📅 ১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:১৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হাজারীবাগ হত্যাকাণ্ড মামলায় মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন: চার আসামির মধ্যে একজনের ফাঁসি, তিনজন পলাতক

হাজারীবাগ হত্যাকাণ্ড মামলায় মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন: চার আসামির মধ্যে একজনের ফাঁসি, তিনজন পলাতক

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 হাজারীবাগে পিকআপ চালক আসাদুল ইসলামের হত্যাকাণ্ড মামলায় আদালত রাজু হাওলাদারকে মৃত্যুদণ্ড এবং অনিক হাসান, সজল মিয়া ও কাউছারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে। চার আসামির মধ্যে একজনের ফাঁসির রায় ঘোষণা করা হয়

ঢাকার হাজারীবাগ এলাকায় পিকআপ চালক আসাদুল ইসলামের হত্যাকাণ্ড মামলায় আদালত মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছে। ঢাকার ১৬তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ নাজমুন নাহার নীপুর আদালত বুধবার রাজু হাওলাদারকে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করে। একই সঙ্গে অনিক হাসান ওরফে শান্ত, সজল মিয়া ও কাউছারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত রাজুকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামিকে ২৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাজু হাওলাদারকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছে আদালত, তিনি বর্তমানে কারাগারে পাঠানো হয়েছে
  • 📌 অনিক হাসান ওরফে শান্ত, সজল মিয়া ও কাউছারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে
  • 📌 চার আসামির মধ্যে তিনজন পলাতক অবস্থায় রয়েছে
  • 📌 মামলায় অভিযোগে বলা হয়েছে, আসাদুল ইসলামের মুঠোফোন ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যাওয়া আসামিরা
  • 📌 ২০২৩ সালের ১৩ জুন রাতে আসাদুল ইসলামের হত্যাকাণ্ড ঘটে আরএস পাম্পের কাছে

📰 বিস্তারিত

২০২৩ সালের ১৩ জুন রাত সাড়ে ৯টায় হাজারীবাগ থানার ঢাকা ট্যানারি মোড়ে গাড়ি পার্কিং করে বাসায় ফিরছিলেন আসাদুল ইসলাম। রাত ১১টা ১০ মিনিটে আরএস পাম্পের কাছে পৌঁছালে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা তাঁকে ছুরিকাঘাত করে। আসাদুল মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৯ জুন তিনি মৃত্যুবরণ করেন। আসাদুলের বাবা মোন্নাফ মিয়া ২০২৩ সালের ১৯ জুন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন।

২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্ত শেষে হাজারীবাগ থানার উপপরিদর্শক কমল কৃষ্ণ সাহা আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। একই বছরের ৭ নভেম্বর আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করার আদেশ দেন। মামলায় অভিযোগে বলা হয়, আসাদুলের কাছে মুঠোফোনসহ যা যা আছে দিয়ে দিতে বলা হয়। কিন্তু তিনি দিতে না চাইলে রাজু ছুরি দিয়ে তাঁর বুকে আঘাত করেন। আসামিরা মুঠোফোন ছিনিয়ে নিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়। বিচার চলাকালীন আদালত ২১ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী খন্দকার সাফি নেওয়াজ নাসির জানান, রাজু হাওলাদারকে আদালতে হাজির করা হয় এবং রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। অন্য তিন আসামি পলাতক অবস্থায় রয়েছে।

"আসাদুলের মুঠোফোন ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যাওয়া আসামিরা তাঁকে ছুরিকাঘাত করে। তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং পরে মৃত্যুবরণ করেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকার হাজারীবাগ, আরএস পাম্প
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আসাদুল ইসলাম (হত্যাক্ত), রাজু হাওলাদার (মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত), মোন্নাফ মিয়া (আসাদুলের বাবা), কমল কৃষ্ণ সাহা (উপপরিদর্শক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ হাজার টাকা (রাজুর অর্থদণ্ড), ২৫ হাজার টাকা (অন্য তিন আসামির অর্থদণ্ড), ১৬ জন সাক্ষী (গ্রহণ করা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖