📅 ১২ অক্টোবর ২০২৬, ৬:১০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গাজীপুর শ্রীপুরে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যা: স্বামী নিজে পুলিশকে খবর দেন

গাজীপুর শ্রীপুরে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যা: স্বামী নিজে পুলিশকে খবর দেন

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় রাতের সময় অন্তঃসত্ত্বা নারী সীমা রানী দাসকে (২৫) স্বামী উদ্ভব দাস ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করে। ঘটনার পর স্বামী নিজেই ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেপ্তার করে। পারিবারিক কলহের জেরে ঘটনাটি ঘটে বলে অভিযোগ উঠেছে

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বড়চালা এলাকায় রাতের সময় অন্তঃসত্ত্বা নারী সীমা রানী দাসকে (২৫) তার স্বামী উদ্ভব দাস ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করে। ঘটনার পর স্বামী নিজেই জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত স্বামী উদ্ভবকে আটক করে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক কলহের জেরে সীমাকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২৫ বছর বয়সী সীমা রানী দাস গাজীপুর শ্রীপুরের বড়চালা এলাকায় রাত ১০টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে তার স্বামী উদ্ভব দাসের হাতে হত্যা হন।
  • 📌 স্বামী উদ্ভব দাস নিজেই ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেন এবং ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছানোর সময় তিনি মরদেহের পাশে বসে সিগারেট টানছিলেন।
  • 📌 পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত উদ্ভবকে গ্রেপ্তার করে। মরদেহ গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
  • 📌 পারিবারিক কলহের জেরে সীমাকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় শিক্ষক শ্রী রাণী দাসের দাবি, প্রায় ছয় মাস আগে সীমাকে মারধর করে মাথা ন্যাড়া করা হয়েছিল।
  • 📌 উদ্ভবের স্বজনদের মতে, তিনি নেশাগ্রস্ত থাকতেন এবং প্রায়ই পরিবারের সদস্যদের সাথে টাকার জন্য ঝগড়া করতেন।

📰 বিস্তারিত

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ী ইউনিয়নের বড়চালা এলাকায় রোববার (১১ অক্টোবর) রাত ১০টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে অন্তঃসত্ত্বা নারী সীমা রানী দাসের হত্যা ঘটে। ঘটনার পর স্বামী উদ্ভব দাস নিজেই জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত স্বামী উদ্ভবকে আটক করে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পুলিশ পৌঁছানোর সময় উদ্ভব মরদেহের পাশে বসে সিগারেট টানছিলেন।

স্বজনদের দাবি, পারিবারিক কলহের জেরে সীমাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলাকেটে হত্যা করা হয়েছে। দীঘির চালা স্কুলের সহকারী শিক্ষক শ্রী রাণী দাসের ভাষ্য, উদ্ভবের আগে আরেকটি বিয়ে হয়েছিল। ওই সংসারে তাঁর স্ত্রীর ওপর নির্যাতনের অভিযোগ ছিল। পরে প্রথম স্ত্রী চলে গেলে ভৈরবের কুলিয়ারচর এলাকা থেকে সীমাকে পছন্দ করে বিয়ে করেন উদ্ভব। শ্রী রাণী দাসের দাবি, প্রায় ছয় মাস আগে সীমাকে মারধর করে তাঁর মাথা ন্যাড়া করে দেওয়া হয়েছিল।

স্বামীর স্বজন পবিত্র চন্দ্র দাস বলেন, উদ্ভব নেশাগ্রস্ত থাকতেন বলে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে অভিযোগ ছিল। তিনি প্রায়ই বাবার কাছে টাকা চাইতেন। টাকা না পেলে ঝগড়া করতেন। তবে মাঝেমধ্যে বাবার সঙ্গে মাছ ধরার কাজেও সহযোগিতা করতেন। উদ্ভবের ভগ্নিপতি শুবল চন্দ্র দাস বলেন, রাত পৌনে ১২টার দিকে ফোনে স্ত্রীকে হত্যার খবর পান তিনি। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে উদ্ভবকে আটক করে নিয়ে যেতে দেখেন। ঘটনার সময় বাড়ির অন্য সদস্যরা পাশের একটি কক্ষে ঘুমিয়ে ছিলেন বলে জানান তিনি।

শ্রীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম বলেন, ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী উদ্ভব দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

"পুলিশ পৌঁছানোর সময় তিনি মরদেহের পাশে বসে সিগারেট টানছিলেন"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গাজীপুর শ্রীপুর উপজেলা, বড়চালা এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সীমা রানী দাস (২৫), উদ্ভব দাস, শ্রী রাণী দাস, পবিত্র চন্দ্র দাস, শুবল চন্দ্র দাস, মোহাম্মদ শাহীনুর আলম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ বছর বয়স, ৯৯৯, ১১ অক্টোবর, ১০টা, সাড়ে ১১টা, পৌনে ১২টা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖