📅 ৮ অক্টোবর ২০২৬, ১:১৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ফরিদপুরে মিথ্যা ধর্ষণ মামলায় বাদী-স্বামীকে তিন বছর কারাদণ্ড, আসামিকে অব্যাহতি

ফরিদপুরে মিথ্যা ধর্ষণ মামলায় বাদী-স্বামীকে তিন বছর কারাদণ্ড, আসামিকে অব্যাহতি

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ফরিদপুরে মিথ্যা ধর্ষণ মামলায় বাদী রিনা আক্তার (৩৭) ও তার স্বামী মাসুদ বেপারী (৪৪)কে তিন বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আদালত মামলাটিকে মিথ্যা প্রমাণিত করে আসামিকে অব্যাহতি দিয়েছে

ফরিদপুরে মিথ্যা ধর্ষণ মামলায় বাদী ও তার স্বামীকে তিন বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ শামীমা পারভীন বুধবার (৭ অক্টোবর) রায় ঘোষণা করেন। মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় আসামিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ফরিদপুরে মিথ্যা ধর্ষণ মামলায় বাদী রিনা আক্তার (৩৭) ও তার স্বামী মাসুদ বেপারী (৪৪)কে তিন বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে
  • 📌 মামলায় আসামিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং ১১ জন আসামিকে আগেই খালাস দেওয়া হয়েছিল
  • 📌 ২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট রাত ১১টার দিকে ঘটনাটি ঘটার কথা বলা হয়েছিল, কিন্তু সাক্ষ্য ও জেরায় অসংগতি পাওয়া গিয়েছিল
  • 📌 আসামিপক্ষের আইনজীবী বশীর আহমদ চৌধুরী বলেছেন, বাদী ও তার স্বামীর বক্তব্যে অসংগতি ছিল
  • 📌 দণ্ডপ্রাপ্ত দম্পতিকে ফরিদপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে

📰 বিস্তারিত

ফরিদপুর সদরপুর উপজেলার ঢেউখালী ইউনিয়নের টানচর ওয়াজ হাওলাদারের ডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা রিনা আক্তার (৩৭) ও তার স্বামী মাসুদ বেপারী (৪৪)কে মিথ্যা ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে তিন বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বিচারক শামীমা পারভীন বুধবার রায় ঘোষণা করেন। মামলাটি ২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট রাত সাড়ে ১১টায় ঘটার কথা বলা হয়েছিল, কিন্তু সাক্ষ্য ও জেরায় অসংগতি পাওয়া গিয়েছে।

মামলায় মাসুদ বেপারী ছিলেন প্রথম সাক্ষী। আদালত সূত্র ও মামলার নথি থেকে জানা যায়, রিনা আক্তার ঘরের বাইরে বের হলে এক ব্যক্তি ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়। পরে তার স্বামী মাসুদ বেপারী ও ননদের স্বামী শাহাবুদ্দিন বেপারীর ওপর হামলার অভিযোগও তোলা হয়। এসব ঘটনায় ১২ জনকে আসামি করে ২০২৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর মামলা দায়ের করা হয়।

সদরপুর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলাম তদন্ত করেন। তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ১৭ নভেম্বর দেওয়া প্রতিবেদনে মামলার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়। পরে ২০২৫ সালের ৩০ জুলাই আদালত মামলাটি আমলে নেন। অভিযোগ গঠন ও বিচারিক কার্যক্রম শেষে বুধবার সাক্ষ্যগ্রহণের সময় বাদী ও তার স্বামীর বক্তব্যে অসংগতি ধরা পড়ে। আসামিপক্ষের আইনজীবী বশীর আহমদ চৌধুরী তাদের জেরা করেন এবং দীর্ঘ জেরায় অসংগতি উঠে আসে।

"দীর্ঘ জেরায় বাদী ও তার স্বামীর বক্তব্যে অসংগতি ধরা পড়ে। আদালত সাক্ষ্য-জেরা পর্যালোচনা করে মামলাটি মিথ্যা হিসেবে ঘোষণা করেছেন। মিথ্যা মামলা দায়েরের দায়ে তাদের প্রত্যেককে তিন বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ফরিদপুর জেলা, সদরপুর উপজেলা, ঢেউখালী ইউনিয়ন, টানচর ওয়াজ হাওলাদার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রিনা আক্তার (৩৭), মাসুদ বেপারী (৪৪), বিচারক শামীমা পারভীন, আসামিপক্ষের আইনজীবী বশীর আহমদ চৌধুরী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ বছর (কারাদণ্ড), ১২ জন আসামি, ২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট, ১১ জন খালাস

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖