📅 ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ফেনী মাদ্রাসা হত্যাকাণ্ড মামলায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল: সিরাজ উদ্দৌলা ও তিন আসামির দাবি খালাস

ফেনী মাদ্রাসা হত্যাকাণ্ড মামলায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল: সিরাজ উদ্দৌলা ও তিন আসামির দাবি খালাস

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ফেনীর সোনাগাজী মাদ্রাসায় নুসরাত জাহান রাফির হত্যাকাণ্ড মামলায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করেছেন তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদ্দৌলা ও তিন আসামি। রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুজনের মধ্যে একজন অধ্যক্ষের আপিল, আর তিন আসামির দাবি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড থেকে খালাস

ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় ২০১৯ সালে নুসরাত জাহান রাফির নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ড মামলায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের পথে এগিয়ে আসছেন মামলার প্রধান আসামি ও তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদ্দৌলা। এছাড়াও তিন আসামি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত থাকায় তাদেরও আপিলের অনুমতি চেয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সিরাজ উদ্দৌলা ও জাবেদ হোসেন (সাখাওয়াত), সাইফুর রহমান জুবায়ের ও উম্মে সুলতানা (পপি) হাইকোর্টের রায় থেকে খালাস চেয়ে আপিল দায়ের করেছেন।
  • 📌 হাইকোর্টের ২৪ আগস্টের রায়ে সিরাজ উদ্দৌলা ও শাহাদাত হোসেন শামীমকে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়, আর জুবায়ের, পপি ও সাখাওয়াতকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
  • 📌 মামলায় ১৬ আসামির মধ্যে ১০ জনকে খালাস দেওয়া হয়, বাকি ৬ জনের মধ্যে ২ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ৪ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
  • 📌 ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ নুসরাতের শ্লীলতাহানি করে শুরু হয় মামলা, পরে ৬ এপ্রিল তাকে আগুনে জ্বালিয়ে হত্যা করা হয়।
  • 📌 ১১২ পৃষ্ঠার হাইকোর্টের রায় ৯ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়।

📰 বিস্তারিত

ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসায় ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদ্দৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফির শ্লীলতাহানি করেন। পরে মামলা হলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়।

মামলায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়। ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদ্দৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

হাইকোর্টের ১১২ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়ে ১৬ আসামির মধ্যে মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদ্দৌলা ও শিক্ষার্থী শাহাদাত হোসেন শামীমকে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়। অন্যদিকে, নূর উদ্দিন, জাবেদ হোসেন (সাখাওয়াত), সাইফুর রহমান জুবায়ের ও উম্মে সুলতানা (পপি)কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বাকি ১০ জনকে খালাস দেওয়া হয়।

"হাইকোর্টের রায়ে ১৬ জনের মধ্যে ১০ জনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। ১০ জনই কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। আর ছয়জনকে সাজা দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দুজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। যে দুজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে তাঁর মধ্যে অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা এবং যে চারজনকে যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয়েছে তাঁদের মধ্যে জুবায়ের, পপি ও জাবেদের পক্ষ থেকে আমরা আপিল দায়ের করেছি।"

আজ বুধবার ঢাকার হাইকোর্ট বিভাগের বর্ধিত ভবনের সামনে অনুষ্ঠিত ব্রিফিংয়ে মামলার চার আসামির জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ও জায়েদ বিন আমজাদ এই তথ্য জানান।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ফেনী (সোনাগাজী মাদ্রাসা), ঢাকা (হাইকোর্ট)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সিরাজ উদ্দৌলা, জাবেদ হোসেন (সাখাওয়াত), সাইফুর রহমান জুবায়ের, উম্মে সুলতানা (পপি), মোহাম্মদ শিশির মনির, জায়েদ বিন আমজাদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ জন আসামি, ১০ জন খালাস, ৬ জন সাজা, ২ জন মৃত্যুদণ্ড, ৪ জন যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ১১২ পৃষ্ঠা রায়, ২৭ মার্চ-১০ এপ্রিল ২০১৯

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖