📅 ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হাইকোর্টে রুল: আট বছর কারাগারে থাকার পরও খালাস পাওয়ার পর পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে কেন না?

হাইকোর্টে রুল: আট বছর কারাগারে থাকার পরও খালাস পাওয়ার পর পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে কেন না?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 হাইকোর্টে রুল দেওয়া হয়েছে ইব্রাহিম শেখের আট বছরের কারাবাসের দায়িত্বী ব্যক্তিদের তদন্ত এবং ক্ষতিপূরণের বিষয়ে। খালাসের আদেশ পৌঁছানোর বিলম্বে তিনি মৌলিক অধিকার হারান।

খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার নৈশপ্রহরী ইব্রাহিম শেখের আট বছরের কারাবাসের দায়িত্বী ব্যক্তিদের তদন্ত এবং ক্ষতিপূরণের বিষয়ে হাইকোর্টে রুল দেওয়া হয়েছে। খালাসের আদেশ পৌঁছানোর বিলম্বে তিনি মৌলিক অধিকার হারান এবং শারীরিক-মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 হাইকোর্ট রুল: ইব্রাহিম শেখের আট বছরের কারাবাসের দায়িত্বী ব্যক্তিদের অবহেলা-গাফিলতির তদন্ত এবং পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ চেয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের আইনজীবী গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক।
  • 📌 খালাসের বিলম্ব: ২০১৭ সালের ২০ ও ১৯ জুলাই হাইকোর্টে খালাস পাওয়ার পরও আদেশের কপি কারাগারে ২০২৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পৌঁছায়নি।
  • 📌 অসুস্থতা ও ক্ষতি: কারাবাসের সময় ইব্রাহিম শেখের স্ত্রী অন্যত্র চলে যান এবং তিনি শারীরিক-মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন।
  • 📌 আদালতের শুনানি: বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও শেখ তাহসিন আলীর নেতৃত্বে গঠিত বেঞ্চ রুল দেন। আইনজীবী হাসান শহীদ কামরুজ্জামান রিটের পক্ষে শুনানি করেন।

📰 বিস্তারিত

খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার নৈশপ্রহরী ইব্রাহিম শেখের জীবন আট বছরের কারাবাসে নষ্ট হয়ে গেছে। ২০০৩ সালে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে হত্যা ও অন্যান্য অভিযোগে দায়ের করা হয়। ২০১৭ সালের ২০ ও ১৯ জুলাই হাইকোর্টে খালাস পাওয়ার পরও কারাগারে তাঁকে রাখা হয়। খালাসের আদেশের কপি কারাগারে পৌঁছানোর বিলম্বে তিনি আট বছর কারাবাসের শিকার হন।

বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের পক্ষে আইনজীবী গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক রিট আবেদন করেন। তিনি প্রথম আলোকে জানান, খালাসের আদেশ পৌঁছানোর বিলম্বে ইব্রাহিম শেখের মৌলিক অধিকার ও জীবনের ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন, “কারাবাসের সময় তাঁর স্ত্রী অন্যত্র চলে যান এবং দীর্ঘ সময় কারাগারে থাকার কারণে তিনি শারীরিক-মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন।”

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী হাসান শহীদ কামরুজ্জামান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জসীম সরকার ও মোহাম্মদ ইমাম হোসেন তারেক। বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও শেখ তাহসিন আলীর নেতৃত্বে গঠিত বেঞ্চ রুল দেন।

"হত্যা মামলায় ২০১৭ সালের ২০ জুলাই এবং অপর একটি ফৌজদারি মামলায় ১৯ জুলাই ইব্রাহিম শেখকে বেকসুর খালাস দেন হাইকোর্ট। কিন্তু এই আদেশ কারাগারে পৌঁছাতে আট বছর সময় লেগে যায়। খালাসের পরও দীর্ঘ আট বছর তাঁকে কারাগারে রাখা হয়েছে। এতে তাঁর মৌলিক অধিকার ও জীবনের ক্ষতি হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: খুলনা, বটিয়াঘাটা উপজেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইব্রাহিম শেখ, আইনজীবী গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক, বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী, বিচারপতি শেখ তাহসিন আলী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০১৭ (খালাসের বছর), ২০ জুলাই ও ১৯ জুলাই (খালাসের তারিখ), ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ (মুক্তি তারিখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖