📌 নারায়ণগঞ্জের সাত খুন, বুয়েটের আবরার ফাহাদ হত্যা এবং কক্সবাজারে সিনহা হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের আপিল শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৭ নভেম্বর, ২৪ নভেম্বর ও ১ ডিসেম্বর নির্ধারিত তারিখে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। অ্যাটর্নি জেনারেলের আশা, মামলাগুলো নির্ধারিত তারিখে শুরু হবে
হাইকোর্টের আপিল বিভাগে নারায়ণগঞ্জের সাত খুন, বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা এবং কক্সবাজারে সিনহা হত্যা মামলায় আসামিদের আপিল শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক আজ রোববার তিনটি মামলার শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেন। এই মামলাগুলো দেশজুড়ে ক্ষোভ সৃষ্টি করে এবং সমাজের বিবেককে আলোড়িত করেছে বলে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **নারায়ণগঞ্জের সাত খুন মামলায়** আপিল শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে **১৭ নভেম্বর ২০২৬**।
- 📌 **বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায়** আপিল শুনানির তারিখ **২৪ নভেম্বর ২০২৬** নির্ধারণ করা হয়েছে।
- 📌 **মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায়** আপিল শুনানির তারিখ **১ ডিসেম্বর ২০২৬** নির্ধারণ করা হয়েছে।
- 📌 **২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল** নারায়ণগঞ্জের লামাপাড়া এলাকায় সাতজনকে হত্যা করা হয়, তাদের মধ্যে ছিলেন কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম ও আইনজীবী চন্দন সরকার।
- 📌 **২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর** বুয়েটের আবরার ফাহাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।
- 📌 **২০২০ সালের ৩১ জুলাই** কক্সবাজারে সিনহা হত্যা ঘটে।
- 📌 **আদালতে** রাষ্ট্রপক্ষের প্রতিনিধিত্ব করছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ মেহেদি হাসান।
📰 বিস্তারিত
নারায়ণগঞ্জের সাত খুন, বুয়েটের আবরার ফাহাদ হত্যা এবং কক্সবাজারে সিনহা হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের আপিল শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক আজ রোববার আপিল বিভাগে শুনানির জন্য তিনটি মামলার তারিখ নির্ধারণ করেন। নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের ঘটনায় করা মামলায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের আপিল শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭ নভেম্বর। বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার মামলায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের আপিল শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৪ নভেম্বর। মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খানের হত্যা মামলায় হাইকোর্টের দণ্ডাদেশের রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের আপিল শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১ ডিসেম্বর।
নারায়ণগঞ্জে সাত খুনের ঘটনাটি ঘটে ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল। ঢাকা-নারায়ণগঞ্জের লিংক রোডের লামাপাড়া এলাকায় র্যাবের সদস্যরা চেকপোস্ট বসিয়ে কাউন্সিলর নজরুল ইসলামের গাড়ি থামান। র্যাব নজরুল, তাঁর তিন সহযোগী ও গাড়িচালককে তুলে নিয়ে যায়। আইনজীবী চন্দন সরকার ও তাঁর গাড়িচালককেও র্যাব তুলে নিয়ে যায়। পরে তাঁদের সবাইকে হত্যা করে ওই রাতেই পেট কেটে এবং ইটের বস্তা বেঁধে লাশ শীতলক্ষ্যা নদীতে ডুবিয়ে দেয়। ওই বছরের ৩০ এপ্রিল ছয়জন ও পরদিন একজনের লাশ ভেসে ওঠে। সাতজন হলেন নজরুল ইসলাম, মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন, জাহাঙ্গীর আলম, চন্দন কুমার সরকার ও ইব্রাহিম।
২০১৬ সালের ১৬ জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদালত রায় দেন। রায়ে ২৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। রায়ের পর আসামিদের ডেথ রেফারেন্সের ওপর শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ২২ আগস্ট হাইকোর্ট রায় দেন। রায়ে ১৫ আসামির মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল এবং অপর ১১ আসামির দণ্ড পরিবর্তন করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘আমরা এই মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। আমাদের প্রত্যাশা, এই মামলাগুলো নির্ধারিত তারিখে শুনানি শুরু হবে।’
"অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের পক্ষ থেকে এসব আলোচিত মামলা, যেসব মামলা সমাজকে ও সাধারণ মানুষের বিবেককে আলোড়িত করেছে—এসব মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নারায়ণগঞ্জ (লামাপাড়া), ঢাকা, কক্সবাজার (মেরিন ড্রাইভ সড়ক), বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. রেজাউল হক (বিচারপতি), মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল (অ্যাটর্নি জেনারেল), মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান, আবরার ফাহাদ, নজরুল ইসলাম, চন্দন সরকার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ নভেম্বর, ২৪ নভেম্বর, ১ ডিসেম্বর, ২৭ এপ্রিল (২০১৪), ৭ অক্টোবর (২০১৯), ৩১ জুলাই (২০২০), ৩০ এপ্রিল (২০১৪), ১৬ জানুয়ারি (২০১৬)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!