📌 রাষ্ট্রবিরোধী চক্রান্ত, সহিংস উসকানি ও সাইবার অপরাধের অভিযোগে অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তাকে ঢাকার আদালত ৪ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন লেফটেন্যান্ট (অব.) কাজী গুলশান আরা (৪৩) আর অন্যজন লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) দেবাশীষ (৪৭)। পুলিশের তদন্তে তাদের সঙ্গে দেশি-বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে।
রাষ্ট্রবিরোধী চক্রান্ত, সহিংস উসকানি ও সাইবার অপরাধের অভিযোগে অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তাকে ঢাকার মেট্রোপলিটন আদালতে চার দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) ঢাকার পল্লবী থানায় করা মামলায় লেফটেন্যান্ট (অব.) কাজী গুলশান আরা (৪৩) ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) দেবাশীষ (৪৭)কে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র: অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা দুজনকে সন্ত্রাসবিরোধী আইন ও সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের অধীনে মামলায় চার দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।
- 📌 সাইবার অপরাধের অভিযোগ: আসামিদের অভিযোগ, তারা ‘বঙ্গবন্ধু সেনা পরিষদ’ গঠন করে আওয়ামী লীগের পুনরুত্থান ও রাষ্ট্রবিরোধী পরিকল্পনা করছিলেন।
- 📌 গ্রেপ্তার ও আদালতে হাজির: গত রোববার (১১ অক্টোবর) পল্লবী ও বনানী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। আজ তাদের ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগ হাজির করে আদালতে।
- 📌 রিমান্ড চাওয়ার পাঁচটি কারণ: সহযোগী আসামিদের নাম চিহ্নিতকরণ, রাষ্ট্রবিরোধী চক্রান্তকারীদের শনাক্তকরণ, ডিজিটাল আলামত ও অর্থায়নের উৎস সন্ধান, রাষ্ট্রবিরোধী ওয়েবসাইটের তথ্য সংগ্রহ ও মামলার রহস্য উদ্ঘাটন।
📰 বিস্তারিত
মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) শেখ বশির আহমেদ সাত দিনের রিমান্ড চেয়েছিলেন। কিন্তু আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে দিয়েছে। আসামিদের আইনজীবী সানাউল হক টিপু জানান, অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মনসুর রিপন রিমান্ড বাতিল চেয়ে শুনানি করেন।
তদন্তে জানা যায়, আসামিরা পল্লবী থানাধীন একটি বাসায় অবস্থান করে ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাপোর্টারস আলফা’ ও ‘বিবিএম ট্রান্সফারেন্সি’ নামের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খুলে রাষ্ট্রবিরোধী ও সহিংস উসকানিমূলক ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করছিলেন। তারা ‘ইউনিটি কেয়ার’ ও ‘পাবলিক পার্লামেন্ট’ নামের প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ ও অন্য পলাতক নেতাদের সঙ্গে যোগসাজশে আওয়ামী লীগের পুনরুত্থান ও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। এছাড়া ‘কালআজকাল ডটকম’ নামের ফেসবুক পেজ ব্যবহার করে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা চালিয়েছিলেন।
২০১৮ সালে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে আসামিরা তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে ‘বঙ্গবন্ধু সেনা পরিষদ’ গঠন করেন এবং পরে ১০১ সদস্যের একটি কমিটি তৈরি করেন। তদন্তে তাদের সঙ্গে দেশি-বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে।
"আসামিরা রাষ্ট্রবিরোধী কাজে জড়িত দেশি ও বিদেশি চক্রান্তকারীদের শনাক্ত করার লক্ষ্যে রিমান্ড চাওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার পল্লবী ও বনানী এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কাজী গুলশান আরা (৪৩), দেবাশীষ (৪৭), পুলিশ পরিদর্শক শেখ বশির আহমেদ, ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ দিনের রিমান্ড, ৪৩ বছর (গুলশান আরা), ৪৭ বছর (দেবাশীষ), ১০১ সদস্যের কমিটি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!