📌 সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া দুদকের প্রেস ব্রিফিংয়ে ‘প্রাথমিক সত্যতা’ ঘোষণার বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছেন। রিটে দুদকের এই ব্রিফিংয়ের আইনগত বৈধতা ও ব্যক্তির সম্মান রক্ষার দাবি করা হয়েছে
হাইকোর্টে রিট দায়ের করে দুদকের প্রেস ব্রিফিংয়ের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট আবেদনটি দায়ের করা হয়। বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে এর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৮ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে রিট দায়ের করে আসিফ মাহমুদ দুদকের প্রেস ব্রিফিংয়ের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেছেন
- 📌 দুদকের প্রেস ব্রিফিংয়ে ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়া গেছে বলে ঘোষণা করা দুর্নীতির অভিযোগের বিরুদ্ধে আইনি আক্রমণ
- 📌 ২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দুদকের কর্মকর্তা আখতারুল ইসলামের প্রেস ব্রিফিংয়ে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগ উঠেছে
- 📌 রিটে দুদককে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রেস ব্রিফিং না করার আদেশ চাওয়া হয়েছে
- 📌 রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ বন্ধ রাখার দাবি
📰 বিস্তারিত
হাইকোর্টে রিট দায়ের করে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া দুদকের প্রেস ব্রিফিংয়ের বৈধতা ও আইনগত কর্তৃত্ব চ্যালেঞ্জ করেছেন। রিটে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রেস ব্রিফিং করে সম্মানহানি করা যাবে না— এই নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দেওয়া দুর্নীতির অভিযোগের বক্তব্য প্রত্যাহার করে দুদককে জনসমক্ষে ভুল স্বীকার করার আরজি জানানো হয়েছে।
রিটকারী আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুসা জানান, গত ২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আখতারুল ইসলামের প্রেস ব্রিফিংয়ে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বদলি, নিয়োগ ও পদোন্নতি সংক্রান্ত দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়া গেছে বলে ঘোষণা করা হয়েছিল। তিনি বলেন, আমরা রিটে ওই দুটি প্রেস ব্রিফিংয়ের আইনগত কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করেছি।
রিটে দুদকের প্রেস ব্রিফিংয়ের বৈধতা নিয়ে সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ (ব্যক্তির সম্মান ও সুনামের অধিকার) এবং দুদকের ২০১১ সালের তথ্য অবমুক্তকরণ নীতিমালার লঙ্ঘন ঘোষণা করা যাবে না— এই দাবি করা হয়েছে। একইসঙ্গে, দুদক যদি আনুষ্ঠানিক ব্রিফিং করে ভুল স্বীকার ও ক্ষমা প্রার্থনা করে, তাহলে তা গুরুত্ব দিয়ে করা উচিত— এই দাবিও রিটে উঠেছে।
"আমরা রিটে ওই দুটি প্রেস ব্রিফিংয়ের আইনগত কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করেছি। রুল চাওয়া হয়েছে— কেন ওই প্রেস ব্রিফিংকে আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত এবং সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন ঘোষণা করা হবে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হাইকোর্ট, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, জহিরুল ইসলাম মুসা, বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ সেপ্টেম্বর, ২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর, ৩১ অনুচ্ছেদ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!