📌 গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ঝটিকা মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতারকৃত সাতজনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। মামলায় অভিযোগ রয়েছে বিস্ফোরক বহন ও সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা
গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ঝটিকা মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতারকৃত সাতজনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) গুলশান থানার ৩ নম্বর সড়কে মিছিলের সময় বিস্ফোরক বহন ও নাশকতা সৃষ্টির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ৭ জন নেতাকর্মী কারাগারে পাঠানো হয়েছে — মির্জা মোখলেছুর রহমান (৭২), মির্জা আরজু (৪২), শহিদুল ইসলাম (৪০), মোশাররফ হোসেন (৬০), মোক্তার হোসেন (৪৪), আনোয়ার হোসেন আনা (৪৬) ও বায়জিদ ইসলাম (৫৬)।
- 📌 আদালত শুনানির পর অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহ কারাগারে আটক রাখার আদেশ দেন।
- 📌 মামলায় অভিযোগ: মিছিলে বিস্ফোরক বহন করে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট ও এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করা।
- 📌 মামলা দায়ের করা হয় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়।
📰 বিস্তারিত
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ তারিখে ঢাকার গুলশান থানায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৮০ থেকে ১০০ জন নেতাকর্মী পাকা রাস্তায় জড়ো হয়ে ঝটিকা মিছিলের অভিযোগে সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মিছিলকারীরা পুলিশ প্লাজার দিকে যাওয়ার সময় বিস্ফোরক দ্রব্য বহন করে বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছিল।
আজ (১৫ সেপ্টেম্বর) তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। তদন্তকারী কর্মকর্তা মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানির পর অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহ তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। গুলশান থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মোক্তার হোসেন বাসসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেফতারকৃত সাতজন নেতাকর্মীর মধ্যে সবচেয়ে বয়স্ক মির্জা মোখলেছুর রহমান (৭২) এবং সবচেয়ে কম বয়স্ক শহিদুল ইসলাম (৪০)। তাদের মধ্যে অন্যরা হলেন মির্জা আরজু (৪২), মোশাররফ হোসেন (৬০), মোক্তার হোসেন (৪৪), আনোয়ার হোসেন আনা (৪৬) ও বায়জিদ ইসলাম (৫৬)।
"মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, শুক্রবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে গুলশান থানার ৩ নম্বর সড়কে নিষিদ্ধ ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা পাকা রাস্তায় জড়ো হয়ে বিস্ফোরক দ্রব্য বহন করে মিছিল করে। তারা সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট ও এলাকায় নাশকতা সৃষ্টির উদ্দেশে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গুলশান, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মির্জা মোখলেছুর রহমান, মির্জা আরজু, শহিদুল ইসলাম, মোশাররফ হোসেন, মোক্তার হোসেন, আনোয়ার হোসেন আনা, বায়জিদ ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ জন গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মী, ৮০-১০০ জন মিছিলকারী, ১১ সেপ্টেম্বর (ঘটনার তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!