📌 ফরিদপুরের সালথা উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক বক্তব্যের কারণে উপজেলা প্রশাসন তাকে শোকজ নোটিশ জারি করেছে। বক্তব্যে তিনি ‘অস্ত্র বানান, মার্ডার হলে আমি দেখব’ বলেছিলেন
ফরিদপুরের সালথা উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলামের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক বক্তব্যের কারণে উপজেলা প্রশাসন তাকে শোকজ নোটিশ জারি করেছে। বিতর্কিত বক্তব্যে তিনি ‘অস্ত্র বানান, মার্ডার হলে আমি দেখব’ বলেছিলেন, যা এলাকায় ব্যাপক রোষানল সৃষ্টি করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফরিদপুরের সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন রফিকুল ইসলামকে শোকজ নোটিশ জারি করেছেন।
- 📌 ইউপি চেয়ারম্যানের বক্তব্যে বলা হয়: “যেকোনো কিছু করতে হলে আমাদের না জানিয়ে করলে তার দায়ভার আপনাদের। কিন্তু আমাদের নেতৃত্বে কিছু হলে— দুইটা মার্ডার হোক বা পাঁচটা, সেই দায়ভার আমাদের।”
- 📌 ২১ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় উজিরপুর বাজারে বক্তব্য দেন চেয়ারম্যান, যা ১০ মিনিট ৪২ সেকেন্ডের ভিডিওতে ধরা পড়ে।
- 📌 স্থানীয় সরকার আইন ২০০৯-এর ৩৪(৪)(খ) ধারায় লঙ্ঘনের কারণে শোকজ নোটিশ জারি করা হয়েছে।
- 📌 রফিকুল ইসলামের ফোন বন্ধ থাকায় তার প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।
📰 বিস্তারিত
২২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন স্বাক্ষরিত শোকজ নোটিশ রফিকুল ইসলামের কাছে পাঠানো হয়। নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে ইউপি চেয়ারম্যানের উসকানিমূলক বক্তব্য এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ভিডিওতে চেয়ারম্যান বলেছেন, “আমাদের নেতৃত্বে যদি দুই বা পাঁচ মার্ডার হয়, তাহলে সেই দায়ভার আমাদের। যার যার অস্ত্র বানাতে হবে, আমাদের হুকুম ২৪ ঘণ্টা আপনাদের সাথে থাকবে।”
২১ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় উজিরপুর বাজারে নিজ সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন রফিকুল ইসলাম। তার বক্তব্যের ১০ মিনিট ৪২ সেকেন্ডের ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার পর সমালোচনার ঝড় ওঠে। তিনি আরও বলেছিলেন, “উজিরপুরবাসী যদি অন্তত ২০ মিনিট ঠেকিয়ে রাখতে পারেন, তবে পাশের ২০টি গ্রাম থেকে যত লোক লাগে আমি পাঠাব।”
রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে বক্তব্য সম্পর্কে অবস্থান জানতে গত বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তবে নোটিশ পাওয়ার আগে তিনি সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ভিডিওতে তার বক্তব্য যেভাবে উপস্থাপিত হয়েছে তা সঠিক নয়। তিনি দাবি করেন, সেটি মূলত আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক একটি সভা ছিল এবং স্থানীয়দের শান্ত থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
"যেকোনো কিছু করতে হলে আমাদের না জানিয়ে করলে তার দায়ভার আপনাদের। কিন্তু আমাদের নেতৃত্বে কিছু হলে— দুইটা মার্ডার হোক বা পাঁচটা, সেই দায়ভার আমাদের।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফরিদপুরের সালথা উপজেলা, যদুনন্দী ইউনিয়ন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. রফিকুল ইসলাম (ইউপি চেয়ারম্যান), দবির উদ্দিন (ইউএনও)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ সেপ্টেম্বর (নোটিশ জারি), ২৪ সেপ্টেম্বর (সাক্ষাতকার), ২১ সেপ্টেম্বর (বক্তব্য), ৮ টা (রাত), ১০ মিনিট ৪২ সেকেন্ড (ভিডিও দৈর্ঘ্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!