📌 গাজীপুরের শ্রীপুরে এক নারীকে তার দুই ছেলের সামনে ধর্ষণ করে পালিয়ে যাওয়া পলাতক আসামি মো. সোহরাব হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। দু’ছেলের মধ্যে বড়টিকে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ সোহরাবকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে
গাজীপুরের শ্রীপুরে এক নারীকে তার দুই ছেলের সামনে ধর্ষণ করে পালিয়ে যাওয়া পলাতক আসামি মো. সোহরাব হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে গত মঙ্গলবার রাতে, যেখানে ভুক্তভোগী নারী ও তার দুই ছেলেকে (৪ ও ২ বছর বয়সী) মাওনা চৌরাস্তার পানের ব্যবসায়ীর কাছে আশ্রয় নিতে হয়েছিল। সোহরাব তাদেরকে নির্জন স্থানে নিয়ে যান এবং দুই ছেলের সামনে নারীর ধর্ষণ করেন। ঘটনার পর দু’জন বন্ধু টাকার বিনিময়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন, কিন্তু ভুক্তভোগী নারী আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। বড় ছেলে গুরুতর আহত হন এবং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাজীপুর শ্রীপুরে মো. সোহরাব হোসেন (৩৫) নেত্রকোনা জেলার বাসিন্দা, পলাতক অবস্থায় থাকেন
- 📌 মাওনা চৌরাস্তায় পানের ব্যবসায়ীর কাছে আশ্রয় নেওয়া ভুক্তভোগী নারীকে সোহরাব তার দুই ছেলের সামনে ধর্ষণ করেন
- 📌 দু’ছেলের মধ্যে বড়টিকে (৪ বছর) গুরুতর আহত, হাসপাতালে ভর্তি করা হয়; ছোটটিকে (২ বছর) আহত হয়
- 📌 সোহরাবের দু’জন বন্ধু (গৌতম ও শহীদ) টাকার বিনিময়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন
- 📌 শ্রীপুর থানার ওসি মোহাম্মদ শাহীনুর আলম জানান, পুলিশ সোহরাবকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে
- 📌 ভুক্তভোগী নারীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
গাজীপুরের শ্রীপুর থানায় গত বৃহস্পতিবার রাতে ভুক্তভোগী নারী মামলা দায়ের করেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মো. সোহরাব হোসেন (৩৫) নেত্রকোনা জেলার বাসিন্দা। তিনি মাওনা চৌরাস্তায় পানের ব্যবসা করতেন। মামলার এজাহারে জানা যায়, গত মঙ্গলবার বাড়ির মালিক ভাড়া দিতে না পারায় ভুক্তভোগী নারীকে তাঁর দুই ছেলের (৪ ও ২ বছর বয়সী) সাথে বাসা থেকে বের করে দেন। কোথাও যাওয়ার জায়গা না থাকায় তারা মাওনা উড়ালসেতুর নিচে বসে ছিলেন। রাত সাড়ে ১০টায় সোহরাব তাদেরকে আশ্রয় দিতে বলে নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে তিনি দুই ছেলের সামনে নারীর ধর্ষণ করেন এবং পালিয়ে যান।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বুধবার সকালে সোহরাবের দু’জন বন্ধু (গৌতম ও শহীদ) টাকার বিনিময়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এরপর ভুক্তভোগী নারী আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। বড় ছেলে (৪ বছর) গুরুতর আহত হন এবং স্থানীয়রা তাকে নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করেন। ভুক্তভোগী নারী বলেন, বছরখানেক আগে তাঁর স্বামী তাঁকে ছেড়ে চলে যান। তিনি জৈনা বাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। ভাড়া দিতে না পারায় বাড়ির মালিক তাঁকে বাসা থেকে বের করে দেন।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম বলেন, ‘অসহায় নারীকে ধর্ষণের ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে মামলা হয়েছে। পলাতক অভিযুক্ত সোহরাবকে গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক দু’জনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’ তিনি আরও জানান, ভুক্তভোগী নারীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
"বছরখানেক আগে আমার স্বামী আমাকে ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। দুই ছেলেকে নিয়ে আমি জৈনা বাজারে ভাড়া বাসায় থাকতাম। ভাড়া দিতে না পারায় বাড়ির মালিক আমাকে বাসা থেকে বের করে দেন। সোহরাব আমাকে তার দুই ছেলের সামনে ধর্ষণ করেন। ছেলেদের ডাকচিৎকারেও সোহরাব থামেননি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজীপুর, শ্রীপুর, মাওনা চৌরাস্তা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সোহরাব হোসেন (৩৫), ভুক্তভোগী নারী, ওসি মোহাম্মদ শাহীনুর আলম, গৌতম ও শহীদ (সোহরাবের বন্ধু)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫ বছর (সোহরাবের বয়স), ৪ বছর (বড় ছেলের বয়স), ২ বছর (ছোট ছেলের বয়স), ১০:৩০ রাত (ঘটনার সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!