📌 হাইকোর্ট তিন মাসের জন্য যাদুকাটা নদীর বালু উত্তোলন অনুমতির কার্যকারিতা স্থগিত করেছে। সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় বালু উত্তোলন সংক্রান্ত ভূমি মন্ত্রণালয়ের স্মারক অবৈধ ঘোষণা চ্যালেঞ্জ করে রিটে আদালত রুল জারি করেছে
হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ সুনামগঞ্জের যাদুকাটা নদীর বালু উত্তোলন অনুমতির কার্যকারিতা তিন মাসের জন্য স্থগিত করেছে। একই সঙ্গে ভূমি মন্ত্রণালয়ের জারি করা স্মারকের বৈধতা নিয়ে রুল জারি করে আদালত ভূমি মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আইনগত কর্তৃত্বের প্রশ্ন তুলেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হাইকোর্টের আদেশ: যাদুকাটা নদীর বালু উত্তোলন অনুমতি তিন মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।
- 📌 রুল জারি: ভূমি মন্ত্রণালয়ের ২২ সেপ্টেম্বর জারি করা স্মারকের বৈধতা নিয়ে রুল জারি করা হয়েছে।
- 📌 আবেদনকারী: সুনামগঞ্জের পূর্ব তেঘরিয়া গ্রামের জিনান এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী শাহ রুবেল আহমেদ রিট দায়ের করেছেন।
- 📌 বিবাদী: ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার, সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক, তাহিরপুর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং তাহিয়া স্টোন ক্রাশারের স্বত্বাধিকারী নাসির মিয়া।
- 📌 স্বেচ্ছাচারী অনুমতি: শাহ রুবেল আহমেদের দাবি, বালু উত্তোলন অনুমতি দেওয়া বৈষম্যমূলক এবং সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন।
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রিট আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ ও বিচারপতি কাজী ওয়ালিউল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ আলমগীর শাকেরের প্রত্যয়নপত্রে আদালতের আদেশের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। রিটে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার, সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক, তাহিরপুর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) বিবাদী করা হয়েছে। তাহিরপুরের তাহিয়া স্টোন ক্রাশারের স্বত্বাধিকারী নাসির মিয়াও বিবাদী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
রিটে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২২ সেপ্টেম্বর ভূমি মন্ত্রণালয়ের জারি করা স্মারকের মাধ্যমে নাসির মিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত ইজারাদার হিসেবে বিবেচনা করে বাংলা ১৪৩৩ সালের অবশিষ্ট সময়ের জন্য যাদুকাটা-১ ও যাদুকাটা-২ বালুমহাল থেকে বালু উত্তোলনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। শাহ রুবেল আহমেদের অভিযোগ, একই বালুমহালের ইজারা-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তাকে বাদ দিয়ে শুধু নাসির মিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত ইজারাদার হিসেবে বিবেচনা করা বৈষম্যমূলক এবং স্বেচ্ছাচারী।
শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছে, ২২ সেপ্টেম্বর ভূমি মন্ত্রণালয়ের জারি করা স্মারক কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না এবং এর আইনগত কার্যকারিতা কেন থাকবে না। আদালতের পূর্ণাঙ্গ আদেশ যথাযথভাবে সংশ্লিষ্টদের জানানো হবে বলে রিটের নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
"আমি একমাত্র ক্ষতিগ্রস্ত ইজারাদার না হওয়ার কারণে এই বৈষম্য এবং স্বেচ্ছাচারিতা সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সুনামগঞ্জের তাহিরপুর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা, যাদুকাটা নদী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাহ রুবেল আহমেদ (আবেদনকারী), নাসির মিয়া (বিবাদী), বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ ও কাজী ওয়ালিউল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ সেপ্টেম্বর (শুনানি তারিখ), ২২ সেপ্টেম্বর (স্মারক জারি তারিখ), ২৭ (সংবিধানের অনুচ্ছেদ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!