📅 ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হাইকোর্টের রায়: দেনমোহর বিলম্বে দিলে স্ত্রীকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে স্বামীকে

হাইকোর্টের রায়: দেনমোহর বিলম্বে দিলে স্ত্রীকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে স্বামীকে

📷 ছবি: আমাদের সময়

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Amader Shomoy ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়েছে, স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া দেনমোহর বিলম্বিতভাবে দেওয়া যাবে না। স্বামীর আর্থিক ক্ষমতা থাকলেও দেনমোহর পরিশোধ না করলে পারিবারিক আদালত ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবে। চট্টগ্রামের একটি মামলায় এই রায় দিয়েছে বিচারপতি মো. আব্দুর রহমান

হাইকোর্টের রায়ে মুসলিম পারিবারিক আইনে স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া দেনমোহর বিলম্বিতভাবে দেওয়া যাবে না বলে স্পষ্ট করা হয়েছে। স্বামীর আর্থিক ক্ষমতা থাকলেও দেনমোহর পরিশোধ না করলে পারিবারিক আদালত ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবে। চট্টগ্রামের একটি মামলায় এই রায় দিয়েছেন বিচারপতি মো. আব্দুর রহমানের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দেনমোহর বিলম্বিতভাবে দেওয়া যাবে না — স্ত্রীর দাবি মাত্রই তা তত্ক্ষণাত্ প্রদেয় দেনমোহর হিসেবে গণ্য হবে এবং অবিলম্বে পরিশোধযোগ্য হবে।
  • 📌 ক্ষতিপূরণের নির্দেশ — স্বামীর আর্থিক ক্ষমতা থাকলেও দেনমোহর পরিশোধ না করলে পারিবারিক আদালত ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবে।
  • 📌 মামলার বিবরণ — ২০১৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর ২২ লাখ টাকা দেনমোহরে ইয়াকুব আলী ও সানজিদা নাসরিনের বিবাহ হয়। পরে ২০১৭ সালে স্ত্রীকে তালাক দেন ইয়াকুব।
  • 📌 আদালতের রায় — ২০২২ সালের ২৫ মে চট্টগ্রামের পারিবারিক আদালত দেনমোহর বাবদ ১৮ লাখ টাকা, ইদ্দতকালীন খোরপোশ বাবদ ৩০ হাজার টাকা এবং কন্যা সন্তানের খোরপোশ বাবদ ২ লাখ ১০ হাজার টাকা মোট ২০ লাখ ৪০ হাজার টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেয়।
  • 📌 হাইকোর্টের রায় — দেনমোহরের কোনো অংশ মওকুফ বা মাফ করার এক্তিয়ার আদালতের নেই। তবে স্ত্রী স্বেচ্ছায় মাফ বা ত্যাগ করতে পারেন।

📰 বিস্তারিত

মুসলিম পারিবারিক আইনে স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া দেনমোহর বিলম্বিতভাবে দেওয়া যাবে না বলে পর্যবেক্ষণ করেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. আব্দুর রহমানের একক হাইকোর্ট বেঞ্চের রায়ে বলা হয়েছে, স্ত্রী দাবি করা মাত্রই তা তত্ক্ষণাত্ প্রদেয় দেনমোহর হিসেবে গণ্য করতে হবে। যা অবিলম্বে পরিশোধযোগ্য হবে।

চট্টগ্রামের পারিবারিক আদালতে দায়ের করা মামলায় ২০১৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর ইয়াকুব আলী ও সানজিদা নাসরিনের বিবাহ হয় ২২ লাখ টাকা দেনমোহরে। বিবাহের পর তাদের কোল জুড়ে আসে এক কন্যা সন্তান। যৌতুকের দাবি ও পারিবারিক মনোমালিন্যের কারণে ২০১৭ সালে স্ত্রীকে তালাক দেন ইয়াকুব। তালাক কার্যকর হওয়ার পর ২০১৯ সালে বকেয়া দেনমোহর, ইদ্দতকালীন খোরপোশ এবং কন্যা সন্তানের খোরপোশ দাবি করে চট্টগ্রামের পারিবারিক আদালতে মামলা দায়ের করেন সানজিদা নাসরিন।

মামলায় ২০২২ সালের ২৫ মে স্ত্রীর পক্ষে রায় ও ডিক্রি প্রদান করে আদালত। যেখানে দেনমোহর বাবদ ১৮ লাখ টাকা, ইদ্দতকালীন খোরপোশ বাবদ ৩০ হাজার টাকা এবং কন্যা সন্তানের খোরপোশ বাবদ ২ লাখ ১০ হাজার টাকা মোট ২০ লাখ ৪০ হাজার টাকা দুই মাসের মধ্যে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এছাড়া কন্যা সন্তানের বিয়ের পূর্ব পর্যন্ত প্রতি মাসে ৭ হাজার টাকা করে খোরপোশের আদেশ দেওয়া হয়।

একতরফা রায়ের বিরুদ্ধে পরের বছর আপিল করেন ইয়াকুব। চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা জজ স্বামীর আপিল খারিজ করে পারিবারিক আদালতের রায় বহাল রাখেন। এই রায়ের বিরুদ্ধে দেওয়ানি রিভিশন দায়ের করা হয় হাইকোর্টে। উচ্চ আদালতে রিভিশন আবেদনের শুনানিতে ইয়াকুবের কৌসুলি বলেন, রায়ের ডিক্রির অর্থের একটি বড় অংশ পরিশোধ করেছেন স্বামী। ব্যাবসায়িক আর্থিক ক্ষতির কারণে অবশিষ্ট টাকা এককালীন পরিশোধ করা সম্ভব নয়। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বকেয়া দেনমোহর ও খোরপোশ কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ দেওয়া উচিত।

"স্বামী সামর্থ্যবান হওয়া সত্ত্বেও ইচ্ছাকৃতভাবে স্ত্রী ও কন্যা সন্তানের আইনি অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছেন। তথ্যপ্রমাণ ও আইনের ভিত্তিতে পারিবারিক আদালত যুক্তিযুক্ত রায় ও ডিক্রি দিয়েছে।"

— আইনজীবী ইশরাত হাসান, স্ত্রীর পক্ষে

হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়েছে, দেনমোহরের কোনো অংশ মওকুফ বা মাফ করার এক্তিয়ার আদালতের নেই। তবে স্ত্রী চাইলে স্বেচ্ছায় স্বামীর অনুকূলে তার দেনমোহরের পুরো অংশ বা কিছু অংশ মাফ বা পরিত্যাগ করতে পারেন। এ ধরনের মাফ বা ত্যাগের বিষয়টি নির্ভর করবে স্ত্রী সচেতনভাবে ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে সেটা করেবেন কিনা। বলপ্রয়োগ, অনুচিত প্রভাব বা মুক্ত সম্মতিকে ক্ষুণ্ন করে এমন কোনো বিষয়ের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথাকথিত মওকুফকে বৈধ মাফ হিসেবে গণ্য করার সুযোগ নেই বলে পর্যবেক্ষণ করেছেন হাইকোর্ট।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রাম
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: বিচারপতি মো. আব্দুর রহমান, ইয়াকুব আলী, সানজিদা নাসরিন, কন্যা সন্তান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ লাখ টাকা (দেনমোহর), ২০ লাখ ৪০ হাজার টাকা (মোট ক্ষতিপূরণ), ৭ হাজার টাকা (মাসিক খোরপোশ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖