📌 ফেনী জেলা বিএনপির দুই নেতা সাইফুর রহমান রতন ও কামরুল হাসান মাসুদের মধ্যে সড়ক উন্নয়নকাজে দ্বন্দ্বে মামলা দায়ের ও চাঁদা দাবির অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সাত দিনের মধ্যে তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে
ফেনী জেলা বিএনপির দুই নেতা সাইফুর রহমান রতন ও কামরুল হাসান মাসুদের মধ্যে সড়ক উন্নয়নকাজে বিরোধের ঘটনায় জেলা বিএনপি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। সাত দিনের মধ্যে তদন্ত শেষে লিখিত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এই দ্বন্দ্বে সড়ক কাজ বন্ধ করে দেওয়া ও চাঁদা দাবির অভিযোগে দুটি মামলা দায়ের হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফেনী জেলা বিএনপি সড়ক উন্নয়নকাজে নেতা-ঠিকাদার দ্বন্দ্ব তদন্তের জন্য ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে।
- 📌 সাইফুর রহমান রতন ও ঠিকাদার এনায়েত উল্যাহ স্বপন কামরুল হাসান মাসুদের বিরুদ্ধে দুটি মামলা দায়ের করেছেন।
- 📌 রতনের অভিযোগ: ২ কোটি ৮ লাখ টাকার সড়ক কাজে ৫-৭ শতাংশ চাঁদা দাবি ও মারধর করা হয়েছে।
- 📌 মাসুদ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং ষড়যন্ত্রের দাবি করেছেন।
- 📌 তদন্ত কমিটির প্রধান: ফেনী জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এয়াকুব নবী।
📰 বিস্তারিত
ফেনী সদর উপজেলার দৌলতপুর-ধলিয়া এলাকায় জেলা বিএনপির সদস্য ও ঠিকাদার সাইফুর রহমান রতনের প্রতিষ্ঠান রাতুল এন্টারপ্রাইজের দুটি সড়কের নির্মাণকাজে চাঁদা দাবির ঘটনায় বিরোধের সূত্রপাত হয়। রতনের অভিযোগ, প্রায় ২ কোটি ৮ লাখ টাকার কাজে ৫ থেকে ৭ শতাংশ হারে চাঁদা দাবি করা হয় এবং টাকা না দিলে কাজ বন্ধ রাখার হুমকি দেওয়া হয়। এই ঘটনায় রতন ও ঠিকাদার এনায়েত উল্যাহ স্বপন ফেনী মডেল থানায় পৃথক অভিযোগ দিয়েছেন। পরদিন রোববার ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তারা দুটি মামলা করেন।
মাসুদ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) ফেনী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহারের স্বাক্ষরিত চিঠিতে তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানানো হয়। চিঠিতে বলা হয়, সড়ক উন্নয়নকাজকে কেন্দ্র করে দুই নেতার মধ্যে বাক-বিতণ্ডা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ায় দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয়েছে ফেনী জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এয়াকুব নবীকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন অ্যাডভোকেট পার্থ পাল চৌধুরী ও কফিল উদ্দিন মান্নান।
রতনের আরও অভিযোগ, ফেনী সদর উপজেলার বালিগাঁও ইউনিয়নের চরহুজুরী সড়কের সংস্কারকাজ শেষ হওয়ার পর মাসুদ ও সহযোগীরা কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় এবং চাঁদা না দিলে মারধর করা হয়। অন্য ঠিকাদার এনায়েত উল্যাহ স্বপনও অভিযোগ করেন, ঠিকাদারি কাজের শিডিউল কেনার সময় মাসুদ ও ফেনী পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী জাকির উদ্দিনের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয় এবং মারধরের হুমকি দেওয়া হয়।
"আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অংশ। এনায়েত উল্যাহ স্বপন তাঁর বিরুদ্ধে জায়গা-সংক্রান্ত অভিযোগ থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন"
— কামরুল হাসান মাসুদ
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফেনী সদর উপজেলা, দৌলতপুর-ধলিয়া, বালিগাঁও ইউনিয়ন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাইফুর রহমান রতন, কামরুল হাসান মাসুদ, এয়াকুব নবী, অ্যাডভোকেট পার্থ পাল চৌধুরী, কফিল উদ্দিন মান্নান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ কোটি ৮ লাখ টাকা, ৫-৭ শতাংশ, ২ লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!