📌 সাবেক লেফটেন্যান্ট কর্নেল দেবাশীষ কুমার বড়ুয়া (৪৭) ও লেফটেন্যান্ট কাজী গুলশান আরার (৪৩)কে সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়। আদালত তাদের চারদিনের রিমান্ড অনুমোদন দিয়েছে। তাদের সঙ্গে সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ ও পলাতক শীর্ষ নেতাদের যোগাযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে
সাবেক সেনা কর্মকর্তা দুজনের বিরুদ্ধে সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ঢাকার আদালত চারদিনের রিমান্ড অনুমোদন দিয়েছে। লেফটেন্যান্ট কর্নেল দেবাশীষ কুমার বড়ুয়া (৪৭) ও লেফটেন্যান্ট কাজী গুলশান আরার (৪৩)কে ১৩ অক্টোবর সোমবার রাজধানীর পল্লবী ও বনানী এলাকায় বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে গোপন যোগাযোগ, সরকারবিরোধী প্রচারণা চালানোর অভিযোগ রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাবেক সেনা কর্মকর্তা দুজন — লেফটেন্যান্ট কর্নেল দেবাশীষ কুমার বড়ুয়া (৪৭) ও লেফটেন্যান্ট কাজী গুলশান আরার (৪৩) —কে সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়।
- 📌 আদালত চারদিনের রিমান্ড অনুমোদন — ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম সোমবার (১৩ অক্টোবর) শুনানির পর তাদের চারদিনের জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন।
- 📌 সাবেক নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের প্রমাণ — তাদের সঙ্গে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ ও পলাতক শীর্ষ নেতাদের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।
- 📌 অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগ — তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারবিরোধী কনটেন্ট তৈরি ও প্রচার করে দেশের স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করছিলেন।
- 📌 গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ — তাদের সঙ্গে দেশি-বিদেশি গুপ্তচরদের যোগাযোগেরও সন্দেহ রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
রোববার (১২ অক্টোবর) রাত ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত পরিচালিত বিশেষ অভিযানে রাজধানীর পল্লবী ও বনানী ডিওএইচএস এলাকায় তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার হওয়ার আগে তারা দীর্ঘদিন ধরে সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করছিলেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, তারা ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে ২০২৬ সালের ১১ অক্টোবর পর্যন্ত সরকারবিরোধী প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন।
রাষ্ট্রপক্ষে প্রসিকিউটর হারুন-অর-রশীদ বলেন, আসামিরা সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ ও পলাতক শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছিলেন। তাদের উদ্দেশ্য ছিল আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসিত করা এবং রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হওয়া। তিনি আরও বলেন, তাদের সঙ্গে দেশি-বিদেশি গুপ্তচরদের যোগাযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে এবং অভ্যন্তরীণ বিষয় গুপ্তচরদের কাছে পাচার করা হয়েছিল।
ডিএমপি মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আকতার হোসেন জানান, গ্রেফতার হওয়া সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তা সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করছিলেন। তারা নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে গোপন যোগাযোগ রক্ষা করছিলেন। সাইবার অপরাধের মাধ্যমে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়ার পরই তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
"আসামিরা বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও ফেসবুক পেজ ব্যবহার করে সরকারবিরোধী প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা চালান। তাদের সঙ্গে দেশি-বিদেশি গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (পল্লবী ও বনানী এলাকা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লেফটেন্যান্ট কর্নেল দেবাশীষ কুমার বড়ুয়া, লেফটেন্যান্ট কাজী গুলশান আরার, ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম, প্রসিকিউটর হারুন-অর-রশীদ, উপপুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৭ (দেবাশীষ কুমার বড়ুয়ার বয়স), ৪৩ (কাজী গুলশান আরারের বয়স), ১৩ (অক্টোবর), ১২ (টা), ৩ (টা), ৫ (আগস্ট), ১১ (অক্টোবর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!