📅 ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৮:২৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হাইকোর্ট: সরকারি প্রতিষ্ঠানের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা বিলম্বের যথেষ্ট কারণ, ১৬৮ দিনের আপিল মার্জিত

হাইকোর্ট: সরকারি প্রতিষ্ঠানের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা বিলম্বের যথেষ্ট কারণ, ১৬৮ দিনের আপিল মার্জিত

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 হাইকোর্ট ১৬৮ দিনের বিলম্বের কারণ হিসেবে বাংলাদেশ রেলওয়ের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা স্বীকৃতি দিয়েছে। বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের একক বেঞ্চ ২০০৪ সালের আপিলের বিলম্ব মার্জনা করে নিম্ন আদালতের আদেশ বাতিল করেছেন

হাইকোর্টের বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের একক বেঞ্চ সরকারি প্রতিষ্ঠানের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও ফাইল অনুমোদনের কারণে সৃষ্ট বিলম্বকে আইনি আপিলের যথেষ্ট কারণ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। বাংলাদেশ রেলওয়ের একটি দেওয়ানি আপিলে ১৬৮ দিনের বিলম্ব মার্জনা করে আদালত নিম্ন আদালতের আদেশ বাতিল করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৬৮ দিনের বিলম্ব মার্জনা করে হাইকোর্ট বাংলাদেশ রেলওয়ের দেওয়ানি আপিলে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।
  • 📌 ২০০৪ সালের ১ আগস্ট জেলা জজ আদালত রেলওয়ের বিলম্ব মার্জনা আবেদন খারিজ করলে হাইকোর্ট তার আদেশ বাতিল করেছেন।
  • 📌 বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খান বলেছেন, সরকারি সংস্থার আমলাতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ইচ্ছাকৃত বিলম্ব নয়।
  • 📌 ২০০২ সালে লালমনিরহাটের জ্যেষ্ঠ সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন শফিকুল ইসলাম।
  • 📌 ২০০৩ সালের ২৪ নভেম্বর মামলায় তার পক্ষে রায় ঘোষণা হলেও রেলওয়ে আপিল দায়ের করে।

📰 বিস্তারিত

হাইকোর্টের রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ রেলওয়ে ও অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের মতো সংস্থাগুলো আইনি পরামর্শ নেওয়া, ফাইল অনুমোদন এবং অর্থ বরাদ্দের মতো প্রশাসনিক ধাপগুলি অতিক্রম করতে হয়। এ ধরনের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা সৃষ্টি করে বিলম্বকে ইচ্ছাকৃত বলা যায় না। তাই তামাদি আইনের ৫ নম্বর ধারায় বিলম্বের যথেষ্ট কারণ হিসেবে বিবেচনা করে মার্জনা করা হয়েছে।

২০০২ সালে লালমনিরহাটের জ্যেষ্ঠ সহকারী জজ আদালতে শফিকুল ইসলাম বাংলাদেশ রেলওয়ে ও অন্যদের বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা করেন। ২০০৩ সালের ২৪ নভেম্বর তার পক্ষে রায় ও ডিক্রি ঘোষণা করা হলেও রেলওয়ে ২০০৪ সালে আপিল দায়ের করে। তবে আপিলে ১৬৮ দিনের বিলম্বের কারণে রেলওয়ে তামাদি আইনের ৫ ধারায় মার্জনা আবেদন করে। জেলা জজ আদালত ২০০৪ সালের ১ আগস্ট এই আবেদন খারিজ করে দেন।

হাইকোর্টের রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, "বাংলাদেশ রেলওয়ের মতো সরকারি সংবিধিবদ্ধ সংস্থার আমলাতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও ফাইল অনুমোদনের কারণে সৃষ্ট বিলম্বকে ইচ্ছাকৃত বলা যায় না।" এই কারণে আদালত বিলম্ব মার্জনা করেছেন।

"আমলাতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার কারণে সৃষ্ট বিলম্বকে তামাদি আইনের আওতায় আপিলের যথেষ্ট কারণ হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খান, শফিকুল ইসলাম লালমনিরহাটের
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬৮ দিনের বিলম্ব, ২০০৪ সালের ১ আগস্ট, ২০০৩ সালের ২৪ নভেম্বর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖