📌 ফরিদপুরে পিবিআই গ্রেফতার করেছে 'জিনের বাদশা' চক্রের দুই সদস্য। তারা মোবাইল ক্লোন করে চাল ব্যবসায়ীকে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা প্রত্যারণা করেছিল। আসামিরা হলো ভোলার রাজিব (২৮) ও সুমন হাওলাদার (২৬)
ফরিদপুরে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) 'জিনের বাদশা' চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে। তারা মোবাইল নম্বর ক্লোন করে চাল ব্যবসায়ীকে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা প্রত্যারণা করেছিল। বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল ১১টায় পিবিআই ফরিদপুর জেলা কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলাম এই ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফরিদপুরে পিবিআই গ্রেফতার করেছে 'জিনের বাদশা' চক্রের দুই সদস্য — রাজিব (২৮) ও সুমন হাওলাদার (২৬)
- 📌 তারা মোবাইল নম্বর ক্লোন করে রাজবাড়ীর চাল ব্যবসায়ী রশিদুল ইসলামকে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা প্রত্যারণা করেছিল
- 📌 আসামিরা জিনের বাদশা, তান্ত্রিক ও কবিরাজের ছদ্মবেশে টাকা আত্মসত্তা করতো
- 📌 গ্রেফতারকৃতরা ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে এবং চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতার প্রক্রিয়া চলছে
📰 বিস্তারিত
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা হলো ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন থানার মুলপাত্তম গ্রামের রমজান শেখের ছেলে মো. রাজিব (২৮) ও ফুলকাচিয়া গ্রামের মৃত মোসলেম হাওলাদারের ছেলে সুমন হাওলাদার (২৬)। তারা ২০২৪ সালের ২৫ মার্চ সকাল ১০টায় বিজয় বাবুর মোবাইল নম্বর ক্লোন করে রাজবাড়ী জেলার বিনোদপুর বাজারের চাল ব্যবসায়ী রশিদুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ শুরু করে। তারা রশিদুলকে সুলভ মূল্যে ৩৩ টন চাল কেনার প্রলোভন দিলে তিনি বিশ্বাস করে ৫০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে মোট ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা পরিশোধ করেন। কিন্তু বিকেল ৪টায় চাল পৌঁছানোর আশ্বাস পেলেও চাল আসেনি। পরে রশিদুল বুঝতে পারেন নিজের নম্বর ক্লোন করা হয়েছে এবং তিনি প্রত্যারণার শিকার হয়েছেন।
রশিদুল রাজবাড়ী সদর থানায় মামলা দায়ের করেন, কিন্তু স্থানীয় পুলিশ কোনো কার্যক্রম করতে না পারায় আট মাস পরে পিবিআই হস্তান্তর করা হয়। গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহযোগিতায় গত ১৯ অক্টোবর রাতে ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন থানার কুঞ্জেরহাট থেকে দুজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলাম জানান, এই চক্রের সদস্যরা জিনের বাদশা, তান্ত্রিক ও কবিরাজের ছদ্মবেশে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান প্রদানের প্রলোভন দিতো। তারা মোবাইল ক্লোন করে কথা বলতো, ভুক্তভোগীর তথ্য সংগ্রহ করতো এবং বিকাশ-নগদের মাধ্যমে টাকা আত্মসত্তা করতো। গ্রেফতারকৃতরা আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে এবং চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেফতার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
"আসামিরা জিনের বাদশা, তান্ত্রিক ও কবিরাজের ছদ্মবেশে নানা উপায়ে টাকা আত্মসত্তা করতো। তারা মোবাইল ক্লোন করে প্রত্যারণা চালাতো এবং বিকাশ-নগদের মাধ্যমে টাকা আউট করতো।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফরিদপুর, ভোলা, রাজবাড়ী, বোরহানউদ্দিন থানা, কুঞ্জেরহাট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. রাজিব (২৮), সুমন হাওলাদার (২৬), মো. রবিউল ইসলাম (পুলিশ সুপার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ জন গ্রেফতার, ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা প্রত্যারণা, ৩৩ টন চাল, ৫০ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!