📌 পল্লবীতে এসআরবি-৪র অভিযানে 'ফোর স্টার' গ্যাংয়ের ৮ সদস্যকে বিদেশি পিস্তল, ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারদের মধ্যে একজনকে 'উদীয়মান শুটার' হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অভিযান চলাকালীন গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে
পল্লবীতে এসআরবি-৪র তৎপরতায় 'ফোর স্টার' গ্যাংয়ের ৮ সদস্যকে বিদেশি অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযান চলাকালীন গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজনকে 'উদীয়মান শুটার' হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়া মাদক ও নগদ টাকাও উদ্ধার করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পল্লবীতে এসআরবি-৪র অভিযানে 'ফোর স্টার' গ্যাংয়ের ৮ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়, তাদের মধ্যে একজনকে 'উদীয়মান শুটার' হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে
- 📌 গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে আফসার হোসেন জিমের কাছ থেকে বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়
- 📌 জাহাঙ্গীর হোসেনের কাছ থেকে ২৫টি ইয়াবা ও ১৬ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়
- 📌 গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে, তাদের মধ্যে মিশন ইসলামের বিরুদ্ধে দুটি দস্যুতার মামলা রয়েছে
- 📌 গ্রেপ্তারকৃতরা পল্লবী, মিরপুর ও রূপনগর এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, দখল, চাঁদাবাজি ও অস্ত্রের মহড়ায় জড়িত ছিলেন
📰 বিস্তারিত
পল্লবী থানার সিরামিকস ও ১২ নম্বর ঝিলপাড়া এলাকায় গত মঙ্গলবার রাতে এসআরবি-৪র অভিযান চালিয়ে 'ফোর স্টার' গ্যাংয়ের ৮ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসআরবি-৪ আজ বুধবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায়। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের নাম হলেন মো. জুয়েল রানা (২৬), মো. সায়মন (২০), মো. রমজান (২২), মো. বিজয় (২৩), মো. ফজলে রাব্বি চিকু (২৩), আফসার হোসেন জিম, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ও মো. মিশন ইসলাম ওরফে মিনহাজুল ইসলাম।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে আফসার হোসেন জিমকে 'ফোর স্টার' গ্রুপের উদীয়মান শুটার হিসেবে পরিচিত করা হয়েছে। তিনি মশিউর ও মামুনের পক্ষে বিভিন্ন জায়গা দখল, হোটেলকক্ষে আটকে ব্ল্যাকমেল এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সায়মন গ্রুপের হয়ে অস্ত্র পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি গুলিবর্ষণের ঘটনায় সরাসরি অংশ নিতেন। অন্যদিকে, জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে দাদা জাহাঙ্গীর এলাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণ করতেন বলে জানানো হয়। তাঁর বিরুদ্ধে দুটি মাদক মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। আফসার হোসেন জিমের বিরুদ্ধে পল্লবী থানায় দুটি মামলা রয়েছে। রমজানের বিরুদ্ধে দুটি মামলা এবং ফজলে রাব্বি চিকুর বিরুদ্ধে একটি মামলা রয়েছে। মিশন ইসলামের বিরুদ্ধে দুটি দস্যুতার মামলা রয়েছে। এছাড়া, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে পল্লবী, মিরপুর ও রূপনগর এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, দখল, চাঁদাবাজি, অস্ত্রের মহড়া ও সশস্ত্র শোডাউনের মতো কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
"গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা পল্লবী, মিরপুর ও রূপনগর এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, দখল, চাঁদাবাজি, অস্ত্রের মহড়া ও সশস্ত্র শোডাউনের মতো কর্মকাণ্ডে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধ নিয়ে সংবাদ প্রচারের জেরে এক সাংবাদিকের বাসায় হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনাও ঘটেছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পল্লবী, ঝিলপাড়া, মিরপুর, রূপনগর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আফসার হোসেন জিম, জাহাঙ্গীর হোসেন, মিশন ইসলাম ওরফে মিনহাজুল ইসলাম, সায়মন, জুয়েল রানা, রমজান, বিজয়, ফজলে রাব্বি চিকু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ জন সদস্য, ২৬ বছর (জুয়েল রানা), ২০ বছর (সায়মন), ২২ বছর (রমজান), ২৩ বছর (বিজয়), ২৫টি ইয়াবা, ১৬ হাজার টাকা, ১২ নম্বর ঝিলপাড়া
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!