📌 ফেনীতে ছাত্রদল নেত্রী চুমকি আক্তারের স্বামী মো. আলা উদ্দিন আদালতে মামলা করেন। অভিযোগ, যুবদল নেতা গিয়াস উদ্দিন মীরের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে হয়রানি ও হুমকি দেওয়া হয়। মামলায় আসামি করা হয় চুমকি আক্তার, তৈয়ব ও গিয়াস উদ্দিন মীরকে
ফেনী সদর উপজেলায় ছাত্রদল নেত্রী চুমকি আক্তারের বিরুদ্ধে তার স্বামী মো. আলা উদ্দিন আদালতে মামলা করেছেন। অভিযোগ, যুবদল নেতা গিয়াস উদ্দিন মীরের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও হুমকি দেওয়া হয়। মামলায় আসামি করা হয়েছে চুমকি আক্তার ছাড়াও তৈয়ব ও গিয়াস উদ্দিন মীরকে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৭ সেপ্টেম্বর ফেনীর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মো. আলা উদ্দিন ১০৭/১১৭(সি) ধারা অনুযায়ী মামলা দায়ের করেন।
- 📌 বাদী অভিযোগ করেন, স্ত্রী চুমকি আক্তারের সঙ্গে যুবদল নেতা গিয়াস উদ্দিন মীরের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে তার ও পরিবারের বিরুদ্ধে হয়রানি ও হুমকি দেওয়া হয়।
- 📌 ২৫ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় বাসার সামনে আসামি তৈয়ব ও গিয়াস উদ্দিন মীর তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং খুন করে লাশ গুম করার হুমকি দেন।
- 📌 মাদক মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করার হুমকিও দেওয়া হয় বাদী ও তার পরিবারের ভাই-বোনদের।
- 📌 ২৩ সেপ্টেম্বর ফেসবুক লাইভে মহিলা দলকে ‘নষ্ট দল’ বলে মন্তব্য করার পর জেলা মহিলা দল তাকে মানহানির মামলা করার হুঁশিয়ারি দেয়।
- 📌 একই লাইভে সাংবাদিকদের মানহানিকর বক্তব্য ও হুমকির অভিযোগে ফেনী মডেল থানায় চারটি সাধারণ ডায়েরি করেন চার সাংবাদিকসহ এক সম্পাদক।
- 📌 ২৫ সেপ্টেম্বর দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে চুমকি আক্তারকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নোটিশ দেয় ফেনী জেলা ছাত্রদল।
📰 বিস্তারিত
ফেনী সদর উপজেলায় ছাত্রদল নেত্রী চুমকি আক্তারের স্বামী মো. আলা উদ্দিন রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ফেনীর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, বাদীকে তার নিজ বাসার সামনে দেখতে পেয়ে আসামি তৈয়ব ও যুবদল নেতা গিয়াস উদ্দিন মীর তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। বাদী জানতে চাইলে আসামিরা খুন করে লাশ গুম করার হুমকি দেন। এছাড়াও, মাদক মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করার হুমকিও দেওয়া হয় বাদী ও তার পরিবারের ভাই-বোনদের।
মামলায় বাদী অভিযোগ করেন, স্ত্রী চুমকি আক্তারের চলাফেরা ও বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ নিয়ে প্রশ্ন তোলার পর তাদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এ বিরোধের জেরে তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও মামলায় জড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে।
এই ঘটনার আগে, ২৩ সেপ্টেম্বর ফেসবুক লাইভে মহিলা দলকে ‘নষ্ট দল’ বলে মন্তব্য করার পর জেলা মহিলা দল তাকে মানহানির মামলা করার হুঁশিয়ারি দেয়। একই লাইভে সাংবাদিকদের মানহানিকর বক্তব্য ও হুমকির অভিযোগে ফেনী মডেল থানায় চারটি সাধারণ ডায়েরি করেন এক সম্পাদকসহ চার সাংবাদিক। এরপর ২৫ সেপ্টেম্বর দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে চুমকি আক্তারকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নোটিশ দেয় ফেনী জেলা ছাত্রদল।
"গত ২৫ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টার দিকে বাদীকে তার নিজ বাসার সামনের রাস্তায় দেখতে পেয়ে ২ ও ৩ নম্বর আসামি তৈয়ব ও গিয়াস উদ্দিন মীর তাকে বিভিন্ন অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। তাদের কর্মকাণ্ডের বিষয়ে জানতে চাইলে বেশি বাড়াবাড়ি করলে খুন করে লাশ গুম করে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফেনী সদর উপজেলা, ফেনী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আলা উদ্দিন, চুমকি আক্তার, গিয়াস উদ্দিন মীর, তৈয়ব, সাংবাদিকদের
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২৩ সেপ্টেম্বর, ১০৭/১১৭(সি), ১১ টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!