📅 ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হাইকোর্টের রায়: আপসনামায় অন্য পক্ষের অধিকার খর্ব হবেনা, জমি বিরোধ মামলায় গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

হাইকোর্টের রায়: আপসনামায় অন্য পক্ষের অধিকার খর্ব হবেনা, জমি বিরোধ মামলায় গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 হাইকোর্টের রায়ে জানা গেছে যে, আপসনামায় অন্য পক্ষের অধিকার স্বয়ংক্রিয়ভাবে খর্ব হবেনা। পঞ্চগড়ের ১৪.৬৪ একর জমি নিয়ে বিরোধ মামলায় আদালত নির্দেশ দিয়েছে, লিখিত জবাব গ্রহণের সুযোগ নষ্ট না হওয়া পর্যন্ত মামলা পুনরায় বিচারের জন্য নিম্ন আদালতে পাঠানো যেতে পারে

হাইকোর্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ রায়ে জানা গেছে যে, আপসনামায় অন্য পক্ষের অধিকার স্বয়ংক্রিয়ভাবে খর্ব করা যাবে না। মামলায় একাধিক পক্ষের মধ্যে আপসনামার ভিত্তিতে পুরো সম্পত্তি নিয়ে ডিক্রি দেওয়া হলেও, ওই আপসে সম্মতি না দেওয়া কোনো পক্ষের স্বতন্ত্র স্বত্ব ও অধিকারকে ক্ষতিগ্রস্ত করা যাবে না। এ রায় দিয়েছেন বিচারপতি মো. বদরুজ্জামান ও বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 হাইকোর্টের রায়: আপসনামায় অন্য পক্ষের অধিকার স্বয়ংক্রিয়ভাবে খর্ব হবেনা, সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তাদের দাবি বিবেচনা করতে হবে।
  • 📌 জমি বিরোধ: পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া এলাকায় ১৪.৬৪ একর জমি নিয়ে বাদীরা ৫.৮৬ একর নিজেদের দাবি করে মামলা দায়ের করেন।
  • 📌 আপসনামার ফল: মামলায় আপসের ভিত্তিতে পুরো মামলা নিষ্পত্তি হলেও, ১১ থেকে ২২ নম্বর বিবাদীদের লিখিত জবাব ১০ হাজার টাকা খরচ পরিশোধের শর্তে রেকর্ডে গ্রহণ করা হবে।
  • 📌 পুনরায় বিচার: আদালত ২০১৫ সালের নিম্ন আদালতের রায় বাতিল করে মামলাটি নতুন করে ট্রায়াল কোর্টে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে।
  • 📌 গাফিলতির দায়: কোনো পক্ষের নিজস্ব অবহেলা বা আইনজীবীর অনুপস্থিতির কারণে সৃষ্ট ঘাটতি পূরণের জন্য মামলা পুনরায় বিচারের জন্য নিম্ন আদালতে পাঠানো যেতে পারে।

📰 বিস্তারিত

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া এলাকায় ১৪.৬৪ একর জমি নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত। মামলায় বাদীরা ওই জমির ৫.৮৬ একর নিজেদের দাবি করে স্বত্ব ঘোষণার মামলা দায়ের করেন। মামলায় কয়েকজন বিবাদী বাদীদের দাবি মেনে নিলেও অন্যরা জমির বড় অংশে নিজেদের স্বত্ব দাবি করে। তারা ১৯৬৪ সাল থেকে বিভিন্ন নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে ওই জমি কেনার দাবি করেন।

এই মামলার শুনানি শেষ হয় ২০ আগস্ট ২০২৬ সালে এবং রায় দেন ২৫ আগস্ট। বিচারপতি মো. বদরুজ্জামান ও বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ ফার্স্ট আপিল নম্বর ৩৩৯/২০১৮-এর শুনানি শেষে রায় দেন। আদালত বলেন, কোনো পক্ষের নিজস্ব অবহেলা বা আইনজীবীর অনুপস্থিতির কারণে সৃষ্ট ঘাটতি পূরণের জন্য সাধারণত মামলা পুনরায় বিচারের জন্য নিম্ন আদালতে পাঠানো উচিত নয়। তবে কোনো পক্ষের ইচ্ছাকৃত বা দোষযোগ্য আচরণের কারণে নয়, বরং আইনজীবীর অনুপস্থিতির মতো পরিস্থিতিতে তার লিখিত জবাব গ্রহণ করা না হলে এবং এতে সম্পত্তিতে তার স্বতন্ত্র দাবি প্রতিষ্ঠার সুযোগ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকলে ন্যায়বিচারের স্বার্থে তাকে মামলাটি প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ দেওয়া যেতে পারে।

আদালত আরও উল্লেখ করেন, আগের পার্টিশন মামলায় যে জমি নিয়ে ডিক্রি দেওয়া হয়েছিল, তার সঙ্গে বর্তমান মামলার জমির সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। আগের ডিক্রিতে বর্তমান আপিলকারীদের পক্ষে ৬.২১৫০ একর জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। ফলে পরবর্তী আপসের ভিত্তিতে দেওয়া ডিক্রি আগের ওই ডিক্রির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে পড়ে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে হাইকোর্ট আপিল মঞ্জুর করেন এবং ২০১৫ সালের নিম্ন আদালতের রায় ও ডিক্রি বাতিল করেন।

"কোনো পক্ষের সঙ্গে করা আপসনামা ওই আপসে সম্মতি না দেওয়া অন্য পক্ষের স্বতন্ত্র স্বত্ব ও অধিকারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিলুপ্ত বা ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে না। সংশ্লিষ্ট পক্ষের দাবি যথাযথভাবে বিবেচনা ও বিচার করেই সিদ্ধান্ত দিতে হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পঞ্চগড়, তেঁতুলিয়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারপতি মো. বদরুজ্জামান, বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকী, মোহাম্মদ আলী, আবদুল জব্বার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪.৬৪ একর জমি, ৫.৮৬ একর দাবি, ৬.২১৫০ একর বরাদ্দ, ১০ হাজার টাকা খরচ, আপিল নম্বর ৩৩৯/২০১৮

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖