📌 হাইকোর্টের জামিন বেঞ্চ রাজধানীর গুলশান থানায় দায়ের করা প্রতারণা মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিদিশা সিদ্দিককে জামিন দিয়েছে। মামলায় ২০০১ সালে ৮০ লাখ টাকার ফ্ল্যাট বিক্রির প্রতারণা অভিযোগ ছিল
হাইকোর্টের জামিন বেঞ্চ রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিককে প্রতারণা মামলায় জামিন দিয়েছে। গুলশান থানায় দায়ের করা এই মামলায় নিম্ন আদালতে বিদিশাকে দুই বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত করা হয়েছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৬ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের জামিন বেঞ্চ বিদিশা সিদ্দিকের জামিন আবেদন মঞ্জুর করে। বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও মো. রাফিজুল ইসলামের নেতৃত্বে গঠিত বেঞ্চ জামিন দিয়েছে।
- 📌 ২৫ আগস্ট রাতে গুলশান থানার কর্মকর্তারা বিদিশাকে গ্রেফতার করেন। অভিযোগে বলা হয়, ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দায়ের করা প্রতারণা মামলায় তিনি দোষী সাব্যস্ত হন।
- 📌 ২ সেপ্টেম্বর মহানগর দায়রা জজ মো. শাহজাহান কবির বিদিশার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।
- 📌 ২০০১ সালের ১ জুলাই বিদিশা সিদ্দিক মোশাররফ হোসেনকে প্রেসিডেন্ট পার্কের একটি ফ্ল্যাট বিক্রির প্রস্তাব দেন। পরে ৮০ লাখ টাকায় চুক্তি হয়।
- 📌 ১০ জুলাই ২০০২ পর্যন্ত ফ্ল্যাট হস্তান্তরের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি।
- 📌 ২০০৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ৭২ লাখ টাকার চেক দেওয়া হলেও ব্যাংকে জমা দেওয়ার পর পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় সেটি অসম্মানিত হয়।
📰 বিস্তারিত
গত ২৫ আগস্ট রাতে রাজধানীর গুলশান এলাকায় বিদিশা সিদ্দিককে গ্রেফতার করা হয়। গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দাউদ হোসেন জানান, ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দায়ের করা প্রতারণার মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০০১ সালের ১ জুলাই বিদিশা সিদ্দিক মোশাররফ হোসেনকে প্রেসিডেন্ট পার্কের একটি ফ্ল্যাট বিক্রির প্রস্তাব দেন। পরে উভয়ের মধ্যে ৮০ লাখ টাকায় চুক্তি হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ১০ জুলাই বনানীর রজনীগন্ধা কার্যালয়ে ডেকে বিদিশা তার ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি আব্দুল রাজ্জাকের নামে ৭৫ লাখ টাকার পে-অর্ডার নিতে বলেন। বাদী স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের কারওয়ান বাজার শাখার মাধ্যমে ওই অর্থ পরিশোধ করেন। পরে উভয়ের মধ্যে বায়নানামাও সম্পাদিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) অনুমোদন শেষে অবশিষ্ট অর্থ গ্রহণ করে ফ্ল্যাটটি রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার কথা ছিল।
মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়, ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিলে বিদিশা টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দেন। এর পর ২০০৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ৭২ লাখ টাকার একটি চেক দেওয়া হলেও ব্যাংকে জমা দেওয়ার পর পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় সেটি অসম্মানিত হয়। এই ঘটনায় পরবর্তীতে প্রতারণার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলায় নিম্ন আদালতে বিদিশাকে দুই বছরের কারাদণ্ডাদেশের পর হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন।
"আমি জামিন পেয়েছি। ধন্যবাদ আদালতকে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (গুলশান, মহানগর দায়রা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিদিশা সিদ্দিক, বিচারপতি মো. খায়রুল আলম, বিচারপতি মো. রাফিজুল ইসলাম, আইনজীবী মো. মাসুদ মিয়া, জজ মো. শাহজাহান কবির, ওসি দাউদ হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ সেপ্টেম্বর, ২৫ আগস্ট, ২ সেপ্টেম্বর, ২০০১, ১ জুলাই, ৮০ লাখ টাকা, ১০ জুলাই, ৭৫ লাখ টাকা, ২০০২, ৯ ফেব্রুয়ারি, ৭২ লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!