📌 গাজীপুরের টঙ্গীতে ৭ বছর বয়সী মাদ্রাসা ছাত্রী যৌন নিপীড়নের অভিযোগে পুলিশ প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে। শিশুটি আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছে এবং তার বাবা শাহজালাল রুমিকে গ্রেপ্তার অভিযান চলছে। মাদ্রাসায় ভাঙচুর ও শিক্ষক মারধরের ঘটনায় আলাদা মামলা দায়ের করা হয়েছে
গাজীপুরের টঙ্গীতে ৭ বছর বয়সী মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে পুলিশ প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে। শিশুটি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার সাথে জড়িত শিশুর বাবা শাহজালাল রুমিকে গ্রেপ্তার অভিযান চলমান রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাজীপুর টঙ্গীতে ৭ বছর বয়সী মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে পুলিশ প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে
- 📌 শিশুটি ২২ অক্টোবর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে
- 📌 শাহজালাল রুমিকে গ্রেপ্তার অভিযান চলছে, তিনি মাদ্রাসায় ভাঙচুর ও ১৭ লাখ টাকা লুটের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন
- 📌 মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ আলাদা দুটি মামলা দায়ের করেছে: একটি ভাঙচুর ও শিক্ষক মারধরের জন্য, অন্যটি শিশুটির বাবা বাদী হয়ে দায়ের করা
- 📌 শাহজালাল রুমি দাবি করেছেন, তিনি মাদ্রাসার অধ্যক্ষের কাছে ঘটনাটি তিন দিন আগে জানিয়েছিলেন, কিন্তু অধ্যক্ষ তাকে অস্বীকার করেছেন
📰 বিস্তারিত
গাজীপুরের টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান জানিয়েছেন, গত ২২ অক্টোবর নিপীড়নের শিকার শিশুটি ঘটনার ব্যাপারে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে। পুলিশের তদন্তে নিপীড়নের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। ওসি আরিফুর রহমান আরও বলেছেন, মাদ্রাসায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুরের ঘটনায় পৃথক মামলার আসামি শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিকে গ্রেপ্তার অভিযান চলছে।
মাদ্রাসার ভেতরে নিজের কন্যা সন্তানের নিপীড়নের ঘটনায় বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। এছাড়াও মাদ্রাসা ভাঙচুর ও শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ আলাদা দুটি মামলা দায়ের করেছে। তবে শাহজালাল রুমি নিজের অবস্থান তুলে ধরেন। শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে তিনি বলেন, ‘আমি কোথায় ১৭ লাখ টাকা নিয়ে গেছি, সেটি সিসিটিভি ফুটেজ দেখে যাচাই করা হোক। মাদ্রাসায় এত টাকা কীভাবে রাখা হয়, সেই বিষয়টিও পরিষ্কার হওয়া দরকার।’
রুমি আরও দাবি করেছেন, ‘ঘটনার বিষয়ে আমি তিন দিন আগেই অধ্যক্ষকে অভিযোগ জানিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি বারবার বলেছেন, তিনি কিছু জানেন না। আমি তার কক্ষের বাইরে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেছি। পরে তার সঙ্গে কথা বলতে গেলে এমন আচরণ করেছেন, যেন তিনি আমার সঙ্গে দেখা করতেই চান না।’ শাহজালাল রুমি বলেন, ‘আমি আমার সন্তানের বিচার চাইতে মাদ্রাসায় গিয়েছিলাম, মব সৃষ্টি করতে নয়। প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ দাবি করছে, আমি নাকি মব সৃষ্টি করেছি এবং ফ্ল্যাট দখল করতে গিয়েছি। আমি কেন মব সৃষ্টি করব? আমি তো একজন বাবা হিসেবে আমার সন্তানের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিচার চাইতে গিয়েছিলাম।’
"আমি কোথায় ১৭ লাখ টাকা নিয়ে গেছি, সেটি সিসিটিভি ফুটেজ দেখে যাচাই করা হোক। মাদ্রাসায় এত টাকা কীভাবে রাখা হয়, সেই বিষয়টিও পরিষ্কার হওয়া দরকার।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টঙ্গী পশ্চিম, গাজীপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাহজালাল রুমি, মো. আরিফুর রহমান (ওসি), ৭ বছর বয়সী মাদ্রাসা শিক্ষার্থী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ বছর, ২২ অক্টোবর, ৩ টা, ১৭ লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!