📅 ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৩৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হাইকোর্ট: সরকারি প্রতিষ্ঠানের আমলাতন্ত্রে বিলম্ব ‘যথেষ্ট কারণ’ — ১৬৮ দিনের আপিল বিলম্ব মার্জনা

হাইকোর্ট: সরকারি প্রতিষ্ঠানের আমলাতন্ত্রে বিলম্ব ‘যথেষ্ট কারণ’ — ১৬৮ দিনের আপিল বিলম্ব মার্জনা

📷 ছবি: Jamuna TV

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 যমুনা টিভি ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 হাইকোর্ট বিভাগ সরকারি প্রতিষ্ঠানের আমলাতন্ত্রে সৃষ্ট বিলম্বকে আইনি দৃষ্টিতে ‘যথেষ্ট কারণ’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ২০০৪ সালে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃক ১৬৮ দিনের বিলম্বে আপিল দায়েরের আবেদন মার্জনা করা হয়। বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের একক বেঞ্চ রেলওয়ের দাবি স্বীকৃতি দিয়েছেন

হাইকোর্ট বিভাগ সরকারি প্রতিষ্ঠানের আমলাতন্ত্রে সৃষ্ট বিলম্বকে আইনি দৃষ্টিতে ‘যথেষ্ট কারণ’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। রোববার (১৭ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি বা সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের আমলাতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও ফাইল চালাচালির কারণে সৃষ্ট বিলম্বকে তামাদি আইনের অধীন মার্জনাযোগ্য হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৬৮ দিনের বিলম্ব মার্জনা: বাংলাদেশ রেলওয়ের ২০০৪ সালের দেওয়ানি আপিলে ১৬৮ দিনের বিলম্বকে হাইকোর্ট ‘যথেষ্ট কারণ’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন।
  • 📌 আমলাতন্ত্রের দায়: সরকারি প্রতিষ্ঠানের আইনি পরামর্শ, ফাইল অনুমোদন ও খরচ ব্যবস্থার মতো প্রশাসনিক ধাপগুলোকে ‘ইচ্ছাকৃত’ নয় বলে বিবেচনা করা হয়েছে।
  • 📌 বিচারপতি রিয়াজ উদ্দিন খানের রায়: বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের একক বেঞ্চ জেলা জজ আদালতের ২০০৪ সালের ১ আগস্টের খারিজ আদেশ বাতিল করেছেন।
  • 📌 দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ: আদালত পক্ষগণকে নোটিশ দিয়ে নিম্ন আদালতকে নির্দেশ দিয়েছেন আপিলটি দ্রুততম সময়ে নিষ্পত্তির জন্য।

📰 বিস্তারিত

২০০২ সালে লালমনিরহাটের জ্যেষ্ঠ সহকারী জজ আদালতে শফিকুল ইসলাম বাংলাদেশ রেলওয়ে ও অন্যদের বিরুদ্ধে একটি দেওয়ানি মামলা দায়ের করেন। ২০০৩ সালের ২৪ নভেম্বর মামলাটি বাদীর পক্ষে রায় ও ডিক্রি ঘোষণা করা হয়। পরে বাংলাদেশ রেলওয়ে ২০০৪ সালে জেলা জজ আদালতে আপিল দায়ের করে। তবে আপিল দায়েরে ১৬৮ দিনের বিলম্বের কারণে সংস্থাটি তামাদি আইনের ৫ ধারায় বিলম্ব মার্জনার আবেদন জানায়।

২০০৪ সালের ১ আগস্ট জেলা জজ আদালত রেলওয়ের বিলম্ব মার্জনার আবেদন খারিজ করে দেন। ওই আদেশের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ রেলওয়ে হাইকোর্ট বিভাগে দেওয়ানি রিভিশন আবেদন দায়ের করে। বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের একক বেঞ্চ নিম্ন আদালতের নথি ও আইনি নীতিসমূহ পর্যালোচনা করে রায় প্রদান করেন।

রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ রেলওয়ে ও অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের মতো সংবিধিবদ্ধ সংস্থাগুলোকে আইনি পরামর্শ গ্রহণ, ফাইল অনুমোদন এবং খরচের ব্যবস্থা করার মতো একাধিক প্রশাসনিক ধাপ অতিক্রম করতে হয়। এই আমলাতন্ত্রের কারণে সৃষ্ট বিলম্বকে ইচ্ছাকৃত বলা যায় না এবং এটি তামাদি আইনের অধীন মার্জনাযোগ্য ‘যথেষ্ট কারণ’ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

"আমলাতান্ত্রিক ব্যবস্থার কারণে সৃষ্ট বিলম্বকে ইচ্ছাকৃত বলা যায় না এবং এটি তামাদি আইনের অধীন মার্জনাযোগ্য ‘যথেষ্ট কারণ’।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সুপ্রিম কোর্ট, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খান, বাংলাদেশ রেলওয়ে
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬৮ দিনের বিলম্ব, ২০০৪ সালের ১ আগস্টের আদেশ, তামাদি আইনের ৫ ধারা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖