📅 ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঢাকেশ্বরী মন্দিরের ট্রান্সজেন্ডার বিয়েতে জাল পরিচয়পত্রের অভিযোগে হাইকোর্টের রুল: কেন নেই আইনি পদক্ষেপ?

ঢাকেশ্বরী মন্দিরের ট্রান্সজেন্ডার বিয়েতে জাল পরিচয়পত্রের অভিযোগে হাইকোর্টের রুল: কেন নেই আইনি পদক্ষেপ?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকেশ্বরী মন্দিরে অনুষ্ঠিত ট্রান্সজেন্ডার বিয়েতে জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতির অভিযোগে হাইকোর্ট রুল দিয়েছে। আইনজীবী মোহাম্মদ মেসবাহ উদ্দিন চৌধুরী রিট দায়ের করেছেন। অভিযোগে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করা হয়েছে

হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশের প্রথম ট্রান্সজেন্ডার বিয়েতে’ জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতির অভিযোগে রুল দিয়েছে। বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রুল দেন। রিট আবেদনকারী পক্ষের দাবি, বিয়েতে অংশগ্রহণকারী কনের জাতীয় পরিচয়পত্র প্রকৃতপক্ষে একজন পুরুষের ছিল। এছাড়াও, বাংলাদেশের আইনে স্বঘোষিত ট্রান্সজেন্ডার পরিচয় বা পুরুষ-পুরুষের মধ্যে বিয়ে স্বীকৃত নয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২৯ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট রুল দিয়েছে ঢাকেশ্বরী মন্দিরের ট্রান্সজেন্ডার বিয়েতে জাল পরিচয়পত্রের অভিযোগে।
  • 📌 রিট আবেদনকারী আইনজীবী মোহাম্মদ মেসবাহ উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, বিয়েতে অংশগ্রহণকারী কনের জাতীয় পরিচয়পত্র প্রকৃতপক্ষে একজন পুরুষের ছিল।
  • 📌 ৩০ আগস্ট রিট দায়ের করা হয়। অভিযোগে জড়িতদের মধ্যে রয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক ও ঢাকার চকবাজার থানার ওসি।
  • 📌 ২০২৩ সালের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশে লিঙ্গ পরিবর্তনের কোনো বৈধ আইন নেই।
  • 📌 রিটে দাবি করা হয়েছে, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।

📰 বিস্তারিত

গত ১০ জুলাই ঢাকেশ্বরী মন্দিরে অনুষ্ঠিত ট্রান্সজেন্ডার বিয়েতে জাল পরিচয়পত্রের অভিযোগে হাইকোর্টের রুল আসে। রিট আবেদনকারী আইনজীবী মোহাম্মদ মেসবাহ উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, বিয়েতে অংশগ্রহণকারী কনের জাতীয় পরিচয়পত্র প্রকৃতপক্ষে একজন পুরুষের ছিল। এছাড়াও, বাংলাদেশের আইনে স্বঘোষিত ট্রান্সজেন্ডার পরিচয় বা পুরুষ-পুরুষের মধ্যে বিয়ে স্বীকৃত নয়।

রিটে অভিযোগ করা হয়েছে, বিয়েতে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর ব্যবহার করে ভুয়া পরিচয়পত্র তৈরির চেষ্টা করা হয়েছিল। এছাড়াও, বাংলাদেশের আইনে কোনো বিধান না থাকা সত্ত্বেও এমন একটি বৈবাহিক অবস্থানকে সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

রিট আবেদনকারী পক্ষের আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেছেন, ‘আমরা আদালতের কাছে এসব অভিযোগের তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে কার্যকর প্রশাসনিক পদক্ষেপ চেয়েছি।’

"রিটের বিষয় শুধু কথিত ট্রান্সজেন্ডার বিয়ে নয়। এখানে অন্য ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর ব্যবহার করে ভুয়া পরিচয়পত্র তৈরির গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, চকবাজার থানা, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের, বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ার, মোহাম্মদ মেসবাহ উদ্দিন চৌধুরী, ইশরাত হাসান, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আবদুস সামাদ আজাদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ জুলাই (বিয়ের তারিখ), ২৯ জুলাই (প্রকাশিত তারিখ), ৩০ আগস্ট (রিট দায়েরের তারিখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖