📅 ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:১০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে পুলিশের ষড়যন্ত্রে ইয়াবা দিয়ে পরিবারকে ফাঁসানোর চেষ্টা, বিক্ষোভে থানার সামনে জড়ো হয় স্থানীয়রা

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে পুলিশের ষড়যন্ত্রে ইয়াবা দিয়ে পরিবারকে ফাঁসানোর চেষ্টা, বিক্ষোভে থানার সামনে জড়ো হয় স্থানীয়রা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে রাস্তা বিরোধের জেরে পুলিশের ষড়যন্ত্রে এক পরিবারের তিন সদস্যকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়। স্থানীয়রা থানার সামনে বিক্ষোভ করে। অভিযোগে পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় রাস্তা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে পুলিশের ষড়যন্ত্রে এক পরিবারের তিন সদস্যকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়। স্থানীয়রা এই ঘটনার প্রতিবাদে থানার সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করে। ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে বগাডুবী রেললাইনের মোড়ে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৩ জনকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা: চুনারুঘাট থানার পুলিশের একটি দল ছায়েদ মিয়া (৫০), তার মেয়ে জাসমিন আক্তার (২৪) ও ছোট ভাই ইউনুস মিয়া (৪৫)কে ইয়াবা দিয়ে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত দেখানোর চেষ্টা করে।
  • 📌 পুলিশের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ: অভিযোগে পুলিশের সদস্যরা ইজিবাইকে গতিরোধ করে পকেটে ইয়াবা ঢুকিয়ে পরিবারকে মাদক ব্যবসায়ী সাজানোর চেষ্টা করেছিল।
  • 📌 বিক্ষোভে থানার সামনে জড়ো হয় স্থানীয়রা: ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে কালিশিরীসহ আশপাশের গ্রামের লোকজন চুনারুঘাট থানার সামনে জড়ো হয়ে প্রতিবাদ করে।
  • 📌 পুলিশের সাড়া না পাওয়া: অভিযোগের বিষয়ে এসআই মাসুম আল মামুনের মুঠোফোনে কল ও বার্তা পাঠিয়ে সাড়া পাওয়া যায়নি।
  • 📌 তদন্তে ইয়াবা ব্যবসার প্রমাণ পাওয়া যায়নি: পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, আটক তিনজনকে বিকেল পাঁচটায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

📰 বিস্তারিত

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের কালিশিরী গ্রামের ছায়েদ মিয়া (৫০), তার মেয়ে জাসমিন আক্তার (২৪) ও ছোট ভাই ইউনুস মিয়া (৪৫)কে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়। এই তিনজনকে চুনারুঘাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুম আল মামুনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল আটক করে থানায় নিয়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এই পরিবারের সঙ্গে প্রতিবেশীরা বাড়িতে যাতায়াতের রাস্তা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। এ নিয়ে একাধিক মামলা ও পাল্টা মামলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে একটি মামলায় হাজিরা দিতে যাওয়ার পথে তিনজনকে পুলিশের গাড়িতে চড়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। স্থানীয়রা জানান, পুলিশের সদস্যরা তাদের ইজিবাইকে গতিরোধ করে পকেটে ইয়াবা ঢুকিয়ে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত দেখানোর চেষ্টা করেছিল। এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে কালিশিরীসহ আশপাশের গ্রামের লোকজন চুনারুঘাট থানার সামনে জড়ো হয়ে প্রতিবাদ করে। তারা পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আবদুস সাত্তার মোল্লা বলেন, ‘দুই পরিবারের মধ্যে বাড়িতে যাওয়ার রাস্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মামলা-মোকদ্দমা চলছে। আটক ব্যক্তিরা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত নন বলে আমরা জানি। ঘটনার কথা শুনে থানায় গিয়ে পুলিশকে বিষয়টি জানিয়েছি।’ ছায়েদ মিয়ার স্ত্রী রোকেয়া আক্তার বলেন, ‘রাস্তা নিয়ে আমাদের সঙ্গে বিরোধ আছে। কিন্তু প্রতিপক্ষ পুলিশের সহায়তায় আমার স্বামীর পকেটে ইয়াবা দিয়ে এমন ঘটনা সাজাবে, তা কখনো ভাবিনি।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে এসআই মাসুম আল মামুনের মুঠোফোনে কল দিয়ে ও খুদে বার্তা পাঠিয়ে সাড়া পাওয়া যায়নি। চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, আটক তিনজনকে বিকেল পাঁচটায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তদন্তে তাঁদের ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের বিষয়েও তদন্ত করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

"দুই পরিবারের মধ্যে বাড়িতে যাওয়ার রাস্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মামলা-মোকদ্দমা চলছে। আটক ব্যক্তিরা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত নন বলে আমরা জানি। ঘটনার কথা শুনে থানায় গিয়ে পুলিশকে বিষয়টি জানিয়েছি।"
"রাস্তা নিয়ে আমাদের সঙ্গে বিরোধ আছে। কিন্তু প্রতিপক্ষ পুলিশের সহায়তায় আমার স্বামীর পকেটে ইয়াবা দিয়ে এমন ঘটনা সাজাবে, তা কখনো ভাবিনি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চুনারুঘাট উপজেলা, হবিগঞ্জ, বগাডুবী রেললাইনের মোড়
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ছায়েদ মিয়া (৫০), জাসমিন আক্তার (২৪), ইউনুস মিয়া (৪৫), এসআই মাসুম আল মামুন, ওসি সাইফুল ইসলাম, আবদুস সাত্তার মোল্লা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ জন আটক, ১০ টা (ঘণ্টা), ৫০ বছর (ছায়েদ মিয়া), ২৪ বছর (জাসমিন), ৪৫ বছর (ইউনুস)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖