📌 মানবতাবিরোধী অপরাধে জিয়াউল আহসানের বিচার আগামী অক্টোবরে শেষ হতে পারে। প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম জানান, শতাধিক গুম ও হত্যার মামলায় সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ শাস্তির সম্ভাবনা রয়েছে
মানবতাবিরোধী অপরাধে জিয়াউল আহসানের বিচার আগামী অক্টোবরে শেষ হতে পারে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর মামলায় প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম জানান, শতাধিক গুম ও হত্যার ঘটনায় জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে উপস্থাপিত সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ শাস্তির সম্ভাবনা রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলামের দাবি: জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে ১০৪ জন ভুক্তভোগীর মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি সম্ভব
- 📌 মামলায় ৩টি অভিযোগ: গাজীপুরে গুলি করে হত্যা, বরগুনা-বাগেরহাটে নদী ও সুন্দরবনে গুম ও হত্যা
- 📌 ২০১০-২০১৩ সালের মধ্যে ৫০ জনেরও বেশিকে গুলি করে হত্যা ও লাশ গুমের অভিযোগ
- 📌 আলকাছ মল্লিকের মামলা ছাড়া প্রত্যেক ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী উপস্থাপিত হয়েছে
- 📌 জিয়াউল আহসানের পক্ষ থেকে মাত্র ২ জন সাক্ষীর তালিকা দেওয়া হয়েছে
📰 বিস্তারিত
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর মামলায় প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, শতাধিক গুম ও হত্যার ঘটনায় জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে উপস্থাপিত সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ শাস্তির সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি জানান, মামলায় শুধুমাত্র আলকাছ মল্লিকের মামলা ছাড়া প্রত্যেক ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী উপস্থাপন করা হয়েছে। এ সাক্ষীরা জিয়াউল আহসানের বাহিনীর কর্মকর্তা ও অধীনস্থ কর্মকর্তারা।
প্রসিকিউশন জানায়, মামলায় ১০৪ জন ভুক্তভোগীর ন্যায়বিচার পাওয়ার লক্ষ্যে রাষ্ট্রসাক্ষীরা সর্বাধিক সহযোগিতা করেছে। মিজানুল ইসলাম বলেন, জিয়াউল আহসানের পক্ষ থেকে মাত্র দুজন সাক্ষীর তালিকা দেওয়া হয়েছে। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে তাদের সাক্ষ্য দেওয়ার বিষয়টি নির্ধারিত হবে।
২০১১ সালের ১১ জুলাই রাতে গাজীপুরের পুবাইল এলাকায় জিয়াউল আহসানের পরিকল্পনায় ও প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণে সজল ও অজ্ঞাতনামা তিন জনকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে, ২০১০ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে বরগুনার পাথরঘাটা থানার চরদুয়ানী এলাকায় বলেশ্বর নদীর মোহনায় নজরুল ইসলাম মল্লিকসহ কমপক্ষে ৫০ জনকে গুলি করে হত্যা ও লাশ গুমের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও, বরগুনা ও বাগেরহাটের সুন্দরবনের বিভিন্ন অঞ্চলে মাসুদসহ ৫০ জনকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ রয়েছে।
"মামলায় শুধুমাত্র আলকাছ মল্লিকের মামলা ছাড়া প্রত্যেক ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী উপস্থাপন করা হয়েছে। আর এই সাক্ষীগুলো আর কেউ নয় — তাঁর বাহিনীর, তাঁর অধীনস্থ এবং তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।" — প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজীপুর (পুবাইল), বরগুনা (পাথরঘাটা), বাগেরহাট (সুন্দরবন), ঢাকা (বাইপাস সড়ক)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেজর জেনারেল (বরখাস্ত) জিয়াউল আহসান, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম মল্লিক, আলকাছ মল্লিক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০৪ জন ভুক্তভোগী, ৩ জন হত্যা (গাজীপুর), ৫০ জন+ হত্যা (বরগুনা-বাগেরহাট), ১৪ জানুয়ারি (অভিযোগ গঠন), ১১ জুলাই (হত্যা ঘটনা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!