📅 ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:২৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হেবিয়াস করপাস রিটে খারিজ: পারিবারিক আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ থাকলে সরাসরি হাইকোর্টে মামলা গ্রহণযোগ্য নয়

হেবিয়াস করপাস রিটে খারিজ: পারিবারিক আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ থাকলে সরাসরি হাইকোর্টে মামলা গ্রহণযোগ্য নয়

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 হাইকোর্টের রায়ে জানা গেছে, পারিবারিক আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ থাকলে সন্তানের জিম্মা নিয়ে সরাসরি হেবিয়াস করপাস রিট গ্রহণযোগ্য নয়। ভোলার বাসিন্দা জসিম উদ্দিন ও রোজিনা আক্তারের ছেলে বাসমিন আবরাবের জিম্মা নিয়ে এই রায় দেন বিচারপতি কাজী জিনাত হক ও আইনুন নাহার সিদ্দিকা

হাইকোর্টের একটি সিদ্ধান্তে জানা গেছে যে, পারিবারিক আদালতের দেওয়া ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ থাকলে সন্তানের জিম্মা নিয়ে সরাসরি হেবিয়াস করপাস রিট গ্রহণযোগ্য নয়। বিচারপতি কাজী জিনাত হক ও বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকার নেতৃত্বে হাইকোর্ট বেঞ্চ ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই এই রায় দেন। রায়ের মূল অংশ লিখেছেন বিচারপতি কাজী জিনাত হক।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 হেবিয়াস করপাস রিট খারিজ: পারিবারিক আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ থাকলে সরাসরি হাইকোর্টে হেবিয়াস করপাস রিট গ্রহণযোগ্য নয় বলে রায় দেন হাইকোর্ট।
  • 📌 মামলার পটভূমি: ভোলার বাসিন্দা জসিম উদ্দিন ও রোজিনা আক্তারের ছেলে বাসমিন আবরাবের জন্ম ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই সাভারের একটি হাসপাতালে। শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে ১৭ জুলাই তাকে সাভারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
  • 📌 হাসপাতাল থেকে হস্তান্তর: ২০২৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর শিশুটিকে আজিমপুর ছোটমনি নিবাসে হস্তান্তর করা হয়। পরে একটি নিঃসন্তান দম্পতি শিশুটির অভিভাবকত্ব চেয়ে মামলা করে।
  • 📌 আদালতের সিদ্ধান্ত: পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩-এর ২৩ ধারা অনুযায়ী, পারিবারিক আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ থাকলে সরাসরি হাইকোর্টে রিট গ্রহণযোগ্য নয়।

📰 বিস্তারিত

২০২৫ সালের ১৫ এপ্রিল ভোলা থানা থেকে ফোন পেয়ে জসিম উদ্দিন ও রোজিনা আক্তার সেখানে যান। তারা জানতে পারেন, ২০২৪ সালের ২২ জুলাই শিশুটির বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল। পরে তারা জানতে পারেন, শিশুটিকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীন আজিমপুর ছোটমনি নিবাসে হস্তান্তর করা হয়েছিল।

২০২৪ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর একটি নিঃসন্তান দম্পতি শিশুটির অভিভাবকত্ব ও জিম্মা চেয়ে ঢাকার পারিবারিক আদালতে মামলা করেন। মামলায় ১০ দিনের মধ্যে একতরফাভাবে শিশুটির অভিভাবকত্ব ও জিম্মা দেওয়া হয়। শিশুটি দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থেকে রোজিনা আক্তার হাইকোর্টে হেবিয়াস করপাস রিট করেন। আদালত শিশুটিকে মায়ের কাছে তুলে দেওয়ার বিষয়ে রুল জারি করে।

বিবাদীদের দাবি, শিশুটি কোথায় ছিল সে বিষয়ে তারা কোনো জিডি করেননি এবং দীর্ঘ সময় শিশুটির সঙ্গে যোগাযোগও করেননি। হাসপাতালের পক্ষ থেকেও বলা হয়, শিশুটির বাবা হাসপাতালে উপস্থিত হননি। পরে শিশুটিকে আজিমপুর ছোটমনি নিবাসে হস্তান্তর করা হয়।

“পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩-এর ২৩ ধারা অনুযায়ী, পারিবারিক আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ থাকলে সরাসরি হাইকোর্টে রিট গ্রহণযোগ্য নয়।”

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (হাইকোর্ট), সাভার (হাসপাতাল), ভোলা (থানা), আজিমপুর (ছোটমনি নিবাস)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রোজিনা আক্তার, বিচারপতি কাজী জিনাত হক, বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকা, জসিম উদ্দিন, বাসমিন আবরাব
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই (রায়ের তারিখ), ২১ পৃষ্ঠা (রায়ের দৈর্ঘ্য), ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই (সন্তানের জন্ম তারিখ), ৩৬ হাজার ১৩৮ টাকা (হাসপাতালের বিল)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖