📌 গাজীপুরের টঙ্গী আউচপাড়া মাদ্রাসায় ছয় বছর বয়সী শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে বাবা শাহজালাল রুমি সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, তিনি মব সৃষ্টি করতে গিয়েছিলেন না। তিনি দাবি করেছেন, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিচার চাইছেন এবং শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চান
গাজীপুরের টঙ্গী আউচপাড়া এলাকার একটি আবাসিক মাদ্রাসায় ছয় বছর বয়সী শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে বাবা শাহজালাল রুমি মধ্যরাতে সংবাদ সম্মেলনে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে দাবি তুলেছেন। তিনি বলেছেন, তিনি মাদ্রাসায় বিচার চাইতে গিয়েছিলেন, মব সৃষ্টি করতে নয়। শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) রাত ৩টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে রুমি বলেছেন, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দাবি যে তিনি মব সৃষ্টি করেছেন এবং ফ্ল্যাট দখল করেছেন, তা সম্পূর্ণ ভুল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাজীপুরের টঙ্গী আউচপাড়া মাদ্রাসায় ছয় বছর বয়সী শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে বাবা শাহজালাল রুমি সংবাদ সম্মেলনে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে দাবি তুলেছেন।
- 📌 রুমি দাবি করেছেন, তিনি মাদ্রাসায় মব সৃষ্টি করতে গিয়েছিলেন না, শুধু বিচার চাইতে গিয়েছিলেন। তিনি বলেছেন, যদি তিনি মব সৃষ্টি করতেন, তাহলে সেখানে উপস্থিত ২০০ জন লোক তাকে মারত না কেন।
- 📌 রুমি স্বীকার করেছেন, মাদ্রাসায় একটি কাচের গ্লাস ভেঙেছেন, কিন্তু তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে কিছু ভাঙতে চাননি। তিনি দাবি করেছেন, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তার বিরুদ্ধে তোলা ১৭ লাখ টাকা নিয়ে যাওয়া অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা উচিত।
- 📌 রুমি বলেছেন, তিনি মাদ্রাসা বা শিক্ষকদের বিরুদ্ধে নয়, শুধু সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চান। তিনি দাবি করেছেন, মাদ্রাসায় সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলেও তার বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগের তদন্ত সুষ্ঠুভাবে করা উচিত।
- 📌 রুমি বলেছেন, মাদ্রাসার অধ্যক্ষের কাছে অভিযোগ জানানোর পরও কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় তিনি হতাশ। তিনি দাবি করেছেন, শিশুকে ভয় দেখানোর অভিযোগও রয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
গাজীপুরের টঙ্গী আউচপাড়া এলাকার একটি আবাসিক মাদ্রাসায় ছয় বছর বয়সী শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে বাবা শাহজালাল রুমি সংবাদ সম্মেলনে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে দাবি তুলেছেন। তিনি বলেছেন, তিনি মাদ্রাসায় বিচার চাইতে গিয়েছিলেন, মব সৃষ্টি করতে নয়। রুমি বলেছেন, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দাবি যে তিনি মব সৃষ্টি করেছেন এবং ফ্ল্যাট দখল করেছেন, তা সম্পূর্ণ ভুল। তিনি বলেছেন, "আমি আমার সন্তানের বিচার চাইতে মাদ্রাসায় গিয়েছিলাম, মব সৃষ্টি করতে নয়। প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ দাবি করছে, আমি নাকি মব সৃষ্টি করেছি এবং ফ্ল্যাট দখল করতে গিয়েছি। আমি কেন মব সৃষ্টি করব?"
রুমি স্বীকার করেছেন, মাদ্রাসায় একটি কাচের গ্লাস ভেঙেছেন, কিন্তু তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে কিছু ভাঙতে চাননি। তিনি বলেছেন, "আমি স্বীকার করছি, সেখানে ছোট একটি কাচের গ্লাস ভেঙেছে। আমি বলেছি, এর ক্ষতিপূরণ দিয়ে দেব। তবে শিক্ষক আসার আগেই গ্লাসটি ভেঙেছিল। ওই সময়ের ভিডিও রেকর্ডও রয়েছে। আমি ইচ্ছাকৃতভাবে কিছু ভাঙতে চাইনি।" তিনি দাবি করেছেন, মাদ্রাসায় ১৭ লাখ টাকা নিয়ে যাওয়া অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সিসিটিভি ফুটেজ দেখানো উচিত।
রুমি বলেছেন, তিনি মাদ্রাসা বা শিক্ষকদের বিরুদ্ধে নয়, শুধু সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চান। তিনি বলেছেন, "আমি দ্বীনি শিক্ষার জন্য আমার মেয়েকে সেখানে পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু যেখানে আমার সন্তান নিরাপদ থাকবে না, সেখানে এমন ঘটনা ঘটলে একজন বাবা হিসেবে আমি কী করব? আমি ইসলাম বা প্রকৃত আলেমদের বিরুদ্ধে কথা বলছি না। যারা ধর্মীয় পরিচয়কে ব্যবহার করে অপরাধ করে এবং সত্য আড়াল করার চেষ্টা করে, আমি তাদের বিরুদ্ধে কথা বলছি।"
রুমি আরও বলেছেন, ঘটনার পর তিনি এক রাতও ঠিকমতো ঘুমাতে পারেননি। তিনি দাবি করেছেন, মাদ্রাসার অধ্যক্ষের কাছে অভিযোগ জানানোর পরও কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় তিনি হতাশ। তিনি বলেছেন, "ঘটনার বিষয়ে আমি তিন দিন আগেই অধ্যক্ষকে অভিযোগ জানিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি বারবার বলেছেন, তিনি কিছু জানেন না। আমি তাঁর কক্ষের বাইরে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেছি। পরে তাঁর সঙ্গে কথা বলতে গেলে এমন আচরণ করেছেন, যেন তিনি আমার সঙ্গে দেখা করতেই চান না।"
"আমার মেয়ের সঙ্গে যে ঘটনার অভিযোগ উঠেছে, তা যদি আপনাদের নিজের সন্তানের সঙ্গে ঘটত, তাহলে আপনারা কি মেনে নিতে পারতেন? আমি আপনাদের কাছে সহযোগিতা চাই। আমার সন্তানের নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করতে সবাই এগিয়ে আসুন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজীপুরের টঙ্গী আউচপাড়া, একটি আবাসিক মাদ্রাসা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাহজালাল রুমি (শিশুটির বাবা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০ জন লোক, ১৭ লাখ টাকা, ৬ বছর বয়সী শিশু
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!