবাজারের টেকনাফ হত্যাকাণ্ড মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন নিয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলের সামনে এই গুরুত্বপূর্ণ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শেখ হাসিনাসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ গঠন নিয়ে আজ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে
- 📌 চার আসামি গ্রেপ্তার থাকলেও পলাতক সাত আসামির মধ্যে রয়েছে শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল ও ওবায়দুল কাদের
- 📌 গত ২৬ জুলাই অভিযোগ গঠন করা হয় এবং ২৫ আগস্ট পলাতক আসামিদের আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়
- 📌 ২০১৮ সালের ২৬ মে টেকনাফের কাউন্সিলর একরামুল হককে হত্যা করা হয়
📰 বিস্তারিত
টেকনাফ হত্যাকাণ্ড মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন নিয়ে আজ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলের সামনে এই শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। মামলায় বর্তমানে চার আসামি গ্রেপ্তার রয়েছেন, তাদের মধ্যে রয়েছে সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুব আলম এবং সাবেক কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান।
পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছে শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ, মেজর (অব.) রুহুল আমিন, লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আশেকুর রহমান এবং ডিজিএফআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা স্কোয়াড্রন লিডার নাজমুস সাকিব মাহমুদ। প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, গত ৭ সেপ্টেম্বর পলাতক সাত আসামির পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২।
গত ২৬ জুলাই শেখ হাসিনাসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-২। একই সঙ্গে পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এর আগে গত ২৫ আগস্ট শেখ হাসিনাসহ সাত আসামিকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়ে দুটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। নির্ধারিত হাজিরার দিনে গ্রেপ্তার চার আসামি ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হলেও পলাতক আসামিরা আত্মসমর্পণ করেননি। পরে তাদের পক্ষে সরকারি খরচে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়।
২০১৮ সালের ২৬ মে রাত সাড়ে ১০টার দিকে টেকনাফের কিরণতলীর হোটেল নেটংয়ের সামনে থেকে একরামুল হককে তুলে নেওয়া হয়। পরে রাত ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নোয়াখালিয়াপাড়া এলাকায় মেরিন ড্রাইভের সাগরতীরে র্যাবের কথিত বন্দুকযুদ্ধে তিনি নিহত হন। একরামুল টেকনাফ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ছিলেন।
"গত ২৬ জুলাই শেখ হাসিনাসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-২। একই সঙ্গে পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কক্সবাজার, টেকনাফ সদর ইউনিয়ন, নোয়াখালিয়াপাড়া এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল, ওবায়দুল কাদের, বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী, একরামুল হক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ আসামি, ৪ গ্রেপ্তার, ৭ পলাতক, ২৬ জুলাই, ২৫ আগস্ট, ২৪ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!