📌 সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ দুদকের ব্রিফিংয়ের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রাথমিক সত্যতা ঘোষণা করা মিডিয়া ট্রায়ালের মতোই সম্মানহানি। বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর বেঞ্চে শুনানি হবে
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ দুদকের প্রেস ব্রিফিংয়ের বৈধতা ও তার বিরুদ্ধে করা বক্তব্যের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছেন। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করা হয়। বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর বেঞ্চে রিটটির শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রিটের মূল দাবি: দুদক কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রেস ব্রিফিং না করার নির্দেশনা চেয়েছেন আসিফ মাহমুদ।
- 📌 বক্তব্যের ভুল স্বীকার: দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আখতারুল ইসলাম জানান, ‘প্রাথমিক সত্যতা’ কথাটি বাদ দেওয়ার অনুরোধ করা হলেও আনুষ্ঠানিকভাবে বক্তব্য প্রত্যাহার করা হয়নি।
- 📌 মিডিয়া ট্রায়ালের দাবি: আসিফ মাহমুদের আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুসা বলেছেন, দুদকের বক্তব্যের কারণে তার বিরুদ্ধে মিডিয়া ট্রায়াল শুরু হয়েছে।
- 📌 সম্মানহানির দাবি: আসিফ মাহমুদ দাবি করেছেন, তার বিরুদ্ধে করা বক্তব্যের কারণে তার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
দুদকের ব্রিফিংয়ে আসিফ মাহমুদকে ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। রিটে বলা হয়েছে, এই ধরনের বক্তব্য কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত দেওয়া যাবে না। আসিফ মাহমুদ দাবি করেছেন, এই বক্তব্যের কারণে তার বিরুদ্ধে মিডিয়া ট্রায়াল শুরু হয়েছে এবং তার সম্মানহানি হয়েছে।
আসিফ মাহমুদের আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুসা সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘কোনো ধরনের তদন্ত শেষ না হওয়া বা সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়াই দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তার বক্তব্যের কারণে তাকে ঘিরে ব্যাপক মিডিয়া ট্রায়াল শুরু হয়েছে। এতে অভিযোগগুলো আগেই প্রমাণিত বলে ধারণা তৈরি হয়েছে, যা তার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন করেছে।’
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আখতারুল ইসলাম হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে বার্তা দিয়ে জানান, তার ওই বক্তব্য ভুলবশত দেওয়া হয়েছিল। তিনি সাংবাদিকদের অনুরোধ করেছিলেন, ‘প্রাথমিক সত্যতা’ কথাটি বাদ দেওয়ার জন্য। তবে সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার বা সংশোধন করা হয়নি।
"কোনো ধরনের তদন্ত শেষ না হওয়া বা সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়াই দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তার বক্তব্যের কারণে তাকে ঘিরে ব্যাপক ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ শুরু হয়েছে। এতে অভিযোগগুলো আগেই প্রমাণিত বলে ধারণা তৈরি হয়েছে, যা তার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন করেছে।"
— জহিরুল ইসলাম মুসা, আসিফ মাহমুদের আইনজীবী
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হাইকোর্ট, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আসিফ মাহমুদ, বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর, জহিরুল ইসলাম মুসা, আখতারুল ইসলাম দুদক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ সেপ্টেম্বর, ১৫:১৫ পিএম
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!