📌 হাইকোর্টের বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও এস কে তাহসিন আলীর বেঞ্চ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন। আসিফ মাহমুদ দুদকের ব্রিফিংয়ের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দিয়েছিলেন, যেখানে দুদক ‘প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া’ বলে অভিযোগের বৈধতা দাবি করেছিল
হাইকোর্টের বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও এস কে তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন। আসিফ মাহমুদ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ব্রিফিংয়ের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দিয়েছিলেন, যেখানে দুদক ‘প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া’ বলে অভিযোগের বৈধতা দাবি করেছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৯ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের আদেশে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ পড়লেন।
- 📌 আসিফ মাহমুদ দুদকের ব্রিফিংয়ে ‘প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া’ বলে অভিযোগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দিয়েছিলেন।
- 📌 দুদকের উপ-পরিচালক ২ সেপ্টেম্বর সংবাদ সম্মেলনে ‘প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া’ বলে অভিযোগের বৈধতা দাবি করেছিলেন, যা আইনানুগ নয়।
- 📌 ৯ সেপ্টেম্বর দুদকের সচিব ‘স্লিপ অব দ্য টাং’ বলে অভিযোগ প্রত্যাহার করেন, কিন্তু আনুষ্ঠানিক প্রত্যাহার গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়নি।
- 📌 আসিফ মাহমুদ দাবি করেন, ১৫০ জন সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদোন্নতি (১১ মে, ২০২৬) তার পদত্যাগের (১১ ডিসেম্বর, ২০২৫) প্রায় পাঁচ মাস পরে কার্যকর হয়।
- 📌 তিনি দাবি করেন, ডিএনসিসির মেয়র পদে প্রার্থিতা ঘোষণার পর উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে ব্রিফিং করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
দুদকের ব্রিফিংয়ের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার রিট আবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত ২ সেপ্টেম্বর দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির উপ-পরিচালক জানান, সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বদলি, নিয়োগ ও পদোন্নতি বাণিজ্যের অভিযোগে দুদক ‘প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায়’ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন অনুযায়ী, কোনো অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ অনুসন্ধান শেষে ফল হিসেবে ধরা হতে পারে, অনুসন্ধানের শুরুতে এমন বক্তব্য দেওয়ার কোনো আইনি এখতিয়ার নেই।
আসিফ মাহমুদ রিটে দাবি করেন, ১০ সেপ্টেম্বর লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হলেও তা আমলে না নিয়ে গত ১৩ সেপ্টেম্বর দুদকের সহকারী পরিচালক আরেকটি সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে ডিএনসিসির প্রশাসক নিয়োগ, ডিসি পদায়ন, ওয়াসা, এলজিইডি, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডার এবং বিদেশে অর্থপাচারসহ বহুবিধ নতুন অভিযোগ আনা হয়। আসিফ মাহমুদ দাবি করেন, এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য। তিনি আরও দাবি করেন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত দায়িত্ব বাতিলের বিষয়টি মূলত প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয়ের আদেশে হয়েছে।
রিটে আসিফ মাহমুদ দাবি করেন, আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র পদে তিনি প্রার্থিতা ঘোষণার পর উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার সামাজিক ও রাজনৈতিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করতে এবং ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ পরিচালনার উদ্দেশে এমন ব্রিফিং করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, এতে সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে নিশ্চিত করা মৌলিক অধিকার এবং ‘তথ্য অবমুক্তকরণ নীতিমালা, ২০১১’-এর পরিপন্থী।
"দুদকের ব্রিফিংয়ের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দিয়েছিলেন আসিফ মাহমুদ। তিনি দাবি করেন, অনুসন্ধানের শুরুতে ‘প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া’ বলে অভিযোগের বৈধতা দাবি করা আইনানুগ নয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী, বিচারপতি এস কে তাহসিন আলী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ সেপ্টেম্বর (আদেশ তারিখ), ২ সেপ্টেম্বর (প্রথম ব্রিফিং), ৯ সেপ্টেম্বর (স্লিপ অব দ্য টাং), ১০ সেপ্টেম্বর (লিগ্যাল নোটিশ), ১৩ সেপ্টেম্বর (দ্বিতীয় ব্রিফিং), ১৫০ জন (পদোন্নতির সংখ্যা), ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ (পদত্যাগ), ১১ মে ২০২৬ (পদোন্নতি কার্যকর), ৩১ (সংবিধানের অনুচ্ছেদ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!