📅 ৬ অক্টোবর ২০২৬, ৫:১৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হবিগঞ্জের এএসআইয়ের ঘুষ-মন্তব্য ভিডিওতে প্রত্যাহার: ‘পোশাক ঘুষের টাকা দিয়ে পরেছি’

হবিগঞ্জের এএসআইয়ের ঘুষ-মন্তব্য ভিডিওতে প্রত্যাহার: ‘পোশাক ঘুষের টাকা দিয়ে পরেছি’

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ইলিয়াছ হোসেনের ঘুষ গ্রহণ নিয়ে করা মন্তব্য ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। পুলিশের তদন্ত চলছে এবং পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ইলিয়াছ হোসেনের ঘুষ গ্রহণ নিয়ে করা মন্তব্য ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার এএসআই ইলিয়াছ হোসেনের ঘুষ গ্রহণ নিয়ে করা মন্তব্য ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
  • 📌 ভিডিওতে ইলিয়াছ হোসেন বলেছেন, ‘কিছু রটে বলেই তো কিছু ঘটে! আমি যদি এখন বলি পুলিশে চাকরি করি, কিন্তু ঘুষ খাই না, তবে কি আমি বায়তুল মোকাররমের ইমাম সাহেব হব? আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই’।
  • 📌 ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, অনৈতিক মন্তব্যের বিষয়টি নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে।
  • 📌 পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ইলিয়াছ হোসেনকে চুনারুঘাট থানা থেকে প্রত্যাহার করে হবিগঞ্জ পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।
  • 📌 রানীগাঁও বাজারে ব্যবসায়ী নোমান মিয়ার অভিযোগ তদন্তের সময় ইলিয়াছের মন্তব্য ধারণ করা হয়েছিল।

📰 বিস্তারিত

সোমবার রাত ১০টার দিকে চুনারুঘাট উপজেলার রানীগাঁও বাজারে এএসআই ইলিয়াছ হোসেনের ঘুষ গ্রহণকে প্রকাশ্যে যৌক্তিক দাবি করার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এক মিনিট এক সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ভাইরাল হলে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা ও জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রানীগাঁও বাজারের ব্যবসায়ী নোমান মিয়ার করা একটি অভিযোগের তদন্তে সেখানে গিয়েছিলেন ইলিয়াছ হোসেন। তদন্তের সময় স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলার একপর্যায়ে তিনি ঘুষ গ্রহণ নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য করেন। এ সময় উপস্থিত এক ব্যক্তি মুঠোফোনে তাঁর বক্তব্যের ভিডিও ধারণ করেন।

ভিডিওতে ইলিয়াছ হোসেনের বলা শোনা যায়, ‘কিছু রটে বলেই তো কিছু ঘটে! আমি যদি এখন বলি পুলিশে চাকরি করি, কিন্তু ঘুষ খাই না, তবে কি আমি বায়তুল মোকাররমের ইমাম সাহেব হব? আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই’।

ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, ‘অনৈতিক মন্তব্যের বিষয়টি নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। কী কারণে এবং কোন পরিস্থিতিতে তিনি এ ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করেছেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

"কিছু রটে বলেই তো কিছু ঘটে! আমি যদি এখন বলি পুলিশে চাকরি করি, কিন্তু ঘুষ খাই না, তবে কি আমি বায়তুল মোকাররমের ইমাম সাহেব হব? আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চুনারুঘাট থানা, হবিগঞ্জ; রানীগাঁও বাজার, হবিগঞ্জ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ইলিয়াছ হোসেন, ওসি সাইফুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ অক্টোবর, ১০ টা, ১১ টা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖