📅 ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:১৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হাইকোর্টের ঐতিহাসিক রায়: ১৮০ দিনের সময়সীমা নারী-শিশু নির্যাতন মামলায় বাধ্যতামূলক নয়

হাইকোর্টের ঐতিহাসিক রায়: ১৮০ দিনের সময়সীমা নারী-শিশু নির্যাতন মামলায় বাধ্যতামূলক নয়

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 হাইকোর্টের রায়ে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় ১৮০ দিনের সময়সীমা বাধ্যতামূলক নয় বলে ঘোষণা করা হয়েছে। আইনগত নির্দেশনা হলেও বিচার স্থগিত বা বাতিলের কোনো বিধান নেই বলে রায় দিয়েছেন বিচারপতি কে. এম. কামরুল কাদের ও মোহাম্মদ শওকত আলী চৌধুরী

হাইকোর্টের একটি ঐতিহাসিক রায়ে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় আইনে নির্ধারিত ১৮০ দিনের সময়সীমা বাধ্যতামূলক নয় বলে ঘোষণা করা হয়েছে। আদালত বলেছেন, এই সময়সীমা নির্দেশনা মাত্র এবং বিচারিক কার্যক্রম স্থগিত বা বাতিলের কোনো আইনগত ভিত্তি নেই। এই রায় দিয়েছেন বিচারপতি কে. এম. কামরুল কাদের ও মোহাম্মদ শওকত আলী চৌধুরী।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৮০ দিনের সময়সীমা বাধ্যতামূলক নয় — নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় এই সময়সীমা নির্দেশনা মাত্র, বিচার স্থগিত বা বাতিলের কোনো বিধান নেই বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
  • 📌 মামলার বিচারিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে — ২০০৭ সালের ধর্ষণ মামলায় বিচার স্থগিতাদেশ বাতিল করা হয়েছে।
  • 📌 রিটকারীর অসৎ উদ্দেশ্য — আদালত উল্লেখ করেছে, রিটকারী ২০১০ সালের কিছু আদেশ গোপন করেছিলেন, যা অসৎ উদ্দেশ্যের ইঙ্গিত দেয়।
  • 📌 আইনজীবী এম. এইচ. রশীদের প্রতিনিধিত্বে পাভেল — আসামি পাভেলের পক্ষে আইনজীবী এম. এইচ. রশীদ, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ সাইফুজ্জামান ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. শফিকুজ্জামান।

📰 বিস্তারিত

হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়েছে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ২০ ও ৩১ক ধারা অনুযায়ী ১৮০ দিনের মধ্যে বিচার শেষ না হলে মামলার বিচারিক কার্যক্রম স্থগিত বা বাতিল হবে না। এই সময়সীমা সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের জন্য নির্দেশনা মাত্র। আদালত উল্লেখ করেছে, মামলাটি দীর্ঘদিন ধরে বিচারাধীন থাকার বিষয়ে রিটে যে দাবি করা হয়েছিল, তা সঠিক নয়।

মামলার পটভূমি জানা যায়, ২০০৭ সালের ৮ জুলাই ইডেন কলেজের একটি শিক্ষার্থীকে আসামি পাভেলের সঙ্গে বাসায় যাওয়ার সময় ধর্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে শিক্ষার্থী অন্তঃসত্ত্বা হন এবং পাঁচ মাসের গর্ভাবস্থায় তাকে জোরপূর্বক গর্ভপাত করানোর অভিযোগও উঠে। ভুক্তভোগীর মা ২০০৮ সালের ২৭ জানুয়ারি রাজধানীর শ্যামপুর থানায় পাভেলসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে মামলাটি ঢাকার ১ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

২০১১ সালের ৮ মে পাভেল হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। তার দাবি ছিল, ২০০৮ সালের ১৩ জুলাই মামলার নথি গ্রহণ করা হলেও ১৮০ দিনের মধ্যে বিচার শেষ হয়নি। আদালত প্রথমে মামলার বিচারিক কার্যক্রম তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন, পরে স্থগিতাদেশ বিভিন্ন সময়ে বাড়ানো হয়। তবে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, রিটকারীর পক্ষে কোনো আইনগত অধিকার সৃষ্টি হয়নি।

"আইনে নির্ধারিত ১৮০ দিনের সময়সীমা বাধ্যতামূলক নয়। এটি নির্দেশনা মাত্র। বিচারিক কার্যক্রম স্থগিত বা বাতিলের কোনো আইনগত ভিত্তি নেই।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (হাইকোর্ট), শ্যামপুর থানা (রাজধানী), ইডেন কলেজ (ঢাকা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারপতি কে. এম. কামরুল কাদের, মোহাম্মদ শওকত আলী চৌধুরী, পাভেল (মো. সাইফুল ইসলাম), ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮০ দিন (সময়সীমা), ২০০৭ (ধর্ষণ ঘটনার বছর), ২৭ জানুয়ারি (মামলা দায়েরের তারিখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖