📌 আপিল বিভাগের আদালত স্থগিত করেছে হাইকোর্টের মাছধরা আদেশ। এখন উপকূলীয় এলাকায় ভাসান ও বেহুন্দি জাল দিয়ে মাছ ধরা নিষিদ্ধ। ১৫ জন জেলে ও নৌযান মালিকের রিটের বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয় আপিল করে আদেশ পায়
আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত স্থগিত করেছে হাইকোর্টের মাছধরা আদেশ। এখন উপকূলীয় এলাকায় ভাসান ও বেহুন্দি জাল দিয়ে মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এই আদেশের ফলে ১৫ জন পেশাদার জেলে ও নৌযান মালিকের মাছধরা অধিকার আবারও নিষিদ্ধ হয়ে পড়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **আপিল বিভাগের আদেশ**: হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক। এখন ভাসান ও বেহুন্দি জাল দিয়ে মাছ ধরা নিষিদ্ধ।
- 📌 **১৫ জন জেলে ও মালিক**: তাদের রিটে হাইকোর্ট ৬ মাসের জন্য ট্রল ডোর, ডেরিক ও উইংসের সহায়তায় ভাসান-বেহুন্দি জাল ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছিল।
- 📌 **মন্ত্রণালয়ের আপিল**: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ তিনজন সরকারি কর্মকর্তার পক্ষে আপিল বিভাগে আবেদন করা হয়।
- 📌 **নিষিদ্ধ জালের ইতিহাস**: বেহুন্দি জাল ২০১৩ সাল থেকে, ভাসান জাল ২০২০ সাল থেকে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
- 📌 **অ্যাটর্নি জেনারেলের বিবৃতি**: "হাইকোর্টের আদেশে জাল ব্যবহার করার অনুমতি পেলেও, তা আইনত নিষিদ্ধ। কোস্টগার্ডের বাধা পড়ার কারণে জেলেদের বিরত রাখতে পারছিল না সরকার।"
📰 বিস্তারিত
হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ তিনজন সরকারি কর্মকর্তার পক্ষে আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল (আপিল করার অনুমতি চেয়ে) আবেদন করা হয়। আজ শনিবার চেম্বার আদালতের শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ওসমান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
১৫ জন জেলে ও নৌযান মালিকের রিটে হাইকোর্ট ৬ জুলাই ২০২৬ সালে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দিয়েছিল। আদেশে বলা হয়েছিল, তাদের নিজ নিজ এলাকায় মাছ ধরায় কোনো বাধা বা হয়রানি না করা হবে। তবে এই আদেশের বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয় আপিল করে। অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, হাইকোর্টের আদেশ ছিল ছয় মাসের জন্য (জুলাই থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত)। কিন্তু কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে আদেশের বিষয়টি সরকারের দৃষ্টিতে আনা হয়। তিনি বলেন, "হাইকোর্টের আদেশে জাল ব্যবহার করার অনুমতি পেলেও, তা সম্পূর্ণভাবে আইনত নিষিদ্ধ।"
বেহুন্দি জালের ব্যবহার ২০১৩ সাল থেকে, ভাসান জালের ব্যবহার ২০২০ সাল থেকে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তবে হাইকোর্টের আদেশে জেলেদের এই জাল দিয়ে মাছ ধরার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, "মন্ত্রণালয়ের সচিব, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও সামুদ্রিক মৎস্য দপ্তরের পরিচালকের পক্ষে আপিল বিভাগে আবেদন করা হয়েছে।"
"হাইকোর্টের আদেশটি ছিল ছয় মাসের জন্য। অর্থাৎ জুলাই থেকে যদি হিসাব করা হলে জানুয়ারি পর্যন্ত কার্যকর থাকে। কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে আদেশের বিষয়টি আমাদের দৃষ্টিতে আনা হয়। ওই আদেশের কারণে তারা প্রকৃতপক্ষে আইন ভঙ্গ করে মাছ না ধরার মৌসুমে জেলেদের বিরত রাখতে বাধ্য করতে এবং এসব নৌযানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারছেন না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারপতি মো. রেজাউল হক, অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ জন জেলে ও নৌযান মালিক, ৬ মাসের জন্য হাইকোর্টের আদেশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!