📌 গুলশান আবাসিক এলাকায় বর্জ্য অপসারণের কাজ পেতে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে জিম্মি করার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্তরা নিজেদের মাহবুব ও রবিন গ্রুপের পরিচয় দিয়ে হুমকি দিয়েছিলেন
গুলশান আবাসিক এলাকায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কাজ পেতে চাপ সৃষ্টি এবং চাঁদা দাবির অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে খিলক্ষেত থানার আশিয়ান মেডিকেল কলেজ এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছে মো. আনোয়ার (৩০), মো. নাজমুল (২৫) এবং মো. জিদান মিয়া (১৯)।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গুলশান সোসাইটির বর্জ্য অপসারণের কাজ পেতে প্রতি মাসে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে জিম্মি করা হয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের
- 📌 অভিযুক্তরা ‘বি এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি অনুমোদিত নয় প্রতিষ্ঠানের পরিচয় দিয়ে হুমকি দিয়েছিলেন
- 📌 নিজেদের মাহবুব ও রবিন গ্রুপের পরিচয় দিয়ে গুলশান সোসাইটির কর্মীদেরও হুমকি দেওয়া হয়
- 📌 গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে গতকাল গুলশান থানায় মামলা করা হয় এবং আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়
📰 বিস্তারিত
৬ অক্টোবর বেলা তিনটার দিকে গুলশান সোসাইটির কার্যালয়ে ঢুকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জিম্মি করে অভিযুক্তরা বর্জ্য অপসারণের কাজ পেতে চাপ সৃষ্টি করেন। তারা প্রতি মাসে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে হুমকি দেন। চাঁদা না দিলে সোসাইটির কর্মকর্তা ও কর্মীদের ক্ষতি এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তারা চলে যান। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্তরা ‘বি এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের নাম ও লিফলেট গুলশান এলাকার বাসায় বিতরণ করেছিলেন। প্রতিষ্ঠানটি নিবন্ধিত বা অনুমোদিত ছিল না বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পুলিশ প্রাথমিক তদন্ত, তথ্যপ্রযুক্তি এবং সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করেন। ঘটনার পর গুলশান থানায় মামলা করা হয় এবং আদালতের মাধ্যমে গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে কারাগারে পাঠানো হয়।
"গতকাল গুলশান থানায় মামলা হয়েছে। পরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গুলশান, রাজধানী ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আনোয়ার (৩০), মো. নাজমুল (২৫), মো. জিদান মিয়া (১৯)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ লাখ টাকা (চাঁদা), ৩ জন (গ্রেপ্তারকৃত)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!