📌 গাজীপুরের শ্রীপুরে এক গার্মেন্টস শ্রমিকের স্বামীকে পাশের কক্ষে আটকে রেখে চার যুবক দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। ভুক্তভোগী নারী (২০) দুদিন পর আত্মীয়স্বজনের সহায়তায় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্তদের হুমকি ও পাহারা দিতে থাকায় তিনি দেরি করে আইনের আশ্রয় নেন
গাজীপুরের শ্রীপুরে এক গার্মেন্টস শ্রমিকের স্বামীকে পাশের কক্ষে আটকে রেখে চার যুবক দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। ভুক্তভোগী নারী (২০) দুদিন পর আত্মীয়স্বজনের সহায়তায় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্তদের হুমকি ও সার্বক্ষণিক পাহারা দিতে থাকায় তিনি দেরি করে আইনের আশ্রয় নেন। ঘটনাস্থল শ্রীপুর উপজেলার হানু মার্কেট এলাকায় অবস্থিত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাজীপুরের শ্রীপুরে গার্মেন্টস শ্রমিকের স্বামীকে আটকে রেখে চার যুবক দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে
- 📌 ভুক্তভোগী নারী (২০) শেরপুরের বাসিন্দা, শ্রীপুর ইউনিয়নের ডিবিএল গ্রুপের শ্রমিক
- 📌 স্বামীকে পাশের কক্ষে আটকে রেখে মারধর করে, ধর্ষণকারীদের হুমকি ও পাহারা দিতে থাকায় ভুক্তভোগী দুদিন ঘরবন্দী ছিলেন
- 📌 অভিযুক্তদের মধ্যে ফারুক, নয়ন, অচেনা দুজন — স্বামীকে টাকা পাওয়ার শর্ত দিয়েছিলেন
- 📌 শ্রীপুর থানার ওসি মোহাম্মদ শাহীনুর আলম আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন
- 📌 অভিযোগ দায়েরের পর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান রেনুর নেতৃত্বে সাত-আটজন অভিযুক্তদের পক্ষের লোক জড়ো হন
📰 বিস্তারিত
শ্রীপুর উপজেলার হানু মার্কেট এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকা গার্মেন্টস শ্রমিক নারী (২০) গত সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে চার যুবকের হাতে দলবদ্ধভাবে ধর্ষিত হন। অভিযোগে বলা হয়, স্বামীকে পাশের কক্ষে আটকে রেখে তাঁকে ধর্ষণ করা হয়। ভুক্তভোগী জানান, ঘটনার পর অভিযুক্তরা বাড়ির আশপাশে অবস্থান করায় তিনি দুদিন পর্যন্ত ঘরবন্দী ছিলেন। পরে আত্মীয়স্বজনের সহায়তায় তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
ভুক্তভোগী নারী শ্রীপুরের বাসিন্দা। তিনি শ্রীপুর ইউনিয়নের ডিবিএল গ্রুপের একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। তাঁর স্বামীও একই বাসায় থাকেন। গত ছয় মাস ধরে তাঁরা হারুন নামের এক ব্যক্তির বাসায় ভাড়া থাকেন। সম্প্রতি এলাকায় চুরির ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় তাঁরা বাসা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন। গত সোমবার বাড়ির মালিক হারুন অর রশিদকে তিন মাসের অগ্রিম ভাড়া পরিশোধ করে মালামাল সরানোর কাজ শুরু করেন।
ভুক্তভোগী জানান, ঘটনার সময় তাঁর স্বামীকে মারধর করে পাশের কক্ষে আটকে রাখা হয়। অভিযুক্তরা তাঁকে বলেছিলেন, তাঁর স্ত্রী টাকা আনতে গেছেন। পরে তাঁর ওপর নির্যাতনের বিষয়টি বুঝতে পারেন। বিচার চাইতে বের হওয়ার চেষ্টা করলে অভিযুক্তরা তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। ভয়ে বের হতে না পেরে পরে আত্মীয়স্বজনের সহযোগিতায় থানায় আসেন তাঁরা।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম বলেন, বিষয়টি জানার পর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এজাহারের অভিযোগ অনুযায়ী, দোকানে আইনি কার্যক্রম শুরুর পর খিলক্ষেত থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান রেনুর নেতৃত্বে সাজু, বাবলুসহ সাত-আটজন সেখানে জড়ো হন। একপর্যায়ে তাঁরা আভিযানিক দলের সদস্যদের ঘিরে ফেলেন।
"আমি তাঁদের কাছে বারবার আকুতি জানালেও তাঁরা থামেননি। ঘটনার সময় আশপাশের কেউ আমাকে উদ্ধারে এগিয়ে আসেননি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শ্রীপুর উপজেলা, গাজীপুর, হানু মার্কেট এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভুক্তভোগী নারী (২০), স্বামী, হারুন (বাড়ির মালিক), ফারুক, নয়ন, মিজানুর রহমান রেনু (বিএনপি যুগ্ম আহ্বায়ক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ (ভুক্তভোগীর বয়স), ৪ (ধর্ষণকারী), ২ (দুদিন), ৭-৮ (বিএনপি সমর্থক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!