📌 হাইকোর্টের নতুন রায়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী তিন অর্থবছরের মধ্যে এই অর্থ পরিশোধ করতে বলা হয়েছে
হাইকোর্টের নতুন রায়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) এই বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ১৫ পাতার রায়ে গ্রামীণ কল্যাণকে এই অর্থ দ্রুত পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ হাইকোর্টের নতুন রায়ে ড. ইউনূসের প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ কল্যাণকে দেওয়া হয়েছে।
- 📌 ৩ অর্থবছরের মধ্যে পরিশোধের নির্দেশ — রায়ে বলা হয়েছে, এই অর্থ আগামী তিন অর্থবছরের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।
- 📌 পূর্বের রায় প্রত্যাহার — জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ৪ অক্টোবর রায় প্রত্যাহার করা হয়েছিল, পরে নতুন বেঞ্চে পুনর্মূল্যায়ন করে রায় ঘোষণা করা হয়।
- 📌 রুল খারিজ — প্রাথমিক শুনানির রুল খারিজ হওয়ায় এনবিআর কর আদায় করতে পারবে না।
📰 বিস্তারিত
গত ১০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে গ্রামীণ কল্যাণকে এই কর পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে সেই রায় ৪ অক্টোবর স্বপ্রণোদিতভাবে প্রত্যাহার করা হয়। পরে প্রধান বিচারপতির কাছে মামলার নথি পাঠানো হয় এবং নতুন বেঞ্চে পুনর্মূল্যায়নের পর নতুন রায় ঘোষণা করা হয়।
২০১২-১৩ থেকে ২০১৬-১৭ সালের করবর্ষের জন্য গ্রামীণ কল্যাণের কর দাবি নিয়ে ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠানটি দুটি রিট দায়ের করে। প্রাথমিক শুনানির রুল খারিজ হওয়ায় এনবিআর কর আদায় করতে পারবে না। তবে নতুন রায়ে গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী তিন অর্থবছরের মধ্যে এই অর্থ পরিশোধ করতে হবে। নতুন রায়ে বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার ও সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চের সদস্যরা অংশ নিয়েছেন।
"গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই অর্থ আগামী তিন অর্থবছরের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, সুপ্রিম কোর্ট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. মুহাম্মদ ইউনূস, বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া, বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার, সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৬৬ কোটি টাকা, ১৫ পাতার রায়, ৩ অর্থবছর, ১০ সেপ্টেম্বর, ৪ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!