📌 হাজারীবাগে এ.জে.আর কুরিয়ার হামলায় বাদীকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। অজ্ঞাত ব্যক্তি ফোনে বলেছেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সমঝোতা না করলে লাশ পড়বে। পুলিশ তদন্ত করছে এবং আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে
হাজারীবাগের এ.জে.আর পার্সেল অ্যান্ড কুরিয়ার সার্ভিস লিমিটেডের প্রধান ওয়্যারহাউসে গত ২০ অক্টোবর সংঘটিত হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় মামলার বাদীকে অজ্ঞাত ব্যক্তি হত্যার হুমকি দিয়েছেন। শুক্রবার রাতে ফোনে দেওয়া হুমকিতে বলা হয়, ‘২৪ ঘণ্টার মধ্যে সমঝোতা না করলে তোর লাশ পড়ে থাকবে রাস্তায়’। পুলিশ তদন্ত করছে এবং বাদীর সঙ্গে কথোপকথনের অডিও যাচাই করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হাজারীবাগের এ.জে.আর কুরিয়ারের বাদীকে অজ্ঞাত ব্যক্তি হত্যার হুমকি দিয়েছেন: ‘২৪ ঘণ্টার মধ্যে সমঝোতা না করলে লাশ পড়বে’
- 📌 হুমকির অডিওতে ৬ বার ‘লাশ পড়ে থাকবে’ বলা হয়েছে এবং বাদীকে ‘২ মিনিট ৪ সেকেন্ড’ সময় দেওয়া হয়েছে
- 📌 হুমকির পরদিন ভোরে আবারও প্রতিষ্ঠানের ৫টি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে
- 📌 পুলিশ আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে, এর মধ্যে ৫ জনকে রিমান্ডে আনা হয়েছে
- 📌 হামলাকারীরা নিজেদের ‘ক্যাপ্টেন ইমনের লোক’ বলে পরিচয় দিয়েছিল এবং আগ্নেয়াস্ত্র সহ অস্ত্র বহন করেছিল
- 📌 হামলায় প্রায় ৩১ লাখ টাকার সরঞ্জাম লুট করা হয়েছিল
📰 বিস্তারিত
হাজারীবাগের এ.জে.আর পার্সেল অ্যান্ড কুরিয়ার সার্ভিস লিমিটেডের প্রধান ওয়্যারহাউসে গত ২০ অক্টোবর সন্ত্রাসী হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় মামলার বাদীকে শুক্রবার রাতে অজ্ঞাত ব্যক্তি হত্যার হুমকি দিয়েছেন। হুমকির অডিওতে বাদীকে বলা হয়, ‘২৪ ঘণ্টার মধ্যে সমঝোতা না করলে তোর লাশ পড়ে থাকবে রাস্তায়’। অডিওতে ৬ বার ‘লাশ পড়ে থাকবে’ বলা হয়েছে এবং বাদীকে ‘২ মিনিট ৪ সেকেন্ড’ সময় দেওয়া হয়েছে।
হুমকির পরদিন অর্থাৎ শনিবার ভোরে আবারও হাজারীবাগ বেড়িবাঁধ এলাকায় চার থেকে পাঁচটা মোটরসাইকেলে কিছু মানুষ এসে প্রতিষ্ঠানের ৫টি গাড়ি ভাঙচুর করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, হুমকির অডিও পাওয়ার কথা জানিয়ে বিষয়টি যাচাই করে তদন্ত করা হচ্ছে। হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন বলেছেন, তিনি বাদীর সঙ্গে কথা বলেছেন এবং বাদীর সঙ্গে হুমকিদাতার কথোপকথনের অডিওটি যাচাই করা হচ্ছে। এ ঘটনাও মামলার তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হাজারীবাগ থানার পরিদর্শক মো. শাহাদাৎ হোসেন জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত আটজনকে গ্রেপ্তার করা গেছে। এর মধ্যে ৫ জনকে রিমান্ডে আনা হয়েছে। এ ছাড়া ফোনে হুমকির বিষয়ে বাদী পুলিশকে অবগত করেছে এবং সাধারণ ডায়েরি করেছেন। এ বিষয়টিও তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
গত ২০ অক্টোবর হামলায় ৩৫ থেকে ৪০টি মোটরসাইকেলে আসা হামলাকারীরা নিজেদের ‘ক্যাপ্টেন ইমনের লোক’ বলে পরিচয় দিয়েছিলেন। তারা আগ্নেয়াস্ত্র এবং শর্টগানসদৃশ অস্ত্র বহন করেছিল। হামলাকারীরা প্রতিষ্ঠানের অভিযোগ গ্রহণের কক্ষ ও সিসিটিভি সার্ভার কক্ষের তালা-দরজা ভেঙে ভাঙচুর চালিয়েছিল। হামলায় প্রায় ৩১ লাখ টাকার সরঞ্জাম লুট করা হয়েছিল।
"আপনি অন্যের মামলার বাদী হন, নিজের মামলার বাদী কে হবে? তোর লাশ রাস্তায় পড়ে থাকবে। এ.জে.আরের সঙ্গে কথা বলে কালকের মধ্যে যোগাযোগ করার ব্যবস্থা কর। নইলে তোর লাশ আগে ফেলে দেব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হাজারীবাগ, রাজধানী ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আফসার উদ্দিন (বাদী ও প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক), মোশাররফ হোসেন (ওসি), মো. শাহাদাৎ হোসেন (তদন্তকারী কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ ঘণ্টা (সমঝোতা সময়সীমা), ৫টি গাড়ি (ভাঙচুর), ৮জন (গ্রেপ্তার), ৫জন (রিমান্ডে), ৩১ লাখ টাকা (লুট করা সরঞ্জাম)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!