📌 গাজীপুরের একটি আবাসিক মাদ্রাসায় আট বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে একজন শিক্ষকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, অভিযুক্তরা শিশুটিকে তিনবার নির্যাতন করেছিল
গাজীপুরের একটি আবাসিক কওমি মাদ্রাসায় আট বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে একজন শিক্ষকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন শিক্ষক এবং দুজন মাদ্রাসার পরিচালনা পর্ষদের সদস্য। গত শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত দুজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাজীপুর সদর উপজেলার একটি মাদ্রাসায় শিক্ষক অলিউল্লাহ ইসলাম (২৩)সহ মোহাম্মদ মিজান (৩৮) ও আব্দুল কুদ্দুস শেখ (৪৫) ধর্ষণ অভিযোগে গ্রেপ্তার
- 📌 শিশুটি মাদ্রাসার আবাসিক বিভাগে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ত, ১০ অক্টোবর থেকে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত তিনবার ধর্ষিত হয়
- 📌 ৭ অক্টোবর মাদ্রাসায় পাঠানো শিশুটি ১৩ অক্টোবর গোসল করার সময় ধর্ষণের প্রমাণ পায় পরিবার
- 📌 মাদ্রাসার কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে, অভিযুক্ত শিক্ষককে কৌশলে মাদ্রাসা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়
- 📌 গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম রব্বানী মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন
📰 বিস্তারিত
গাজীপুরের একটি আবাসিক কওমি মাদ্রাসায় আট বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ অভিযান চালিয়ে একজন শিক্ষকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তারকৃত দুজনকে সকালে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন শিক্ষক অলিউল্লাহ ইসলাম (২৩) এবং দুজন মাদ্রাসার পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মোহাম্মদ মিজান (৩৮) ও আব্দুল কুদ্দুস শেখ (৪৫)।
মামলার এজাহারে জানা যায়, শিশুটি মাদ্রাসার আবাসিক বিভাগে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়াশোনা করত। ৭ অক্টোবর বিকেল চারটার দিকে তাকে মাদ্রাসার আবাসিক বিভাগে রেখে আসেন তাঁর মা। ১৩ অক্টোবর দুপুরে শিশুটি বাসায় খেতে এলে গোসল করানোর সময় ধর্ষণের বিষয়টি টের পান পরিবারের সদস্যরা। এজাহারে বলা হয়েছে, ১০ অক্টোবর রাত আনুমানিক একটার দিকে মাদ্রাসার ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় শিশুটিকে জাগিয়ে ভয়ভীতি ও প্রলোভন দেখান অলিউল্লাহ ইসলাম। পরে মাদ্রাসার স্টোররুমে নিয়ে ১১ অক্টোবর রাত দেড়টা এবং ১২ অক্টোবর রাত তিনটার দিকে আবারও শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়। বিষয়টি কাউকে জানালে মারধর করা হবে বলেও শিশুটিকে ভয় দেখানো হয়।
শিশুটির মায়ের অভিযোগ, ঘটনার কথা জানার পর তিনি মাদ্রাসায় গিয়ে কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান। তবে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন মোহাম্মদ মিজান ও আব্দুল কুদ্দুস শেখ। একপর্যায়ে অলিউল্লাহকে কৌশলে মাদ্রাসা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
"আজ শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত দুজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম রব্বানী বলেন, পুলিশের অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজীপুর সদর উপজেলা, গাছা থানা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অলিউল্লাহ ইসলাম (২৩), মোহাম্মদ মিজান (৩৮), আব্দুল কুদ্দুস শেখ (৪৫), গোলাম রব্বানী (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩, ৩৮, ৪৫, ৭ অক্টোবর, ১০ অক্টোবর, ১১ অক্টোবর, ১২ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!