📅 ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৫০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হবিগঞ্জে ইয়াবা ফাঁসানোর অভিযোগে পুলিশ সদস্যদুই প্রত্যাহার, মাদক ব্যবসার মিথ্যাচার

হবিগঞ্জে ইয়াবা ফাঁসানোর অভিযোগে পুলিশ সদস্যদুই প্রত্যাহার, মাদক ব্যবসার মিথ্যাচার

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় প্রতিবেশী বিরোধের জেরে এক পরিবারের তিন সদস্যকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করার অভিযোগে পুলিশের উপপরিদর্শক মাসুম আল মামুন ও কনস্টেবল রুহুল আমিনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ঘটনায় মাদক ব্যবসার মিথ্যাচার করা হয়নি বলে জানানো হলেও তদন্ত চলছে

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় প্রতিবেশী বিরোধের জেরে এক পরিবারের তিন সদস্যকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করার অভিযোগে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুম আল মামুন ও কনস্টেবল রুহুল আমিনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, পুলিশের সদস্যরা মাদক ব্যবসার মিথ্যাচার করে তাদেরকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। ঘটনায় অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের প্রত্যাহার করা হলেও তদন্ত চলছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় প্রতিবেশী বিরোধের জেরে এক পরিবারের বাবা-মেয়ে ও ছোট ভাইকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করার অভিযোগে পুলিশের দুই সদস্য প্রত্যাহার করা হয়েছে।
  • 📌 মাসুম আল মামুন (এসআই) ও রুহুল আমিন (কনস্টেবল)কে চুনারুঘাট থানার থেকে জেলা পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।
  • 📌 ৫০ বছর বয়সী ছায়েদ মিয়া, তার ২৪ বছর বয়সী মেয়ে জাসমিন আক্তার ও ৪৫ বছর বয়সী ছোট ভাই ইউনুস মিয়াকে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় আটক করে পুলিশ।
  • 📌 পুলিশের অভিযোগ: তাদের পকেটে ইয়াবা পাওয়া গেছে। কিন্তু স্থানীয়রা দাবি, মাদক ব্যবসার মিথ্যাচার করা হয়েছে।
  • 📌 আটক তিনজনকে বিকেল পাঁচটায় ছেড়ে দেওয়া হলেও পুলিশের সদস্যদের প্রত্যাহার করা হয়েছে। তদন্ত চলছে।

📰 বিস্তারিত

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের বগাডুবী রেললাইনের মোড় থেকে কালীশিরী গ্রামের ছায়েদ মিয়া (৫০), তার মেয়ে জাসমিন আক্তার (২৪) ও ছোট ভাই ইউনুস মিয়া (৪৫)কে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় পুলিশ আটক করে। স্থানীয় বাসিন্দাদের তথ্য মতে, এই তিনজনকে হাজিরা দিতে চুনারুঘাট যাচ্ছিলেন। কিন্তু পুলিশের একটি দল তাদের ইজিবাইকের গতি রোধ করে এবং মাদক ব্যবসার মিথ্যাচার করে তাদেরকে থানায় নিয়ে যায়।

ছায়েদ মিয়ার পরিবারের সঙ্গে প্রতিবেশী পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে রাস্তা নিয়ে বিরোধ চলছে। এই বিরোধের জেরে একাধিক মামলা ও পাল্টা মামলা হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, পুলিশের সদস্যরা তাদেরকে ইজিবাইক থেকে নামিয়ে পুলিশের গাড়িতে করে থানায় নিয়ে যান। এরপর ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়লে কালীশিরীসহ আশপাশের গ্রামের লোকজন চুনারুঘাট থানার সামনে জড়ো হন এবং ঘটনার প্রতিবাদ জানান।

চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, আটক তিনজনকে বৃহস্পতিবার বিকেলেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তদন্তে তাদের ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের প্রত্যাহার করা হয়েছে। সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী মিছবাহুল বারী বলেন, শুধু প্রত্যাহার করা যথেষ্ট নয়। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

"অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের শুধু প্রত্যাহার করে নেওয়াই যথেষ্ট নয়। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলা, আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন, বগাডুবী রেললাইনের মোড়, কালীশিরী গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাসুম আল মামুন (এসআই), রুহুল আমিন (কনস্টেবল), ছায়েদ মিয়া (৫০), জাসমিন আক্তার (২৪), ইউনুস মিয়া (৪৫), সাইফুল ইসলাম (ওসি), চৌধুরী মিছবাহুল বারী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০:০০ (আটক সময়), ৫:০০ (পুলিশ ছেড়ে দেয়া সময়), ৫০, ২৪, ৪৫ (বয়স)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖