📌 হাইকোর্ট ‘ট্রান্সজেন্ডার বিয়ে’ ঘটনার পিছনে অন্যের এনআইডি ব্যবহার ও মিথ্যা পরিচয় তৈরির অভিযোগে তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিতে চায়। রিটে অভিযোগ করা হয়েছে, ঢাকেশ্বরী মন্দিরে অনুষ্ঠিত ‘বিয়ে’তে অন্যের পরিচয়পত্র ব্যবহার করা হয়েছিল
হাইকোর্ট ‘ট্রান্সজেন্ডার বিয়ে’ ঘটনার পিছনে মিথ্যা পরিচয় ও আইনি লঙ্ঘনের তদন্তের দাবিতে রুল জারি করেছে। বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের বেঞ্চ গত ২৯ সেপ্টেম্বর রিটের প্রাথমিক শুনানিতে রুল জারি করেন। রিটে অভিযোগ করা হয়েছে, ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে গত ১০ জুলাই অনুষ্ঠিত ‘ট্রান্সজেন্ডার বিয়ে’তে অন্যের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ব্যবহার ও মিথ্যা পরিচয় তৈরির ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হাইকোর্টের রুল: ‘ট্রান্সজেন্ডার বিয়ে’ ঘটনার পিছনে মিথ্যা পরিচয় ও আইনি লঙ্ঘনের তদন্তের নির্দেশ চাওয়া হয়েছে।
- 📌 অভিযোগ: ঢাকেশ্বরী মন্দিরে অনুষ্ঠিত ‘বিয়ে’তে ‘শিশির বিশ্বাস’ নামে ভুয়া পরিচয়পত্র ব্যবহার করা হয়েছিল, প্রকৃত মালিক মো. জাহিদুল ইসলাম।
- 📌 আইনি লঙ্ঘন: জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন (২০২৩) ও দণ্ডবিধির ধারা ৪১৯, ৪৬৮, ৪৭১ ও ৪৯৬ লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে।
- 📌 দায়ীদের তালিকা: স্বরাষ্ট্র, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়, আইন ও বিচার বিভাগ, পুলিশ, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার, লালবাগ উপপুলিশ কমিশনার ও চকবাজার থানার ওসিকে বিবাদী করা হয়েছে।
- 📌 স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের চিঠি: ২০২৩ সালে লিঙ্গ পরিবর্তনের বৈধতা নেই বলে উল্লেখ করা হয়েছিল।
📰 বিস্তারিত
হাইকোর্টের রুলে জানতে চাওয়া হয়েছে, গত ১০ জুলাই ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে অনুষ্ঠিত ‘ট্রান্সজেন্ডার বিয়ে’তে অন্যের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার ও মিথ্যা পরিচয়ের অভিযোগে কেন আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। রিটে বলা হয়েছে, অনুষ্ঠানে ‘শিশির বিশ্বাস’ নামে যে পরিচয়পত্রের নম্বর ব্যবহার করা হয়েছিল, সেটির প্রকৃত মালিক মো. জাহিদুল ইসলাম। অন্যের এনআইডি নম্বর ব্যবহার করে নাম, ছবি, বাবা-মায়ের নাম ও জন্মতারিখ পরিবর্তনের মাধ্যমে ভুয়া পরিচয়পত্র তৈরি করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
রিটে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৩ সালের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি চিঠিতে বাংলাদেশে লিঙ্গ পরিবর্তনের বৈধতা দেওয়ার মতো কোনো আইন বা বিধান নেই বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। এ-সংক্রান্ত অভিযোগ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। রিটে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন, ২০২৩-এর ২৩ ও ২৭ ধারা, দণ্ডবিধির ৪১৯, ৪৬৮, ৪৭১ ও ৪৯৬ ধারাসহ সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধানের উল্লেখ করা হয়েছে।
রিটের শুনানিতে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আহসান ও অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান অভিযোগকারীদের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল। রিটের পিছনে রয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ মেসবাহ উদ্দিন চৌধুরী। এর আগে ২৪ আগস্ট সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ‘ডিমান্ড অব জাস্টিস’ নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ার অভিযোগে পরে হাইকোর্টে রিট করা হয়।
"গত ১০ জুলাই ঢাকেশ্বরী মন্দিরে অনুষ্ঠিত ‘ট্রান্সজেন্ডার বিয়ে’তে অন্যের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার ও মিথ্যা পরিচয় তৈরির ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের, বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ার, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আহসান, অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান, মো. জাহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ মেসবাহ উদ্দিন চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ জুলাই, ২৯ সেপ্টেম্বর, ৩০ আগস্ট, ২৪ আগস্ট, ২৩ ও ২৭ ধারা, ৪১৯, ৪৬৮, ৪৭১ ও ৪৯৬ ধারা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!