📅 ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৫৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হাইকোর্টের রুলে জাল জাতীয় পরিচয়পত্র ও ট্রান্সজেন্ডার বিয়ের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপের দাবি

হাইকোর্টের রুলে জাল জাতীয় পরিচয়পত্র ও ট্রান্সজেন্ডার বিয়ের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপের দাবি

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 হাইকোর্ট রুল দিয়েছে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে অনুষ্ঠিত কথিত ট্রান্সজেন্ডার বিয়ের বিরুদ্ধে আইনি-প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে। জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতি ও মিথ্যা পরিচয় ব্যবহার নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তার বিরুদ্ধে রিটে আদালত নির্দেশ দিয়েছে

ঢাকা: হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ রুল দিয়েছেন ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে অনুষ্ঠিত কথিত ‘ট্রান্সজেন্ডার বিয়ে’ এবং জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রিটের প্রাথমিক শুনানিতে বিচারপতি কে. এম. কামরুল কাদের ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রুল প্রদান করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ঢাকেশ্বরী মন্দিরে ১০ জুলাই অনুষ্ঠিত ‘ট্রান্সজেন্ডার বিয়ে’তে জাল জাতীয় পরিচয়পত্র (৬৪৬৫০১৮১৮৯) ব্যবহার করা হয়েছিল, যা প্রকৃতপক্ষে মো. জাহিদুল ইসলামের ছিল।
  • 📌 রিটে স্বরাষ্ট্র, ধর্ম ও আইন মন্ত্রণালয়, পুলিশের মহাপরিদর্শক, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনারসহ ৭ জনকে বিবাদী করা হয়েছে।
  • 📌 আদালতে দাবি করা হয়েছে, বাংলাদেশের আইনে ট্রান্সজেন্ডার বিয়ের কোনো বৈধতা নেই এবং মিথ্যা পরিচয় ব্যবহার একটি জালিয়াতি।
  • 📌 রিটে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন (২০২৩) ধারা ২৩ ও ২৭, দণ্ডবিধির ধারা ৪১৯, ৪৬৮, ৪৭১ ও ৪৯৬ এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৫৪, ১৫৬ ও ১৫৭ উল্লেখ করা হয়েছে।
  • 📌 আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেছেন, এই রিটে শুধু ট্রান্সজেন্ডার বিয়ে নয়, জাল পরিচয়পত্র তৈরির অভিযোগও রয়েছে।

📰 বিস্তারিত

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ মেসবাহ উদ্দিন চৌধুরীর পক্ষে গত ৩০ আগস্ট রিট দায়ের করা হয়। রিটে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার, লালবাগ বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার ও চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বিবাদী করা হয়েছে। রিটের শুনানিতে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আহসান ও অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান রিট আবেদনকারীর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন।

রিটে উল্লেখ করা হয়েছে, ১০ জুলাই ঢাকেশ্বরী মন্দিরে তাসনুভা আনান শিশিরকে ‘কনে’ হিসেবে উপস্থাপন করে একটি বিয়ের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছিল। পরে গণমাধ্যমে এটি ‘বাংলাদেশের প্রথম ট্রান্সজেন্ডার বিয়ে’ হিসেবে প্রচারিত হয়। রিটে দাবি করা হয়েছে, বিয়ের সময় ‘শিশির বিশ্বাস’ নামে যে জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়া হয়েছিল, তা প্রকৃতপক্ষে মো. জাহিদুল ইসলামের ছিল। শিশিরের নিজস্ব জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর ৬৪০৬৬৭৭৬১৪।

আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, ‘এই রিটের বিষয় শুধু ট্রান্সজেন্ডার বিয়ে নয়। এখানে অন্য ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর ব্যবহার করে ভুয়া পরিচয়পত্র তৈরির অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে এমন একটি বৈবাহিক অবস্থানকে সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যার কোনো আইনগত স্বীকৃতি বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে নেই।’

রিটে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৩ সালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি চিঠিতে বলা হয়েছিল, বাংলাদেশে লিঙ্গ পরিবর্তনের বৈধতা প্রদানকারী কোনো আইন বা বিধান নেই। রিটে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ আগস্ট আইনজীবী ইশরাত হাসান সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নোটিশ পাঠিয়েছিলেন। নোটিশে তিন দিনের মধ্যে আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করা হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পদক্ষেপ না নেওয়ায় রিট করা হয়।

"এই রিটের বিষয় শুধু কথিত ট্রান্সজেন্ডার বিয়ে নয়। এখানে অন্য ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর ব্যবহার করে ভুয়া পরিচয়পত্র তৈরির গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে এমন একটি বৈবাহিক অবস্থানকে সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যার কোনো আইনগত স্বীকৃতি বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে নেই।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারপতি কে. এম. কামরুল কাদের, বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ার, আইনজীবী ইশরাত হাসান, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আহসান, তাসনুভা আনান শিশির, মো. জাহিদুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ সেপ্টেম্বর (রুলের তারিখ), ৩০ আগস্ট (রিট দায়ের), ১০ জুলাই (বিয়ের তারিখ), ৬৪৬৫০১৮১৮৯ (জাল জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর), ৬৪০৬৬৭৭৬১৪ (তাসনুভা আনানের প্রকৃত নম্বর)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖