📌 গাজীপুর টঙ্গীতে একটি মাদ্রাসায় সাত বছর বয়সী মেয়েকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষক মোসলেম আহম্মদ গ্রেপ্তার। পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজসহ প্রমাণ সংগ্রহ করে ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা নিশ্চিত করেছে। অভিযোগের পর পরিবার ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের মধ্যে মারধর ও লুটপাটের অভিযোগের পাল্টাপাল্টি ঘটনা ঘটেছে
গাজীপুরের টঙ্গীতে একটি মাদ্রাসায় সাত বছর বয়সী মেয়েকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষক মোসলেম আহম্মদ (৩০) গ্রেপ্তার। পুলিশ সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজসহ বিভিন্ন প্রমাণ সংগ্রহ করে ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা নিশ্চিত করেছে। অভিযোগের পর পরিবার ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের মধ্যে মারধর ও লুটপাটের অভিযোগের পাল্টাপাল্টি ঘটনা ঘটেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাজীপুর টঙ্গীতে মাদ্রাসায় সাত বছর বয়সী মেয়েকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষক মোসলেম আহম্মদ (৩০) গ্রেপ্তার, বর্তমানে কারাগারে রয়েছে
- 📌 পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজসহ প্রমাণ সংগ্রহ করে ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা নিশ্চিত করেছে, তদন্ত চলমান
- 📌 ১৯ অক্টোবর ঘটনা ঘটে, শিশুটি মাদ্রাসায় যেতে চাইছিল না, পরে বাবা-মায়ের জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনা প্রকাশ পায়
- 📌 অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধর ও মাদ্রাসায় ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগের পাল্টাপাল্টি ঘটনা ঘটেছে
- 📌 মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ দাবি, ১৫-১৬ জনের দল মাদ্রাসায় ঢুকে শিক্ষককে মারধর করেছে, ১৭ লাখ টাকা ও ৫টি ফোন লুট হয়েছে
- 📌 শিশুটির বাবা দাবি করেছেন, তিনি মেয়ের বিচার চাইতে মাদ্রাসায় গিয়েছিলেন, কোনো লুটপাটের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন
📰 বিস্তারিত
গাজীপুরের টঙ্গীতে একটি মাদ্রাসায় সাত বছর বয়সী মেয়েকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে পুলিশ প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে। গত ১৯ অক্টোবর সোমবার টঙ্গীর মাদ্রাসার নিচতলার সিঁড়িতে ঘটনা ঘটে। শিশুটি মাদ্রাসায় যেতে চাইছিল না, পরিবারের সদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার কথা জানতে পারেন। এরপর ২১ অক্টোবর দুপুরে শিশুটির পরিবার মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মোসলেম আহম্মদকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন জড়ো হন এবং শিক্ষককে মারধর করা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
শিশুটির বাবা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। অভিযুক্ত শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদ ও মারধরের ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় দেশজুড়ে আলোচনা সৃষ্টি হয়। মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা আলমাছ হোসেন দাবি করেন, শিশুটির বাবার নেতৃত্বে ১৫ থেকে ১৬ জনের দল মাদ্রাসায় ঢুকে শিক্ষককে মারধর করেছে। তিনি দাবি করেছেন, মাদ্রাসার কার্যালয় ভাঙচুর হয়েছে এবং ১৭ লাখ টাকা ও ৫টি মোবাইল ফোন লুট হয়েছে। এসব অভিযোগের পাশাপাশি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ থানায় পৃথক অভিযোগ দিয়েছে।
শিশুটির বাবা নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি মেয়ের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, তিনি মাদ্রাসায় যেতে গিয়েছিলেন মেয়ের বিচার চাইতে, কোনো ধরনের লুটপাটের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
"আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছি। এতে প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। এখনো তদন্তের কাজ চলমান।"
— টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টঙ্গী, গাজীপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাদ্রাসাশিক্ষক মোসলেম আহম্মদ (৩০), শিশু (৭ বছর), শিশুটির বাবা, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠাতা আলমাছ হোসেন, ওসি আরিফুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ বছর (শিক্ষকের বয়স), ১৯ অক্টোবর (ঘটনার তারিখ), ২১ অক্টোবর (জিজ্ঞাসাবাদ), ১৫-১৬ জন (মাদ্রাসা লুটপাটের অভিযোগ), ১৭ লাখ টাকা (লুটের পরিমাণ), ৫টি (মোবাইল ফোন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!