📅 ১১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৫১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ফরিদপুরে জমি দখলের জালিয়াতিতে জোরপূর্বক স্বাক্ষর: কৃষক নেতা ও প্রতিপক্ষের পাল্টা দাবি

ফরিদপুরে জমি দখলের জালিয়াতিতে জোরপূর্বক স্বাক্ষর: কৃষক নেতা ও প্রতিপক্ষের পাল্টা দাবি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ফরিদপুরের গেরদা ইউনিয়নের নিখুরদি গ্রামে জমি দখলের মামলায় জোরপূর্বক সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কৃষক দল নেতা সোলায়মান হোসাইন দাবি করেন, সালিস মীমাংসায় জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়া হয়, কিন্তু প্রতিপক্ষের দাবি ভিন্ন। পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে উভয়পক্ষের বিরোধের বিস্তারিত প্রকাশ পায়

ফরিদপুরের গেরদা ইউনিয়নের নিখুরদি গ্রামে জমি দখলের মামলায় জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ ও পাল্টা প্রতিবাদে উঠে এসেছে একটি বিরোধ। কৃষক দল নেতা অ্যাড. সোলায়মান হোসাইন ও প্রতিপক্ষের সদস্য ইউসুফ হোসেন নূর উভয়ই আলোচিত সালিস মীমাংসায় স্বাক্ষর নেওয়ার পদ্ধতির বিরুদ্ধে দাবি তুলে ধরেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জোরপূর্বক স্বাক্ষর: ফরিদপুরে জমি দখলের সালিস মীমাংসায় ইউসুফ হোসেন নূর দাবি করেন, প্রতিপক্ষের সদস্যরা জোরপূর্বক সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, আলতাফ হোসেনের পরিবারের সদস্যরা স্বাক্ষর নেওয়ার সময় ধমকি দেন।
  • 📌 পাল্টা সংবাদ সম্মেলন: কৃষক দল নেতা সোলায়মান হোসাইন অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, সালিসে স্বাক্ষর নেওয়া হয় স্বেচ্ছায়। তিনি দাবি করেন, ভিডিওটি এডিট করা হয়েছে।
  • 📌 জমির বিরোধ: ১৯৯২ সালের ১১ জানুয়ারি ইয়াকুব আলীর দাদা ইসমাইল হোসেন জমি কবলামূলে দলিল দেন। কিন্তু প্রতিপক্ষের দাবি, ১৯৯১ সালের ২৪ ডিসেম্বর জমি বিক্রি হয়েছিল।
  • 📌 হামলা ও সালিস: ২০২৫ সালের ২৩ জুন সোলায়মান হোসাইনের বাড়িতে সংবাদ সম্মেলনের সময় হামলা হয়। পরবর্তীতে ১২ জুলাই সালিস মীমাংসায় সিদ্ধান্ত হয়, ১৫ শতক জমি দখল বুঝিয়ে দেওয়া হবে।
  • 📌 মানববন্ধন: বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে মানববন্ধন হয়।

📰 বিস্তারিত

ফরিদপুরের গেরদা ইউনিয়নের নিখুরদি গ্রামে জমি দখলের বিরোধে উঠে এসেছে একটি জটিল ঘটনা। কৃষক দল নেতা অ্যাড. সোলায়মান হোসাইন দাবি করেন, তাঁর বাবা ইয়াকুব আলীর মৃত্যুর পর পৈতৃক জমি দখলে নেন প্রতিপক্ষের সদস্য আলতাফ হোসেন। সোলায়মান হোসাইন বলেন, তাঁর দাদা ইসমাইল হোসেন ১৯৯২ সালের ১১ জানুয়ারি জমি কবলামূলে দলিল দিয়েছিলেন। কিন্তু প্রতিপক্ষের দাবি, ১৯৯১ সালের ২৪ ডিসেম্বর জমি বিক্রি হয়েছিল।

২০২৫ সালের ২৩ জুন সোলায়মান হোসাইনের বাড়িতে সংবাদ সম্মেলনের সময় হামলা হয়। পরবর্তীতে ১২ জুলাই সালিস মীমাংসায় সিদ্ধান্ত হয়, ১৫ শতক জমি দখল বুঝিয়ে দেওয়া হবে। সোলায়মান হোসাইন দাবি করেন, সালিসে উভয়পক্ষ স্বাক্ষর করে। কিন্তু ইউসুফ হোসেন নূর দাবি করেন, জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়া হয়। তিনি ভিডিও হস্তান্তর করেন, যেখানে দেখা যায়, আলতাফ হোসেনের পরিবারের সদস্যরা স্বাক্ষর নেওয়ার সময় ধমকি দেন।

সোলায়মান হোসাইন বলেন, ভিডিওটি এডিট করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, সালিসে সবার সম্মতিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে ইউসুফ হোসেন নূর দাবি করেন, সালিসের সময় জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়া হয়। তিনি বলেন, ‘আমরাতে মজলুম, আমাদের ধইর্যা মারেন’।

"পৈতৃক সম্পত্তি ফিরে পাওয়ার দাবিতে ২০২৫ সালের ২৩ জুন আমার বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। ওই সময় সাংবাদিকদের সামনেই আমার এবং আমার পরিবারের ওপর হামলা চালিয়ে আহত করা হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে ওই বছরের ১২ জুলাই সালিস মীমাংসা ডাকা হয়। যেখানে তাঁরা স্বেচ্ছায় গিয়েছিল এবং সালিসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমাকে ১৫ শতক জমি দখল বুঝিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয় এবং উভয়পক্ষই স্বাক্ষর করে।"

এদিকে, বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে মানববন্ধন হয়। আজ রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জয়ন্তীবাড়ী দারুলহুদা বালিকা দাখিল মাদ্রাসার সামনে সড়কে মানববন্ধন করা হয়।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ফরিদপুর সদর উপজেলা, গেরদা ইউনিয়ন, নিখুরদি গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অ্যাড. সোলায়মান হোসাইন, ইউসুফ হোসেন নূর, আলতাফ হোসেন, ইয়াকুব আলী, ইসমাইল হোসেন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ জানুয়ারি ১৯৯২, ২৪ ডিসেম্বর ১৯৯১, ২৩ জুন ২০২৫, ১২ জুলাই ২০২৫, ১৫ শতক জমি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖