📌 হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তারকৃত ছাত্রলীগ নেতা শাহ তপুরের ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যদের প্রত্যাহার করা হয়। ভিডিও ধারণকারী শাহ জুয়েলও গ্রেপ্তার করা হয়
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তারকৃত ছাত্রলীগ নেতা শাহ তপুরের ‘জয় বাংলা’ ও ‘জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যদের প্রত্যাহার করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে ভিডিও ধারণকারী শাহ জুয়েলও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নবীগঞ্জ থানায় হাজতে থাকা শাহ তপুরের ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যদের প্রত্যাহার করা হয়েছে
- 📌 ভিডিও ধারণকারী শাহ জুয়েলকে গ্রেপ্তার করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে
- 📌 নবীগঞ্জ থানার ডিউটি অফিসার এসআই মেহেদী ও নারী কনস্টেবল আফসানা মিমিকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে
- 📌 শাহ তপুরকে নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের উমরপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল
- 📌 শাহ তপুর ও শাহ জুয়েল উভয়কেই সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একই মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তারকৃত ছাত্রলীগ নেতা শাহ তপুরের ‘জয় বাংলা’ ও ‘জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যদের প্রত্যাহার করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে ভিডিও ধারণকারী শাহ জুয়েলও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের উমরপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে শাহ তপুরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি ওই গ্রামের শাহ ফিরোজ মিয়ার ছেলে। সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা একটি মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁকে নবীগঞ্জ থানায় নিয়ে হাজতে রাখা হয়।
হাজতে থাকা অবস্থায় শাহ তপুরকে পানি দিতে যান শাহ শুকুর আলীর ছেলে শাহ জুয়েল। এ সময় তিনি নিজের মোবাইল ফোনে কৌশলে শাহ তপুরের বক্তব্যের ভিডিও ধারণ করেন। ভিডিওতে শাহ তপুর ‘জয় বাংলা’, ‘জয় বঙ্গবন্ধু’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। গতকাল ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থানার নিরাপত্তাব্যবস্থা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
নবীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ আবুল হোসেন জানান, ঘটনার সময় দায়িত্বে থাকা ডিউটি অফিসার এসআই মেহেদী ও নারী কনস্টেবল আফসানা মিমিকে ইতিমধ্যে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ভিডিও ধারণ এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে এসআই মেহেদী ও আফসানা মিমিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ঘটনার অন্যান্য দিক নিয়ে তদন্ত চলছে।
"সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় শাহ তপুকে গ্রেপ্তার করে থানা হাজতে রাখা হয়েছিল। এ সময় জুয়েল তাঁকে পানি দিতে যান। একপর্যায়ে তিনি কৌশলে শাহ তপুর বক্তব্যের ভিডিও ধারণ করেন এবং পরে তা বিভিন্নভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নবীগঞ্জ উপজেলা, হবিগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাহ তপুর, শাহ জুয়েল, এসআই মেহেদী, নারী কনস্টেবল আফসানা মিমি, ওসি মোহাম্মদ আবুল হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!