📌 হাইকোর্ট ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ শিক্ষক বিরুদ্ধে গঠিত তদন্ত কমিটিকে আইনবহির্ভূত ঘোষণা না করার কারণ জানতে রুল দিয়েছে। আইনজীবীরা দাবি করেছেন, গণমাধ্যমের যাচাইহীন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে গঠিত কমিটি সংবিধান ও বিশ্ববিদ্যালয় আইনের বিরুদ্ধে
হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ শিক্ষক বিরুদ্ধে গঠিত তদন্ত কমিটিকে আইনবহির্ভূত ঘোষণা না করার কারণ জানতে রুল দিয়েছে। এই রুলের মাধ্যমে আদালত জানতে চায় যে, কোনো আইনি কর্তৃত্ব ছাড়া গঠিত এই কমিটিগুলো কেন বিলুপ্ত বা প্রত্যাহার করা হচ্ছে না। রুলটি দিয়েছেন বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি শেখ তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ শিক্ষক বিরুদ্ধে গঠিত ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হচ্ছে না?
- 📌 ৪ আগস্ট প্রকাশিত একটি অনলাইন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে গঠিত কমিটি কেন বিলুপ্ত করা হচ্ছে না?
- 📌 ৬ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টে রিট দায়ের করে চার আইনজীবী জানিয়েছেন, গণমাধ্যমের যাচাইহীন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন আইনবিরুদ্ধ।
- 📌 মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান এবং ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ শিক্ষক বিরুদ্ধে গঠিত ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটিকে আইনবহির্ভূত ঘোষণা না করার কারণ জানতে হাইকোর্ট রুল দিয়েছে। এই রুলের মাধ্যমে আদালত জানতে চায় যে, এই কমিটিগুলো কেন বিলুপ্ত বা প্রত্যাহার করা হচ্ছে না। রুলটি দিয়েছেন বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি শেখ তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ।
৬ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টে চার আইনজীবী রিট দায়ের করেন। তাদের মধ্যে ছিলেন চঞ্চল কুমার বিশ্বাস, এম লিটন আহমেদ, রাশেদুল হক খোকন ও বিপ্লব কুমার দাস। রিটের পক্ষে আইনজীবী চঞ্চল কুমার বিশ্বাস নিজেই শুনানি করেন। তিনি বলেন, কোনো অনলাইন পোর্টলের খবরের ভিত্তিতে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠনের কোনো বিধান বিশ্ববিদ্যালয় আইনে নেই।
চঞ্চল কুমার বিশ্বাস আরও বলেন, কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তা তদন্তের এখতিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নেই। কারণ, এটি ফৌজদারি অপরাধ। তিনি উল্লেখ করেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ব্যক্তির মৌলিক অধিকার, যা সংবিধানে স্বীকৃত। সুতরাং কোনো শিক্ষক যদি স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ করে থাকেন, তাহলে সে মত প্রকাশের কারণে সংবিধানস্বীকৃত তাঁর পেশার অধিকার ক্ষুণ্ন করা যাবে না।
৪ আগস্ট একটি অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ‘শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে গোপন তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষক। বিষয়টি সমন্বয় করা হয় মেসেজিং অ্যাপ টেলিগ্রামে খোলা সিক্রেট গ্রুপের মাধ্যমে।’ ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় তথ্য অনুসন্ধান কমিটি গঠন করেছে এবং শিক্ষকদের নোটিশ দিয়েছে।
"কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ যদি থাকে, তাহলে তা তদন্তের এখতিয়ার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রশাসনের নেই। কারণ, এটি ফৌজদারি অপরাধ। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ব্যক্তির মৌলিক অধিকার, যা সংবিধানে স্বীকৃত। সুতরাং কোনো শিক্ষক যদি স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ করে থাকেন, তাহলে সে মত প্রকাশের কারণে সংবিধানস্বীকৃত তাঁর পেশার অধিকার ক্ষুণ্ন করা যাবে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হাইকোর্ট, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী, বিচারপতি শেখ তাহসিন আলী, চঞ্চল কুমার বিশ্বাস, এম লিটন আহমেদ, রাশেদুল হক খোকন, বিপ্লব কুমার দাস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়, ৪০৪ শিক্ষক, ৬ সেপ্টেম্বর, ৪ আগস্ট, ৩১ আগস্ট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!