📌 পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ মো. রাসেল প্রথম আলোর প্রতিবেদনকে ভুল বলে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, জামিনে থাকা অস্ত্র মামলার আসামি জাহাঙ্গীর হোসেন ফরাজীকে এমপির প্রতিনিধি হিসেবে সভায় আমন্ত্রণ জানানো প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ মো. রাসেল প্রথম আলোর একটি প্রতিবেদনকে ভুল তথ্যের ভিত্তিতে নির্মিত বলে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি জানান, ৯ অক্টোবর প্রকাশিত প্রতিবেদনে জামিনে থাকা অস্ত্র মামলার আসামি জাহাঙ্গীর হোসেন ফরাজীকে ‘এমপির প্রতিনিধি’ হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা প্রকৃত তথ্যের সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জাহাঙ্গীর হোসেন ফরাজী (অস্ত্র মামলার আসামি, বর্তমানে জামিনে) মির্জাগঞ্জ উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্য এবং বিএনপির তৃণমূল নেতা হিসেবে ১১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত পটুয়াখালী জেলার মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন।
- 📌 ইউএনও শেখ মো. রাসেলের প্রতিবাদে জানানো হয়েছে, ফরাজীকে এমপির প্রতিনিধি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো প্রশাসনের ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ন করেছে।
- 📌 ফরাজী ২০২৩ সালে মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এবং উপজেলা ছাত্রদল ও যুবদলের সভাপতি ছিলেন।
- 📌 ৭ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে ফরাজীর বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলা দায়ের করা হয়েছিল, যেখানে তিনি বর্তমানে জামিনে আছেন।
- 📌 প্রথম আলোর প্রতিবেদন তৈরিতে ইউএনওর বক্তব্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, তবে কোনো তথ্যে অসংগতি নেই বলে প্রতিবাদলিপিতে উল্লেখ করা হয়নি।
📰 বিস্তারিত
প্রথম আলোর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ৯ অক্টোবর প্রকাশিত একটি লিখিত সংবাদ ও ভিডিও রিলে জানানো হয়েছিল যে, জাহাঙ্গীর হোসেন ফরাজী ‘এমপির প্রতিনিধি’ হিসেবে সভায় বক্তব্য দিয়েছিলেন। তবে ইউএনও শেখ মো. রাসেলের প্রতিবাদে জানানো হয়েছে, ফরাজীকে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্য হিসেবে সম্মানিত করা হয়েছিল এবং তিনি সভায় উপস্থিত ছিলেন।
১১ অক্টোবর স্বাক্ষরিত প্রতিবাদলিপিতে ইউএনও বলেছেন, ‘জামিনে থাকার কারণে এবং তাঁর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ আদালত কর্তৃক এখনো প্রমাণিত না হওয়ায় জাহাঙ্গীর হোসেন ফরাজী মির্জাগঞ্জ উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্য হয়েছেন এবং তিনি নিয়মিত উপজেলা আইনশৃঙ্খলা সভায় থাকেন। স্থানীয় বিএনপির মধ্যে গ্রুপিং থাকলেও প্রত্যেক গ্রুপের নেতৃস্থানীয়দের জানানো হয়েছিল এবং তাঁরা উপস্থিত ছিলেন।’
ফরাজীকে এমপির প্রতিনিধি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো প্রশাসনের ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ন করেছে বলে মনে করেন ইউএনও। তিনি বলেন, ‘গত ৭ নভেম্বর, ২০২৪ তারিখে তাঁর বিরুদ্ধে একটি অস্ত্র মামলা হয়, যেটিতে তিনি বর্তমানে জামিনে আছেন। প্রায় দুই বছরের পুরোনো মামলাটি নিয়ে এলাকায় তেমন কোনো আলোচনা হয় না। এমনকি এর পূর্বে উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন প্রোগ্রামে তিনি এমপির প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত থাকলেও কেউ কোনো আপত্তি উপস্থাপন করেননি।’
প্রতিবেদনের তথ্য সংগ্রহে ইউএনওর বক্তব্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, তবে কোনো তথ্যে অসংগতি নেই বলে প্রতিবাদলিপিতে উল্লেখ করা হয়নি। প্রতিবেদন তৈরিতে প্রতিবাদলিপির তথ্যও বিবেচনা করা হয়েছে।
"জামিনে থাকার কারণে এবং তাঁর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ আদালত কর্তৃক এখনো প্রমাণিত না হওয়ায় জাহাঙ্গীর হোসেন ফরাজী মির্জাগঞ্জ উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্য হয়েছেন"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলা, পটুয়াখালী জেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ মো. রাসেল (ইউএনও), জাহাঙ্গীর হোসেন ফরাজী (অস্ত্র মামলার আসামি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ অক্টোবর (প্রতিবেদন প্রকাশ), ১১ অক্টোবর (প্রতিবাদলিপি স্বাক্ষর), ২০২৩ (বিএনপি সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত), ৭ নভেম্বর ২০২৪ (অস্ত্র মামলা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!