📅 ২ অক্টোবর ২০২৬, ১:৩০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গুলশানের বিদেশি কূটনীতিকদের মদ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানে সফটওয়্যার জালিয়াতি ও অবৈধ মদ মজুত: আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সিলগালা করে ওয়্যারহাউজ

গুলশানের বিদেশি কূটনীতিকদের মদ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানে সফটওয়্যার জালিয়াতি ও অবৈধ মদ মজুত: আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সিলগালা করে ওয়্যারহাউজ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গুলশানে অবস্থিত বিদেশি কূটনীতিকদের জন্য মদ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান টস বন্ড প্রাইভেট লিমিটেডে সফটওয়্যার জালিয়াতি ও অবৈধ মদ মজুতের অভিযোগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ওয়্যারহাউজটি সিলগালা করেছে। অভিযানে ২ হাজার ২৫০ কার্টন হাইনেকেন বিয়ারের অস্তিত্ব না পাওয়ার মতো অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। প্রতিষ্ঠানের পরিচালক শেখ নূর ইসলামের সাথে সালমান মুক্তাদিরের পারিবারিক সম্পর্কের উল্লেখও করা হয়েছে।

গুলশানের একটি কূটনৈতিক বন্ডেড ওয়্যারহাউজে সফটওয়্যার জালিয়াতি ও অবৈধ মদ মজুতের অভিযোগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গতকাল রাতের অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির ওয়্যারহাউজটি সিলগালা করেছে। অভিযান পরিচালনা করে কাস্টমস ইনটেলিজেন্স অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইআইডি) এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) যৌথভাবে প্রতিষ্ঠানটিতে তল্লাশি চালিয়ে সফটওয়্যার জালিয়াতি ও অবৈধ মদ মজুতের প্রমাণ খুঁজে পেয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গুলশানে অবস্থিত বিদেশি কূটনীতিকদের জন্য মদ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ‘টস বন্ড প্রাইভেট লিমিটেড’-এর ওয়্যারহাউজ সিলগালা করা হয়েছে।
  • 📌 সফটওয়্যারে ২ হাজার ২৫০ কার্টন হাইনেকেন বিয়ারের ‘ইনবাউন্ড’ নথিভুক্ত থাকলেও গুদামে কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
  • 📌 গুদামে ১৪৪ ক্যান বিয়ার, ১২ বোতল হুইস্কি এবং ৬ বোতল নেমিরফ মদ পাওয়া গেছে, যা সফটওয়্যারে নথিভুক্ত ছিল না।
  • 📌 প্রতিষ্ঠানের পরিচালক শেখ নূর ইসলামের সাথে সালমান মুক্তাদিরের পারিবারিক সম্পর্কের উল্লেখ করা হয়েছে।
  • 📌 কাস্টমস কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই ওয়্যারহাউজের দুটি ফ্লোর ব্যবহৃত হচ্ছিল।
  • 📌 কানাডার একটি আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা প্রতিবেদনে শেখ নূর ইসলামের নাম উল্লেখ রয়েছে।

📰 বিস্তারিত

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) নেতৃত্বে কাস্টমস ইনটেলিজেন্স অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইআইডি) এবং এসআরবি (সাবেক র‌্যাব) যৌথভাবে গুলশানের ‘টস বন্ড প্রাইভেট লিমিটেড’-এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির ওয়্যারহাউজে সফটওয়্যার জালিয়াতি এবং বিপুল পরিমাণ অবৈধ মদ মজুতের প্রমাণ পাওয়া যায়।

সফটওয়্যারে ৩ সেপ্টেম্বর ২ হাজার ২৫০ কার্টন হাইনেকেন বিয়ারের ‘ইনবাউন্ড’ নথিভুক্ত থাকলেও, গুদামে সেই বিয়ারের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। এছাড়া, গুদামে ১৪৪ ক্যান বিয়ার, ১২ বোতল হুইস্কি এবং ৬ বোতল নেমিরফ মদ পাওয়া গেছে, যা সফটওয়্যারে নথিভুক্ত ছিল না। কর্মকর্তারা জানান, সফটওয়্যারে প্রতিষ্ঠানটি ‘এক্সবন্ড’ বা ছাড়পত্র পেয়েছে বলে তথ্য লেখা থাকলেও, বাস্তবে কোনো ছাড়পত্র ছিল না।

অভিযান চলাকালে কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠানের রেজিস্টার খাতা, এনবিআর অনুমোদিত ডিজিটাল সফটওয়্যার এবং ওয়্যারহাউজে রক্ষিত মদের স্টক সরেজমিনে মিলিয়ে দেখেন। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক শেখ নূর ইসলামের সাথে সালমান মুক্তাদিরের পারিবারিক সম্পর্কের উল্লেখ করা হয়েছে। শেখ নূর ইসলামের মালিকানাধীন ‘ফুওয়াং ক্লাব’ ও ‘কয়লা রেস্টুরেন্ট’-এও একাধিকবার মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

কানাডার একটি আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা প্রতিবেদনে শেখ নূর ইসলাম, তাঁর স্ত্রী শীলা ইসলাম এবং কন্যা তাসনিম ইসলামের নাম উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া, প্রতিষ্ঠানটি কাস্টমস কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই ওয়্যারহাউজের দুটি ফ্লোর ব্যবহার করছিল।

"গত ৩ সেপ্টেম্বর ২ হাজার ২৫০ কার্টন বিয়ার ওয়্যারহাউজে প্রবেশ হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছিল, কিন্তু বাস্তবে কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, সফটওয়্যারে আমদানি দেখানো হলেও বাস্তবে ওই পণ্যগুলো আগেই চোরাই পথে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গুলশান, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ নূর ইসলাম, সালমান মুক্তাদির
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ হাজার ২৫০ কার্টন (হাইনেকেন বিয়ার), ১৪৪ ক্যান বিয়ার, ১২ বোতল হুইস্কি, ৬ বোতল নেমিরফ মদ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖