📌 গাজীপুরের শ্রীপুরে পান ব্যবসায়ী সোহরাব হোসেনের বিরুদ্ধে দুই সন্তানের সামনে ধর্ষণ ও আত্মহত্যা চেষ্টায় মায়ের বড় ছেলে (৪) গুরুতর আহত হয়। অভিযুক্ত পালিয়ে যান এবং ভুক্তভোগী নারীকে হুমকি দেওয়া হয়। পুলিশ তথ্য সংগ্রহ ও গ্রেপ্তার চেষ্টা করছে
গাজীপুরের শ্রীপুরে পান ব্যবসায়ী সোহরাব হোসেনের বিরুদ্ধে একটি নারীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে, যা ঘটনার পর তার দুই সন্তানের সামনে সংঘটিত হয়েছিল। ঘটনার পর ভুক্তভোগী নারী আত্মহত্যার চেষ্টা করেন, যার ফলে তার বড় ছেলে (৪ বছর) গুরুতর আহত হন। মা ও ছোট সন্তান (২ বছর) বেঁচে যান। পুলিশ তথ্য-আলামত সংগ্রহ করছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাজীপুর শ্রীপুরে পান ব্যবসায়ী সোহরাব হোসেনের বিরুদ্ধে নারীকে দুই সন্তানের সামনে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে
- 📌 আত্মহত্যা চেষ্টায় মায়ের বড় ছেলে (৪) গুরুতর আহত, মা ও ছোট সন্তান (২) বেঁচে যান
- 📌 অভিযুক্ত সোহরাব হোসেন (৩৫) পুলিশের গ্রেপ্তার চেষ্টা থেকে পালিয়ে যান
- 📌 অভিযুক্ত ভুক্তভোগী নারীর শিশু সন্তানদের হত্যার হুমকি দিয়েছেন
- 📌 শ্রীপুর থানার পুলিশ তথ্য সংগ্রহ করছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে
📰 বিস্তারিত
গত মঙ্গলবার রাতে শ্রীপুর পৌরসভার মাওনা চৌরাস্তা এলাকায় পানের আড়তসংলগ্ন স্থানে ঘটনা সংঘটিত হয়। ভুক্তভোগী নারী শ্রীপুর উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি বলেন, এক বছর আগে স্বামী তাঁকে ছেড়ে যান এবং বাসাভাড়া বকেয়া থাকায় বাড়ির মালিক তাঁকে বাসা থেকে বের করে দেন। পরে তিনি দুই সন্তান নিয়ে মাওনা চৌরাস্তার উড়ালসেতুর নিচে ফুটপাতে আশ্রয় নেন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে সোহরাব হোসেন তাঁকে আশ্রয় দেওয়ার কথা বলে পানের আড়তসংলগ্ন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে তিনি দুই শিশুসন্তানের সামনে ধর্ষণ করা হয়। নারী বলেন, আতঙ্কিত শিশুদের ডাকচিৎকার ও কান্নাকাটিতে থামেনি নির্যাতন। ধর্ষণ শেষে অভিযুক্ত পালিয়ে যান।
পরদিন বুধবার সকালে পানের আড়তে গিয়ে স্থানীয়রা বিষয়টি জানতে পারলে গৌতম ও শহীদ নামে দুই পান ব্যবসায়ী টাকা দিয়ে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। কিন্তু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় ভুক্তভোগী নারী দুই সন্তানসহ ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে গাড়ির নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। এ সময় তাঁর বড় ছেলে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। নারী আরও দাবি করেন, অভিযুক্ত পান ব্যবসায়ী হুমকি দিয়েছেন যে, অভিযোগ প্রকাশ করলে তাঁর শিশু সন্তানদের হত্যা করবেন।
অভিযুক্ত সোহরাব হোসেন (৩৫) নেত্রকোনা জেলার বাসিন্দা এবং মাওনা চৌরাস্তা এলাকায় পান ব্যবসা করেন। স্থানীয় পানের আড়তদার মহসিন আলী বলেন, ‘সোহরাব কয়েক বছর ধরে সেখানে ব্যবসা করেন। ঘটনা নিয়ে আলোচনা শুরু হলে তিনি পালিয়ে যান।’
"আশ্রয় দেওয়ার কথা বলে সোহরাব তাঁকে পানের আড়তসংলগ্ন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে দুই শিশুসন্তানের সামনে তাঁকে ধর্ষণ করা হয়। আতঙ্কিত শিশুদের ডাকচিৎকার ও কান্নাকাটিতেও থামেনি নির্যাতন।"
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম জানান, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তথ্য-আলামত সংগ্রহ করা হচ্ছে। ভুক্তভোগী নারীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আর আহত শিশুটির চিকিৎসার ব্যয়ভার বহনের দায়িত্ব নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শ্রীপুর, গাজীপুর (মাওনা চৌরাস্তা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সোহরাব হোসেন (৩৫), ভুক্তভোগী নারী, মোহাম্মদ শাহীনুর আলম (ওসি), মহসিন আলী (পান ব্যবসায়ী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: বড় ছেলে (৪ বছর), ছোট সন্তান (২ বছর), অভিযুক্তের বয়স (৩৫)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!